পোস্টা শেয়ার করবেন প্লিজ।
সাদ্দামের জামিন হয়েছে আপনারা সবাই জানেন। মিডিয়া হাইপের কারণের সাদ্দামের জামিন হয়েছে - এটাও না বোঝার কোন কারণ নেই।
একজন মজলুম আলেম যেন ইনসাফ পায়, সেজন্য হাইপ তুলতে হবে।
প্রথম ছবির মানুষটা নাম মুফতি আবদুল্লাহ মায়মুন। সদ্য বিবাহিত এই আলেমকে হাসিনা রেজিম দিনের পর দিন গুম রেখে চুল দাঁড়ি এরকম বড় হবার পর মিডিয়ার সামনে নিয়ে আসে। মানুষটা কোন দল করতো না - তাই আগস্টের পর আগস্ট গেলেও তার মুক্তি মেলেনি।
পরিবার অনেক দৌড়ঝাঁপ করে জামিনের ব্যবস্থা করে। গতকাল জামিন দেবার কথা থাকলেও নানা তালবাহানা করে জামিন দেয়া হয় নাই। আজ সকালে পরিবার তাকে নিতে গেলে বলা হয় জামিন দেয়া হয়েছে, বাইরে থেকে কেউ গ্রেফতার করেছে কিনা জানি না - ডিবিতে খোঁজ নেন।
জামিন দিয়ে জেলের গেট থেকে আবার তুলে নেয়া হাসিনা আমলের সংস্কৃতি।
সেটা এখনো চলছে কেন?
মুফতি আবদুল্লাহ মায়মুন জামিন পাবার পরেও পরিবারের দেখা পাইলো না কেন?
ছাত্রলীগ ঘরে ফেরে, মুফতি মায়মুনরা জামিন পেয়েও ঘরে ফিরতে পারে না কেন?
মুফতি মায়মুনের জায়গায় ছাত্রলীগের কোন নেতা থাকলে প্রথমালোরা সিম্প্যাথি উদ্রেককারী ফটোকার্ড ছাপতো, নাদিম মাহমুদরা হৃদয়বিদারক কলাম লিখতো - প্রশ্ন ছুড়ে দিতো সমাজের বিবেকের কাছে।
আমার লিস্টে অনেক সাংবাদিক আছেন, কেউ এটা নিয়ে কাজ করবেন?
মুফতি মায়মুনের স্ত্রী আত্মহত্যা করে নাই বলে মিডিয়া চুপ থাকবে?
হাসিনার মিথ্যা মামলায় গুম এবং কারাগারবাস শেষে গনঅভ্যুত্থানের সুফল হিসাবে জামিন পান মাওলানা আনিস ভাই।
তবে জীবন তার স্বাভাবিক হয়নি৷ প্রচন্ড অভাবের মধ্যেও মামলায় হাজিরা দিতে হতো মাসে কয়েকবার। তবু, অনাহারে অর্ধাহারে পরিবার নিয়ে, স্বপ্ন নিয়ে জীবন চালিয়ে নিচ্ছিলেন।
হঠাৎ করে ছন্দহীন জীবনে আবার ছন্দপতন।হাসিনার আমলের মতো মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে আবার গ্রেফতার হন মাওলানা আনিস। তার পরিবারে আবার নেমে আসে কষ্টের কারবালা।
মাওলানা আনিসের অসহায় স্ত্রীকে নিজের বোন ভাবতে পারেন?
তার অসহায়ত্ব এবং কষ্টটা একটু বুঝতে চেষ্টা করবেন?
সব হারানো মানুষের সাথে আবার সেই হাসিনার মতে জুলুম কেন?
আজ আমাদের এই বোনটা সংবাদ সম্মেলন করে তার কষ্টের কথা আমাদের জানিয়েছেন।
আমরা কি চুপ থাকবো?
আল আকসা ফ্লাড
রক্ত, ক্ষুধা, কান্না - স্বাধীনতার মূল্য বড্ড বেশি।
চিড়িয়াখানায় খাবার কষ্ট নেই - তবে খাঁচার বাইরে যাবার সুযোগও নেই।
জঙ্গলে বিপদ অনেক, খাবারের নিশ্চয়তা নেই - তবে স্বাধীনতা আছে।
স্বাধীনতার জন্য, অবরুদ্ধ আল আকসাকে মুক্ত করার বাসনা হৃদয়ে নিয়ে আল্লাহর সৈনিকেরা উড়াল দিয়েছিলো আকাশে।
এরপর...এক সাগর রক্ত।
ধ্বংস্তুপের নিচ থেকে আজো ভেসে আসে জি--হাদের আজান।
যুগে যুগে মুক্তিকামী মানুষের পথ দেখাবে আল আকসা ফ্লাড।