এর আগেও বলেছি, সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে আমি এবিপি আনন্দে এই ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে রাখি -পঞ্চায়েত থেকে পুরসভা, লোকসভা থেকে বিধানসভা - প্রত্যেকটা নির্বাচনে। আমার বলতে কোনও দ্বিধা নেই, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। কারণ, ফিল্ড সার্ভে কমে যাওয়া এবং AI-এর অতিরিক্ত ব্যবহার।এর ফলে গোটা দেশেই Opinion Poll বা Exit Poll-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। একুশ বছরে এই প্রথম এবার এবিপি আনন্দ কোনও নিজস্ব সার্ভে করেনি। তবে আগেই বলেছি, নামী সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে,আমাদের স্টুডিওতে আলোচনার সূত্রে তাদের সমীক্ষা দেখাতে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু অবশ্যই উইথ এ পিঞ্চ অফ সল্ট...
সমীক্ষাকে ধ্রুব সত্য মনে করে আনন্দিত বা ক্ষুব্ধ বা হতাশ হওয়ার কোনও জায়গাই নেই। কারণ, সমীক্ষা কখনও মেলে, কখনও একেবারেই মেলে না...
#ghantakhaneksangesuman #sangesuman #sumande
গতকালের মত কলকাতা সমেত আরও কয়েকটি জেলার তথ্য-পরিসংখ্যান আপনাদের সামনে রাখব। ২০২১-এ বিরোধী BJP এবং শাসকদল তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোটের ফারাক কত ছিল এবং এবার SIR- এ কত নাম বাদ গেল। আবার বলছি, কোনও কনক্লুসনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন না, তবে এই তথ্য দেখলে বুঝতে পারবেন, কোথায় হিসেব পালটাতে পারে, কোথায় পালটানোর সম্ভাবনা। জেলাওয়াড়ি এই তথ্য অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক...
#ghantakhaneksangesuman #sangesuman #sumande
আমি বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ নই । কিন্তু বিস্ফোরণের মুহূর্তের এই দুর্লভ দুটো ফুটেজ দেখে আমার মতো যে কোনও সাধারণ মানুষও স্পষ্ট বুঝতে পারবেন এই বিস্ফোরণের অভিঘাত কতটা ছিল !
#breakingnews#BREAKING
দেখতে দেখতে দু‘দশক পার!
আর ‘একুশে পা‘ মানেই তো তারুণ্যের স্পর্ধা ।
২২ গজে ২২ বছরের দাপট।
কোন কোন বিশ্বজয়ী বাঙালিরা এবার ‘সেরা বাঙালি’র মঞ্চে ?
আগামী শনিবার, ১৫ ই নভেম্বর, রাত ৮টায়।
ভূত চতুর্দশীতে ভূতের গল্প
সুমন দে
প্রথমেই একটা স্বীকারোক্তি থাকুক। আমি বাচিক শিল্পী নই।বাচিক শিল্পে আমার কোন প্রথাগত শিক্ষা বা স্বতঃস্ফূর্ত দক্ষতা নেই। এক মেঠো রিপোর্টার কিভাবে টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরার সামনে পৌঁছল - সে এক নাটকীয় গল্প! আনন্দবাজার পত্রিকায় বেশ কয়েক বছর আগে রবিবাসরীয়র পাতায় সেই কাহিনী বিস্তারিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে--পরে কখনও এখানে আবার বলা যাবে। কিন্তু এই শুরুর স্বীকারোক্তির কারণ সম্পূর্ণ ভিন্ন। যে ভূতের গল্পটি বাংলা সাহিত্যের অতি-সমৃদ্ধ স্বর্ণখনি থেকে আমি পড়েছিলাম পাক্কা পাঁচ বছর আগে এবং জীবনে প্রথমবার আপনাদের সামনে আজ রাখলাম, তার প্রত্যেকটা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে ভয়ংকর একটা সময়! যে সময়ে মোমবাতির আলোয় ভূত-বিলাসের কোনও পরিস্থিতি ছিল না, বরঞ্চ জীবন এবং মৃত্যু এত কাছাকাছি চলে এসেছিল যে প্রতি মুহূর্তে আক্ষরিক অর্থেই হাড়-হিম করা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছিল গোটা মানবসভ্যতাকে!
কোভিড-কাল। করোনা মহামারী তখন তুঙ্গ মুহূর্তে!
পেশাগত কারণে প্রতিমুহূর্তে শুধু দুঃসংবাদের মধ্যে দিয়ে কাটছিল সময়টা। কখনও ব্যক্তিগত স্বজন-বিয়োগের, কখনও বা বৃহত্তর বিপদের। প্রতিদিন নানা গুজব পল্লবিত হয়ে একদিকে মানুষের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে নানাদিক থেকে এগিয়ে থাকা পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তের মুশকিল-আসানদেরও সমান বিভ্রান্ত মনে হচ্ছে। হাসপাতালে বেড নেই , আরোগ্যের আশাও কখনও-কখনও সঠিক ভ্যাকসিন পাওয়ার মতোই ক্ষীণ মনে হচ্ছে! আর প্রতি সন্ধ্যেবেলা শুধু আরেকটু ভালো থাকার চেষ্টায় প্রতিদিন আঁতিপাঁতি খুঁজছি আপনাদের দেওয়ার মত কিছু ভালো খবর , অথচ বেশিরভাগ সময়েই ব্যর্থ হচ্ছি এবং শেষপর্যন্ত খারাপ খবরগুলোকেই আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হচ্ছে পেশাগত দায়বদ্ধতার কারণে!
বহুবার দেখেছি, এইরকম অন্ধকার সময়গুলোতে আশ্রয় দিতে পারে একমাত্র বই। মনে হচ্ছিল প্রতিদিনকার এই দুঃস্বপ্ন-যাপনের মাঝখানে আরও আঁকড়ে ধরি ছাপার অক্ষরগুলোকে। আর সেই বইয়ের দীর্ঘ তালিকায় অবশ্যই স্বমহিমায় ছিলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় , আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখকদের অন্যতম। আমাদের ছোটবেলার লালশালুতে বাঁধানো বারো খণ্ডের শরদিন্দু রচনাবলী (যার শেষ দুটো খন্ডে ব্যোমকেশের কাহিনীগুলি ছিল) তা কিছুটা পাল্টেছে তাও বেশ কয়েক বছর হল। আনন্দ পাবলিশার্স থেকে ২০১৭ সালে ‘অলৌকিক গল্পসমগ্র‘ আলাদা করে প্রকাশিত হয়েছে। সেই বইটাই পড়তে-পড়তে হঠাৎ কি খেয়াল হল ফোনটা হাতে নিয়ে ভয়েস রেকর্ডারটা অন করে দিলাম আর শরদিন্দুর অনুকরণীয় ভাষায় আমার অন্যতম প্রিয় একটা গল্প বেশ জোরেই পড়তে শুরু করলাম। ছোটবেলায় মা বহু বকাবকি করেও জোরে-জোরে পড়া মুখস্ত করাতে পারেনি। কিন্তু সেদিন ঘোর কোভিডকালে হঠাৎ কী খেয়াল চেপেছিল কে জানে! তবে এটুকু বলে আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে তারপরে আর কোনওদিন এমন ইচ্ছে আমার হয়নি!
সেই সময়ে দুঃসংবাদ এবং দুর্ঘটনার দৈনন্দিন ঘনঘটা এতটাই প্রগাঢ় ছিল যে তার অভিঘাতে সেই অডিও-ফাইলটার কথা পরের দিন সকালে আর মনেই ছিল না! ভাগ্যিস রেকর্ডিংটা শেষ করেই আমার ভাতৃপ্রতিম সহকর্মী সুমন্তকে শুনতে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম ফাইলটা। আর কপিরাইট সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন নিয়ে সেদিন রাতেই ফোন করেছিলাম আমার সবসময়ের শুভাকাঙ্ক্ষী সুবীরদাকে(আনন্দ পাবলিশারের স্তম্ভ সুবীর মিত্র)। সুবীরদা আশ্বস্ত করার পর ভেবেছিলাম আপনাদের সঙ্গে তখনই ভাগ করে নেব, কিন্তু দুঃসময়ের প্রাবল্যে তা আর হয়ে ওঠেনি!
আজ হঠাৎ মোবাইলের ‘স্বয়ংক্রিয় স্মৃতি‘র কল্যাণে ফিরে এল প্রায় পাঁচ বছর আগে রেকর্ড করা সেই গল্পের পাঠটা! তাও আবার ভূত চতুর্দশীর দিনে!
কে বলে শুধু সমুদ্রদেবই নাকি যা নেন, সবকিছু আবার ফিরিয়ে দেন? এই ঘোর কলিকালে এআই-এর ডানায় ভর করে মুঠোফোনও তাই দেয় দেখছি!
ভূত চতুর্দশীর এই আধিভৌতিক উপহার কেমন লাগলো বলবেন ...
https://t.co/BpaOISDaZs
দেখুন আমি আগেও বলেছি, আমার সহকর্মীদের সঙ্গে আমার প্রায়ই দ্বিমত হয় যে গত কুড়ি বছর ধরে আপনাদের ভরসার, আগাগোড়া এবিপি আনন্দের পাশে থাকার কোনও প্রমাণ, আপনারদেরই সামনে, নিয়মিত, তুলে ধরার আদৌ কোনও প্রয়োজন আছে কিনা।ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, প্রয়োজন নেই। দরকার হয় না। তাই খুব ব্যতিক্রমী ঘটনা না হলে, আমরা কখনও এ নিয়ে নিয়মিত তথ্যপ্রকাশের প্রয়োজন মনে করি না। আপনারা জানেন, ভারতবর্ষে ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসের পর থেকে, একটাই সংস্থা, BARC, গোটা দেশে সমস্ত টেলিভিশন চ্যানেলের দর্শকসংখ্যার বিচার করতে পারে। তাদের ওয়েবসাইট বা অ্যাপে, আপনারা সমস্ত তথ্য, নিজেরাই দেখে নিতে পারেন। কয়েক মাস আগে থেকে, এই BARC সংস্থাটা, চার সপ্তাহের Rolled Data-র পরিবর্তে, প্রতি সপ্তাহের Unrolled Data মানুষের সামনে রাখছে। আর তাতেও, গত কুড়ি বছরের মতো, অনেকটাই এগিয়ে এবিপি আনন্দ। এটার কারণ একটাই, আপনাদের নিখাদ ভালবাসা আর আশীর্বাদ। তাই আজ, নানা প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করে চলা সমস্ত নিউজ চ্যানেল এবং ডিজিটাল মিডিয়াকেও এবিপি আনন্দের শুভেচ্ছা। আর আপনাদের কাছে, আমাদের দর্শকদের কাছে আমরা চিরকৃতজ্ঞ। আপনাদের প্রণাম।
Today we released the August 2025 spam update.
It may take a few weeks to complete, and we'll post on the Google Search Status Dashboard when the rollout is done:
https://t.co/VyY24LVujq