Yes, you a Dimagi Naxal.
1. You opposed India's nuclear programme.
2. You offered talks to Naxals without asking them to lay down arms - just a month after they killed 76 CRPF jawans.
3. You officially used the term "saffron terrorism" as Home Minister.
4. You mocked UPI.
A promise made. A promise delivered.
The process to clear long-pending DA dues has begun, pensions are being restored and retired employees are finally getting the respect they earned through decades of service.
This is what happens when commitments are treated as responsibilities, not election slogans.
আগামীকাল পশ্চিমবঙ্গের জনগণের রায়ে নির্বাচিত রাষ্ট্রবাদী সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হতে চলেছে।
মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৩৫ জন মন্ত্রী সকাল ১১ টায় লোকভবনে শপথ গ্রহণ করবেন। মহামান্য রাজ্যপাল শ্রী আর. এন. রবি মহোদয় লোকভবনে তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
দাদা @tjt4002 তোমার জন্মদিনে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
32,000 এর নরক জীবন থেকে মুক্তি দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ঈশ্বরের কাছে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
এভাবেই সব সময় মানুষের পাশে থাকো, এই প্রার্থনাই করি। 💐
Respected #EMoWB@basu_bratya,
Kindly instruct #SED to send #SoP to Fin.Deptt,GoWB, for the release of arrears of D.A./D.R. as per AICPI for the period as earmarked by the #SC by 13/04/2026 i,c,w, Finance Deptt's(GoWB) Memo No.- 1338(7)-F(P2),dt.-10/04/2026.
@MamataOfficial
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে আবারও প্রতারণা।
১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে রাজ্য সরকারের অর্থ দপ্তর থেকে একটি মেমোরান্ডাম জারি হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে Grant-in-Aid প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া DA / DR নিয়ে সরকার বিবেচনা করছে।
নির্দেশিকাটি সহজ ভাষায় বুঝলে বিষয়টি স্পষ্ট।
সরকার বলছে এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া DA / DR দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন।
কিন্তু আপাতত বিভিন্ন দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা যেন তাদের অধীনস্থ কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতন, ভাতা ও পেনশনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। বিশেষ করে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ে কত DA দেওয়া হয়েছে এবং কত পাওনা রয়েছে তার হিসাব তৈরি করতে।
তারপর সেই তথ্য পাওয়ার পর কীভাবে এবং কোন পদ্ধতিতে বকেয়া DA / DR দেওয়া হবে তা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অর্থাৎ সহজ ভাষায়—
• আলোচনার সময়কাল: এপ্রিল ২০০৮ – ডিসেম্বর ২০১৯
• আপাতত হিসাব চাওয়া হয়েছে: জানুয়ারি ২০১৬ – ডিসেম্বর ২০১৯
• কবে টাকা দেবে বা কীভাবে দেবে — সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেই।
এবার আসা যাক আসল প্রশ্নে।
Supreme Court of India স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল—বকেয়া DA দিতে হবে।
তারপর মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee ঘোষণা করলেন যে কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী DA দেওয়া হবে। অনেক সরকারি কর্মচারী তখন ভেবেছিলেন—অবশেষে বহু বছরের বঞ্চনার অবসান হতে চলেছে।
কিন্তু বাস্তবে কী হলো?
ঘোষণা করা হলো—টাকা দেওয়া হবে ঠিকই, কিন্তু সরকারি কর্মচারীরা সেই টাকা দুই বছর স্পর্শই করতে পারবেন না। সেটাকে PF-এ রেখে দেওয়া হবে।
অর্থাৎ বাস্তবে এখন হাতে কিছুই পাওয়া যাবে না।
এটা কি সত্যিই কোর্টের নির্দেশ মানা?
নাকি কোর্টের অর্ডারকে ঘুরিয়ে নতুন নাটক?
বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীরা বকেয়া DA-এর জন্য লড়াই করছেন। আন্দোলন করেছেন, আদালতে গেছেন, অপমান সহ্য করেছেন। অবশেষে আদালতের নির্দেশ এল। কিন্তু সেই নির্দেশেরও এমন ব্যাখ্যা করা হচ্ছে যাতে কর্মচারীরা বাস্তবে তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিতই থাকেন।
সত্যিটা খুব পরিষ্কার।
নির্বাচনের আগে ঘোষণা — ভোটের পরে অজুহাত।
আজকের এই মেমোরান্ডাম থেকেই পরিষ্কার—
সরকার এখনও শুধু হিসাব সংগ্রহের নির্দেশ দিচ্ছে, কিন্তু কবে টাকা দেবে বা কীভাবে দেবে তার কোনও পরিষ্কার রোডম্যাপ নেই।
রাজ্য সরকার তাদের কার্যকলাপে প্রমাণ করল যে তারা কার্যত দেউলিয়া।
টাকা নেই বলেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকেও এক প্রকার ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীরা কিন্তু সবই দেখছেন, সবই বুঝছেন।
এবার তাদের হাতে হ্যারিকেন এসেছে — সত্যিটা স্পষ্ট হয়ে গেছে।
Bharatiya Janata Party পরিষ্কারভাবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে—
পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠিত হলে
কেন্দ্রীয় হারে DA দেওয়া হবে এবং
7th Pay Commission-এর সম্পূর্ণ সুবিধা রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা পাবেন।
বঞ্চনা নয়, প্রাপ্যটাই দিতে হবে।
মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয়, সৎ সিদ্ধান্ত দরকার।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের সম্মান ফিরিয়ে আনতে পরিবর্তনই একমাত্র পথ।
শেষে শুধু একটা কথা—
সরকারি কর্মচারীরা ভিখারি নন।
তারা তাদের অধিকার চাইছেন।
কোর্ট বলেছে টাকা দিতে হবে।
সরকার বলছে — “দেব, কিন্তু এখন নয়।”
এই পার্থক্যটাই মানুষ বুঝে গেছে।
২০২৬-এর নির্বাচন শুধু সরকার বদলের নির্বাচন নয়।
এটা অপমানের জবাব দেওয়ার নির্বাচন।
THE TRUTH ABOUT BENGAL’S TEA GARDENS —
ENOUGH OF THE LIES, ENOUGH OF THE EXPLOITATION
For 150+ years, tea garden workers have built Bengal’s tea industry with blood, sweat and hunger.
And what do they get today?
₹250 per day.
The lowest wage in India.
Cheaper than South India, poorer than minimum labour rules.
Thousands of families are starving as gardens shut down—Torsa, Kalchini, Raimatang, Chinchula, Dalchinpara, Hantapara, Lankapara, Madhu and many more …
Men migrate to South India, Hariyana, Rajasthan, Gujrat, Uttar Pradesh, women take unsafe jobs, children drop out.
Dooars is turning into a graveyard of lost futures while the State government sleeps.
Cha Sundari?
Not a housing scheme.
A land-grab scheme.
Houses built on sandbanks, flooding in the first monsoon, no water, no electricity, no safety.
Weak pattas that mean NOTHING.
The real target: evict workers from their traditional line settlements.
Hospitals? Dead.
Schools? No teachers.
JJM taps? No water.
Roads? Broken.
Ration? Corrupted.
Relief? Stolen.
And yet the government has the audacity to claim “development.”
The workers are clear now:
We want land rights.
We want fair wages.
We want our tea gardens run by workers’ cooperatives.
No more company loot, no more political mafias.
Tea garden workers are done being silent.
The roar has begun—
Give us justice or face our uprising.
The government is trying to sell gardens to hotels and resorts. Rights of residents of tea gardens are being looted .