তুমি যতই চাও, কাঁদাতে পার���ে না তাকে,
সে শিখে গেছে—কীভাবে নীরবতাকেও জয় করে রাখে।
অশ্রু নয়, তার গল্প বয় এখন ঠোঁটের হাসিতে,
একটা জীবন লুকিয়ে থাকে প্রতিটি নীরব বাক্য।
চোখ একদিন কান্না লুকিয়ে হাসতে জানে,
ত��র মনে আর বেদনার ভার সহজে টানে না।
চেনা ব্যথায় গড়ে ওঠে শক্তির এক প্রাচীর,
সেই হৃদয় আর টুটে না আজ তুচ্ছ কোনো আঘাতের তীর।
পায়ের নিচে কাঁদে ধরণী,
গর্জে ওঠে এক রক্তধারা।
গণমানুষ চুপ নয় আর,
জবাব দেবে এই অবহেলা-হারা।
বুটের নিচে চাপা নয় প্রাণ,
প্রতিবাদে জ্বলুক আগুন।
অত্যাচারের শেষ আছে একদিন,
আসবে নতুন স্বর্ণ ভোরের সূর্যদিগন্ত-কুণ্ড।।
গোপালগঞ্জ আজ কথা বলে,
নির্ভয়ে সে রুখে দাঁড়ায় তলে।
ফ্যাসিস্টের বুটে থামে না প্রাণ,
জনতার হাতে জাগে বিদ্রোহ গান।
চেলারা থামে, ভয় পায় রক্ত,
মানুষ জাগে, করে শপথ শক্ত।
স্যালুট তোমায়, গর্বের কণ্ঠে,
তোমরাই আশা, এই আঁধার যুগের সাঁঝে।।
স্���প্নগুলো ছিল রঙিন, বাস্তবতা ছিল কঠিন,
চাইনি কাঁদতে, তবুও চোখে নেমেছে বৃষ্টি ধিন।।
হার মেনেছি? না মোটেই—
আমি পথের শেষ নই, বরং নতুন শুরুর কষ্টসই কাব্যে রয়।।