বিশেষ সতর্কতাঃ
আপনি যদি এশিয়ার কোন দেশে (বিশেষ করে পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, চীন, ভিয়েতনাম, নেপাল) অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, অথবা বাংলাদেশে বসবাসকারী নাগরিক যারা ফটোগ্রাফি, ড্রোন অপারেশন অথবা উপরে উল্লিখিত দেশ সমূহে নিয়মিত ট্রাভেল ট্যুর পরিচালনার সাথে যুক্ত হয���ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই মনোযোগ সহকারে এই লিখাটি পড়ুন।
সম্প্রতি দু��ি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার বরাতে জানা গেছে যে উপরোক্ত দেশ সমূহে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশে বসবাসরত উল্লিখিত পেশার নাগরিকদের টার্গেট করে সেসব দেশের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থান এবং সীমান্ত এলাকার ছবি, ভিডিও এবং ড্রোন ফুটেজ সংগ্রহ করছে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
যে পদ্ধতিতে তারা এই কাজটি করছে, সেটা অনেকটা এমন, প্রথমে পাকিস্তান, নেপাল বা থাইল্যান্ডের নাগরিক ও সেসব দ���শে ট্যুর অপারেশনের সাথে জড়িত এমন ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে আপনার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে। এরা মূলত তাদেরকেই টার্গেট করে যারা উপরের দেশগুলোতে অধ্যয়নরত আছেন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন, বা এই দেশগুলোতে ট্যুরিস্ট গ্রুপের সাথে যাতায়াত করেন এবং সেসবের ছবি নিজ প্রোফাইল ছাড়াও বিভিন্ন ট্রাভেল গ্রুপে নিয়মিত শেয়ার করে থাকেন।
প্রাথমিকভা���ে ��ার্গেটকে বাছাই করার পর তারা আপনার সাথে ইনবক্সে যোগাযোগ করবে, এবং জানাবে যে আপনার পরিচালিত ট্যুর বা ছবি/ফুটেজ তাদের বেশ পছন্দ হয়েছে এবং তাদের বাছাই করা কিছু ট্যুর লোকেশন (প্রথম ধাপে পর্যটনের জন্যে বিখ্যাত) এলাকার ছবি/ফুটেজ পাঠাতে এবং বিনিময় প্রচলিত রেটের চাইতে অধিক পেমেন্ট করা হবে, এমন নিশ্চয়তা প্রদান করে। প্রথম ধাপে আপনি ছবি/ফুটেজ পাঠানোর আগেই অর্ধেক টাকাও পরিশোধ করা হয়, আর পাঠান���র পর প্রায় সাথে সাথেই বকেয়া অর্থ পরিশোধ হয়ে যায়।
প্রথম ধাপে বিশ্বস্ততার পরিচয় ও সম্পর্ক স্থাপনের পর, এবার তারা আপনাকে তাদের মূল টার্গেট প্রদান করবে যা সাধারণত সংরক্ষিত কোন এলাকা — সেটা হতে পারে চীন-তিব্বত সীমান্ত বা বেইজিং শহরের কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থান কিংবা ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকা অথবা থাইল্যান্ড মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা বা স্পর্শকাতর কোন সামরিক এলাকার বেষ্টনী ঘেঁষা এলাকা ���া নির্মাণাধীন ট্রেন স্টেশন অথবা বন্দর এলাকা।
আর বিপদটা ঘটে তখনই, সংরক্ষিত এসব এলাকার ছবি তোলা বা ভিডিও ফুটেজ ধারণের পর আপনি যে কোন সময় সেদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হতে পারেন।
সম্প্রতি চীনে ২ জন বংলাদেশী ছাত্র এবং আরো দুটি দেশে অন্তত একজন করে বাংলাদেশি নাগরিককে এসব ঘটনায় আটক করা হয়েছে। পৃথক দুই দেশে আটক দু'জন নাগরিকের খোঁজ পাওয়া গেলেও নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ছবি এবং ড্রোন ফুটেজ ধারণের সময় আটক দুই বাংলাদেশি ছাত্রের খোঁজ পাওয়া যায় প্রায় ৪ মাস পর (ডিসেম্বর ২০২৫ এ আটক করা হয়)।
এই দুই বাংলাদেশি ছাত্র এখনো চীনা জেলে আটক রয়েছে এবং এসপিওনাজ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে চীনা আইন অনুযায়ী তাদের মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেয়া হতে পারে।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে এই পোস্টে এমন দু'জনের প্রোফাইল ও কথোপকথন সংযুক্ত করা হয়েছে যারা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের গুপ্তচর এবং ভুয়া প্রোফাইলের ��াধ্যমে কিভাবে তারা যোগাযোগ করে এধরনের কাজে সংযুক্ত করার চেষ্টা করে।
বিষয়টি অত্য���্ত গুরুত্বপূর্ণ, অনুগ্রহ করে সত্যতা যাচাই ব্যতিত এমন যে কোন কাজের সাথে জড়িত হওয়া থেকে সাবধান থাকুন। দেশে-বিদেশে অবস্থানকালে যে কোন রকমের স্পর্শকাতর ও সংরক্ষিত এলাকার ছবি, ভিডিও, ড্রোন ফুটেজ সংগ্রহ করা হতে বিরত থাকুন।
যে উদ্দেশ্যে এমন করা হচ্ছে তার কারণ বুঝতে বেশি বেগ পেতে হয়না, চীন তাদের ইউনান প্রদেশ সহ বিভিন্ন প্রদেশে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিককে আমন্ত্রণ জানিয়েছে — পর্যট��, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যে। এছাড়াও চীন সহ দক্ষিন এশিয়ার অন্যান্য দেশে চিকিৎসা গ্রহণ , শিক্ষা ও ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাশ্ববর্তী রাষ্ট্রের এই দুরভিসন্ধিমূলক কার্যক্রমের কারন একটাই — বাংলাদেশি নাগরিকদের অন্যান্য এশীয় দেশগুলোর সামনে হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করে সম্পর্কের অবনতি ঘটানো ও আবারো তাদের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করা।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় প্রফেসর ইউনূসের গ্রামীণ ট্রাস্ট ও এর বিভিন্ন সংস্থা কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে বানিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আর যখনই সেসবকে ঘিরে বিতর্ক হয়েছে বা এ��ব চুক্তি যে স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক, সেসব নিয়ে আলোচনা উঠেছে, তখনই তার আক্রমণাত্মক প্রেস টিম গাঁটবেধে নামতো এটা প্রচার করতে যে মুহাম্মদ ইউনূস আর গ্রামীণের অংশ নন কারণ তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটি থেকে পদত্যাগ করেছেন। চুক্তি বা লাইসেন্স প্রদানে কোনো অনিয়ম হয়েছে কিনা তা খুঁজে বের করার জন্য তার প্রেস টিম সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতো।
সমস্যাটা ��য়েছে এই যে, 'গ্রামীণ' নামটি ইউনূসের সমার্থক। যখন গ্রামীণের কোন সংস্থা থেকে লাইসেন্স, চুক্তি বা যে কোন আবেদন করা হয়, সবাই জানে এটি কার জন্য। তার উপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে মবোক্রেসি ও প্রতিহিংসার সংস্কৃতি প্রশ্রয় দিয়েছে, তাতে কোনো সরকারী - বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আমলা বা সরকারী কর্তা কি গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট কিছু প্রত্যাখ্যান করার সাহস রাখতেন? স্পষ্টতই, না।
ড.ইউনূস সরকার প্রধান থাকা অবস্থায় অন্তত দুটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে গ্রামীণ ট্রাস্টের অধীনস্থ গ্রামীণ হেলথটেকের উদ্যোগ সুখী –স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের চুক্তি করে, প্রথম চুক্তিটি করা হয় এপ্রিল ২০২৫ এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অধীনে পরিচালিত আর্মি ফার্মার সাথে এবং দ্বিতীয়টি অক্টোবর ২০২৫ এ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) এর সাথে — যার মাধ্যমে সিপিএ'র ৫৫০০ কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্���দের (প্রায় ৩৫০০০) সুখীর স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা হয়। এছাড়াও নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মী নূরজাহানকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন।
যার নিজের সরাসরি স্বাস্থ্য সেবামূলক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে তিনি কিভাবে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তাঁর দীর্ঘ দিনের সহকর্মী যিনি নিজেও গ্রামীন ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তাঁক�� দিলেন? এটাও কি স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক নয়?
গ্রামীন হেলথ টেকের সুখী ২০২৪ সালের জুলাইতে যাত্রা শুরু করে এবং এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সরকারী প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথেও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের চুক্তি সম্পাদন করে। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো সুখীর অনুষ্ঠানে আরেক উপদেষ্টার প্রতিষ্ঠান আকিজ-বশির গ্রুপকেও স্পন্সর করতে লক্ষ্য করা যায়।
ইতোমধ্যেই জানা গেছে যে ড.ইউনূস তাঁর গ্রামীণ ট্রাস্টে ফিরে গেছেন। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবেই দেখানো হচ্ছে। কয়েকদিন ���গে বেশ আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে তাঁকে বরণ করে নেয় গ্রামীণ ট্রাস্টের কর্মীরা যার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা দেখেছি।
যিনি 'নতুন বাংলাদেশ'-এর গান গাইলেন, রিসেট বাটন চেপে আবার সব কিছু শুরু করার গল্প শোনালেন, তিনি কি সেই 'পুরোনো বাংলাদেশ'-এর আদলেই এসব কার্যকলাপ করলেন না? এসব স্বার্থের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক বিভিন্ন কাজ করে তিনি তো অনৈতিক চর্চাকেই প্রশ্রয় দিয়ে গেলেন, তাই না?
@bdbnp78 সরকার কি গ��রামীণ ট্রাস্ট অধিনস্থ এসব প্রতিষ্ঠানের সেই চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা করবে যা সরাসরি স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক?
US President Donald J. Trump has congratulated the Hon'ble Prime Minister H.E. Mr. Tarique Rahman on his assumption as the Prime Minister of Bangladesh. In his congratulatory message, President Trump has expressed his wish to work together based on mutual respect and shared interest.
আমি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ের অভিমুখে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জনাব তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
এই ফলাফল আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।
ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আমাদের অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।
@trahmanbnp@bdbnp78
For decades, Bangladesh's politics have been dominated by two parties and two dynasties, but there has always been a third force in play. Jamaat-e-Islami (JI), a political party based on Islamic principles, is featured in the third episode of Bangladesh: A Democratic Test.
@AJEnglish speaks with the party's leader, its Emir, Shafiqur Rahman. What does his party's ascent mean for Bangladesh's secular identity, women's rights, and the future of its democracy?
Watch the third episode of Bangladesh: A Democratic Test tonight at 22:30 GMT on Al Jazeera English.