Alhamdulillah, thank Allah I'm fine
Alhamdulillah, Allah has kept me in that condition Alhamdulillah, I am much better and healthier.
I always pray to Allah
আপনাদের একটি ৩১ দফা কর্মসূচি ছিল। ক্ষমতায় যাওয়ার পর তো সেই ৩১ দফার আলোচনাও আর শুনি না।
জুলাইকে কি আপনারাই শুধু আওয়ামী লীগের পরিবর্তে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার সমার্থক বানিয়ে ফেলতেছেন না?
বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ কালকে এক আলোচনা সভায় বলেন, জুলাই আন্দোলনকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করে এর মূল আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তো, জুলাই সনদের ব্যাপারে আপনারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলেই তো হয়। জুলাইয়ের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল হাসিনার
যে সিস্টেম, সেখান থেকে বাংলাদেশকে বের করে নিয়ে এসে জনগণের কল্যাণে একটি নতুন সিস্টেম তৈরি করা।
এই কাজের জন্যই জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। জনগণও গণভোটে এই সনদের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোকে সমর্থন করেছে। অথচ আপনারাই এখন সেখান থেকে উল্টো দিকে হাঁটা শুরু করছেন।
হয়েছিলেন আরো একবার। সচেতন নাগরিকদের নিশ্চয়ই মনে আছে, কার্ফু দেয়া নিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসতেন এই ইনু গং। জামায়াত শিবিরকে নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করার ঘোষণাও এসেছিল তাদের উস্কানিতেই।
আজ ট্রাইবুনালে ইনু সাহেবের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হওয়ার প্রেক্ষিতে পুরনো এসব স্মৃতি মনে পড়লো।
তথ্যমন্ত্রী থাকা অবস্থায় গণভবনে হাসানুল হক ইনুর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ইনু ফিসফিস করে কী যেন বললেন। মাইক তখন ওপেন ছিল। ফলে বাইরে থেকেও কথাগুলো শোনা গেছে। পরমুহূর্তে শেখ হাসিনা বললেন, "কী দিন আসলো, জাসদের কাছ থেকে এখন আমাদের গনতন্ত্র শিখতে হচ্ছে।"
হাসানুল হক ইনুর উত্থান হয় আবার জুলাইয়ের উত্তাল সময়ে। তখন শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সাথে বৈঠক করার চেয়ে ১৪ দলের সাথে বৈঠক বেশি করতেন। বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়ো হলে যা হয় তাই হলো। শেখ হাসিনার সাথে মিটিং করে বাইরে এসে ব্রিফ করতেন এই ইনুরাই। তারা শেখ হাসিনার ওপর চড়াও হয়েছিলেন
অথচ অনুষ্ঠানটা ছিলই খাদ্য দিয়েই।
আমি হলে খাবার শেষে ঢেকুর তুলে বলতাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,রান্না চমৎকার হয়েছে। সাথে ফাও হেভিমেটাল, কীটনাশক এবং ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম
শুধু মনে রাখবেন, আমরা ২০ কোটি মানুষ এক হলেও কিছু করতে পারব না, ঐ একজন মানুষের শতভাগ সাপোর্ট ছাড়া।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাংবাদিকরা আজ মধ্যাহ্ন ভোজে যোগ দিয়েছিলেন।
শুনলাম খাবারে ভেন্ডি ভাজি, ডিম ভুনা আর ছোট একটু পাবদা মাছ, ডাল, সালাদ ইত্যাদি ছিল। আর ডেজার্ট হিসেবে কলা।
সবাই জানেন, কী খেয়েছে। কিন্তু কেউ একটু হেসেও নিরাপদ খাদ্য নিয়ে একটা শব্দও উচ্চারণ করেননি।
*_If the Muslim world launches an Islamic Dinar among themselves instead of the Dollar, it will become a greater threat to the West than a nuclear bomb.
Let OIC present this proposal._*
@OIC_OCI@oicarabic@OICatUN
মডেলেরই হবে আগামী ১৫ বছর। এই হবে হবেগুলো বাধাহীনভাবে হবে যদি প্রতিবেশী রাস্ট্রের নানা শর্ত ইচ্ছার প্রাপ্তি ঘটিয়ে যেতে থাকে বিএনপি। রাজনীতিতে লীগ ফেরত এসে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে " বুশ ভারতের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান" শ্লোগান শোনালেও অবাক হওয়ার থাকবে হয়তো একদিন
বিএনপি আপাতত লীগবিহীন ২ টার্ম ইলেকশন করবে লীগকে নিষিদ্ধ রেখে সম্ভবত। ২ টার্ম এর পর হাসিনাযুগের অবসান হয়ে গেলে যেবার বিএনপির উপর মানুষের বিরক্তি আসবে সেবার বিএনপি লীগকে নির্বাচনে আনবে এবং জামাত ও এনসিপিকে কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়ে জোটবদ্ধ ইলেকশন করতে চাইবে৷ আপাতত বিএনপির হাতে এভাবে
৩ টার্মের পরিকল্পনা আছে। বিএনপি গণভোট ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো প্রায় বাতিল করার পর জামাত-এনসিপিকে চ্যাতায়া আগামী নির্বাচনেই সম্ভবত লীগকে ফেরত আনার জুয়া ভুলেও খেলবে না
বিচার বিভাগ, প্রশাসন যেহেতু বিএনপির সম্পূর্ণ দখলেই থাকছে সেহেতু নির্বাচন পুরোপুরি না হলেও কাছাকাছি হাসিনা
করতে তারা বেশি পছন্দ করেন। কেউ কেউ চায়ের দোকানে বা বাজারে সমবয়সী বন্ধুদের সাথে আড্ডায় মেতে থাকতে পছন্দ করেন। আবার, কারও জোটে কেবল নিঃসঙ্গতা।
অদ্ভুত গোলকধাঁধার এই জীবনে "সময়" এক দারুণ খেলোয়াড়...
জীবনের প্রথম ৩০ বছর আমরা পরিশ্রম করি পরের ৩০/৪০ বছর ভালো থাকার জন্য বা ভালো ক্যারিয়ার গড়ার জন্য। সেক্ষেত্রে প্রথম ৩০ বছরকে বিনিয়োগ হিসেবে ধরা যেতে পারে। একদিক দিয়ে চিন্তা করলে দেখা যায়, আমরা সময় ব্যয় করে অর্থ অর্জন করি। সময়কে উপভোগ করার বয়সে অর্থের পেছনে ছুটতে
ছুটতে আর জীবনকে উপভোগ করা হয় না। শেষ বয়সে এসে এমন অবস্থা হয় যে, আপনাকে সময় দেয়ার কেউ নেই।
দেখা যায়, বৃদ্ধ লোকজন শেষ বয়সে সঙ্গ খোঁজেন। কেননা, একাকী জীবন অনেক কঠিন এবং নিজেকে অসহায় মনে হয়। দেখা যায়, মনটা অনেকটা শিশুর মতো হয়ে যায়। নাতি নাতনীদের সাথে খেলতে এবং গল্প
আজ সংসদ অধিবেশন দেখে আবারও হতাশ হলাম।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এমপিদের বক্তব্যে সেই প্রত্যাশিত গভীরতা, বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা কিংবা সময়োপযোগী দৃঢ় অবস্থান খুঁজে পেলাম না।
জনগণের আশা থাকে তাদের প্রতিনিধি শুধু কথা বলবেন না,বরং সমস্যার স্পষ্ট সমাধান ও শক্ত অবস্থান তুলে ধরবেন।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কাইয়ুমকে নিয়ে একটা স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে দেখলাম! সেটা যে ১০০% ইডিট করা সেটার প্রমাণ আমি নিজে!
২০১৮ সালে আমি আর সাদিক কাইয়ুম একই রুমে থাকতাম। সূর্যসেন হল, রুম -২৩৮!
এই রুম থেকেই আমাকে ছাত্রলীগ তুলে নিয়ে যায় এবং চারুকলায় চার ঘণ্টা নির্যাতন করে কোটা
সংস্কার আন্দোলনের মামলায় কারাগারে পাঠায়!
আমরা গণরুমের বন্ধু!
ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশটে ম্যাসেজে লেখা যে, সাদিক কাইয়ুম রব্বানীকে বলেছে, আমি আপনার হলের ছোট ভাই। অথচ, রব্বানীর হল ছিলো শেখ মুজিব হল আর আমাদের দুজনের-ই হল ছিলো সূর্যসেন হল!
আবার প্রকাশিত স্ক্রিনশটে যে প্রোফাইল