আমি এমন করে তার সাথে থাকতে চেয়েছিলাম যেন,, প্রতিদিনের প্রতিটি কর্ম ব্যস্ততা,, আমাকে যেন তার সাথে বয়স বাড়তে বাড়তে বুড়ো বানিয়ে দেয়।
সোজা কথা,,তার সাথে বুড়ি হওয়ার শখটা আমার থেকেই যাবে।
কারণ,,বয়স যতই বাড়ুক,,যতই আমরা বুড়ো হই না কেন,,আমি তাকে কোনদিন বুড়ো বলতে পারতাম না।😕
আসলে কারো মুখের মিষ্টি কথায় কোনদিনই ভালবাসা থাকে না।
ভালবাসা অন্য কিছু।
যারা ভালবাসে তারা সবসময়ই একরকম কথাই বলে।সময়ের ব্যবধানে তাদের মুখের কথা আর ভালবাসার সংজ্ঞা বদলে যায় না।
যা ভুল,,যা মিথ্যা তা সবসময়ই মিথ্যাই।
ভালবাসার বিকল্প কোন কিছু থাকে না।ভালবাসার বিকল্প ভালবাসাই
বিয়ে ঠিক রিযিকের মতোই,
আর রিযিক আসে আল্লাহর ইচ্ছায়,আপনার ইচ্ছায় নয়।তা আসে আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী,আমাদের চাওয়া অনুযায়ী নয়।ঠিক যেমন আপনি যেখানেই থাকুন না কেন রিযিক আপনার কাছে পৌঁছায়,তেমনি আপনার তাকদির মিলে গেলে সঠিক জীবনসঙ্গীও আপনার কাছে চলে আসবে।
যদি তাকে ক্ষমা করতেই হয়,,তবে শুধু ক্ষমা নয় সাথে তার প্রতি আর কোন চাওয়া পাওয়াও না রাখার প্রতিশ্রুতিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
কারণ,, ক্ষমার অযোগ্য মানুষ কে ক্ষমা করতে হবে।তাই সারাজীবন তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে চলাটা ই সঠিক হবে।
কিছু মানুষরে হারায় ফেলার কথা ভাবলেও ভয়ে দুনিয়া তোলপাড় হয়ে যাওয়ার মতো দুঃখ লাগে। আরো বেশি দুঃখ লাগে যখন দেখি আমাকে হারানোর বিন্দুমাত্র ভয়ও তাদের নাই।
-
স্বেচ্ছায় আগুনে পুড়ে মরার জীবন বেছে নিয়েও আমরা অন্য কে দোষারোপ করি।আর সৃষ্টিকর্তার কাছে অভিযোগ দিই,,,কেন এমন জীবন আমাদের দেয়া হইছে?আসলে কি সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন নাকি আমরা চেয়েছি বলেই পেয়েছি?
অভিযোগ করে শুধু নিজেকেই অপমান করা,,জীবন তো আমাদেরই।জীবন কেমনে চলবে আমরাই ঠিক করি,😒
রামিশার ঘটনার পর থেকে আমার শুধু মনে হয়,, এই দেশে কন্যা সন্তানের পিতারা হয়ত,, স্বাভাবিক কাজকর্ম ঠিক মত করতে পারছে না। সবার চোখে মুখে শুধু রামিশার সাথে বর্বরতার প্রতিচ্ছবি জড়ানো। 🥲
মাঝে মাঝে ই মনে হয়,,সবকিছু ফেলে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন হয়ে যাই,,ঈমানের সাথে একটা সুন্দর মৃত্যুর অপেক্ষায়।যে মৃত্যু আমাকে নিশ্চয়তা দিতে পারবে যে,,আমি আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হব না ইনশাআল্লাহ।
তারপর ওই জীবনে তোমার জন্য অপেক্ষা করি,,সেখানে তো আল্লাহ আমাকে নিরাশ করবে না তুমিও না।