মাহমুদা কৃক স্ক্যান্ডাল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য একটা ওয়েক আপ কল! একটা জরুরী সাবধান বার্তা। মাননীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে তার অপমানজনক কথাবার্তার অডিও ভাইরাল হওয়ার পর জানা গেছে তার পরিবারের জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের নানা তথ্য। এসব প্রমাণাদি ইতিমধ্যে সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হ��়েছে। এবং সেগুলা ভুয়া, মিথ্যা কিংবা বানোয়াট বলার কোনো উপায় নেই।
মনে রাখবেন কৃক একটা উদাহরণ মাত্র! তার মতো অনেকেই আওয়ামী লীগে ঘাপটি মেরে বসে আছে। এরা বিএনপি জামাতের শেষ অস্ত্র। যখন অন্য কোনো উপায় পাবে না তখন এদেরই ব্যবহার করা হবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। যে বা যারা এসে এদের পক্ষে সাফাই গাইবে- নিশ্চিত জানবেন সেও গুপ্তচর দলের সদস্য। আওয়ামী লীগ সেজে আছে দলের গোপন তথ্য শত্রুর কাছে সরবরাহ করার জন্য। কানাডার লালবদর শামসুন্নাহার কিংবা তার মতো বহু আওয়ামী বিদ্বেষী একই অপরাধ করে এখন আওয়ামী পেইজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, লীগের নেতাদের কোলে বসে আছে বলে কৃককেও ক্ষমা করবেন?
যেসব খাপোরা ঐক্যের দোহাই দিয়ে এদের হালাল করতে বলেন তাদের প্রতিহত করুন। আপনি কি সারজিস কিংবা হাবাদুল্লাহদের সাবেক আওয়ামী লীগ বলে মাফ করে দিবেন? সাদিক কায়েমদের? ডিসেম্বর যত ঘনিয়ে আসছে ততোই এরা প্রকাশ্য হবে। জানতে চাইবে আওয়ামী লীগ কি করতে চায়, কি করতে যাচ্ছে। সেটা তারা জানাতে চায় ইউনুস তারেক রেজিমকে আওয়ামী লীগ সেজে।
সো ঐক্যের দোহাই দিয়েন না। এখনই যদি ঘরের শত্রু নির্মূল না করেন দেখবেন বিজয়ের কাছে গিয়ে নির্মম পরাজয়। তখন মরতে মরতে দেখবেন এরাই উল্লাস করছে। এদেরকেই এমপি মন্ত্রী বানাচ্ছে জামাত বিএনপি পুরষ্কার হিসেবে। তখন আর ভুল শুধরাবার সময় পাবেন না।
অগাস্ট থেকে না শিখলে আর কবে শিখবেন? মনে রাখবেন এটা মহাযুদ্ধের শেষ দৃশ্যের শুরু মাত্র। এখন কাউকে শুধরাবার কিংবা সেকন্ড চান্স দেয়ার সময় নাই। আপনার জীবন এবং আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব এই চরম সিদ্ধান্তেই নির্ভর করছে। এখন সামান্য ভুল চরম বিপর্যয় বলেই দেখা দেবে। সাবধান হোন, সতর্ক হোন, সিদ্ধান্ত গ্রহনে নির্মম হোন।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু...
একজন রেপিস্ট যখন ধরা পড়ার পর বলে সে শয়তানের ধ���ঁকায় পইড়া এই কাজ করছে আর কোনো লালবদর যখন দেশটা ধ্বংস কইরা বলে সে বুঝতে পারে নাই, দুইটার মধ্যে তফাৎ কি?...