ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের নারীর মাথা কালো হিজাব দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে দেশের সকল নারী সমাজকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়—নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না এসব উগ্রবাদী ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলো।
নবী মুহাম্মদের ওপর নাজিল হওয়া আসমানি চটিগল্পের বই কুরআনে, সূরা আন-নূর, আয়াত ৩১-এ: মুমিন নারীদের দৃষ্টি সংযত রাখা, লজ্জাস্থান হেফাজত করা এবং তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ধর্মের অন্তরালে নারীদের দাসত্বের গল্প বেশ পুরোনো। প্রাগৈতিহাসিকভাবেই এমন সত্য প্রতিষ্ঠিত। রাষ্ট্র, সামাজিক এমনকি পারিবারিকভাবেও নারীদের ধর্মের যৌনদাসী হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার প্রাথমিক শিক্ষাটাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আসে পরিবার থেকে।
নবী মুহাম্মদ যুদ্ধ বন্দীদের হত্যা করলেন। নারীদের ধর্ষণ করলেন। যৌন দাসী বানালেন।নগ্ন করে নারীদের বাজারে বিক্রি করলেন ক্রীতদাসী হিসেবে। এই অপরাধের কোন শেষ নেই। যা আজও এই বর্বর মৌলবাদী মুসলিমরা করে আসছে। ইসলামের নামে হত্যা করছে মানুষ।
এই নবী মুহাম্মদ তাঁর পালিত পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রীকে বিয়ে করেছিলেন জায়েদ জীবিত থাকতেন। মিথ্যা কথা বলে তাঁর স্ত্রী হাফসাকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে হাফসার ঘরে দাসী মারিয়ার সঙ্গে যৌন মিলন করে ধরা খেয়েছিলেন।
খাদিজা ইন্তেকালের পরেই একে একে ১১ টি স্ত্রী গ্রহণ করে। শিশু আয়েশা (৬ বছর) বয়সে তাকে বিয়ের নামে ধর্ষণ করে নবী মুহাম্মদ। যে বয়সে শিসু আয়েশার হাস্যোজ্জল শৈশব কাটানোর কথা সে বয়সে নবী মুহাম্মদের বীর্যপাতে শিশু আয়েশার জীবন ছিলো দুর্বিষহ।
বী মুহাম্মদ ইসলাম প্রচারের নামে যুদ্ধে জড়াতেন। জিদাহের উন্মাদনায় যখন কোন যুদ্ধে জয়ী হতো, ইহুদি মেয়েদের ধরে ধরে মুহাম্মদ ও তাঁর সাহাবীরা গণিমতের মাল হিসেবে যৌন দাসী হিসেবে তাঁদের সাথে অবয়িধ ভাবে হালাল যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হত। এমনকি নবী মুহাম্মদের ছিলো ২ জন যৌন দাসী।
মোহাম্মদের জন্মের ইতিহাস এবং ইসলাম প্রচারে তাঁর বর্বর এবং ঘৃণিত ইতিহাসই উন্মোচিত হয়। নবী মুহাম্মদ ছিলেন প্রথমত পিতৃ পরিচয়হীন একজন জারজ সন্তান। মুহাম্মদের পিতা আব্দুল্লাহ মারা যাবার আড়াই বছর পর জন্মগ্রহণ করে মুহাম্মদ। এভাবেই পৃথিবীতে আগমন ঘটে একটি নিষিদ্ধ ভ্রূণের।