দিল্লি এখন চাইছে তারেক রহমানকে সরাতে পারলে আওমী উত্থান সম্ভব।
কর্ণেল অলি পরামর্শ দিয়েছেন নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রধানমন্ত্রী যেনো রাতে ঢাকার বাইরে অবস্থান না করেন।
ধান্দাবাজ বলেন আর যাই বলেন, কর্ণেল অলি বর্ষিয়ান, একসময়ের ধুরন্ধর রাজনীতিবিদ।
তিনি থ্রেট দেখছেন বিধায়ই বলছেন বলে আমার বিশ্বাস।
আর এই থ্রেট দেখার জন্য খুব বেশি বিজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই।
অনেকে বলছেন প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ��ারণে অনেকের চক্ষুশূল হয়েছেন।
এগুলো কিছু নাহ।
মূল সমস্যা আরো গুরুতর।
আওয়ামীলীগ।
ভারত খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে বিএনপি গত ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের স্বার্থে অনেক বিষয়ে নমনীয়তা দেখালেও, নির্বাচনের পর ১৮০ ডিগ্রী চেঞ্জ।
এখন ভারতের দুশচিন্তার অন্ত নেই!
তারা যেকোনো মূল্যে আওয়ামীলীগকে দেশের রাজনীতিতে ফেরত চায়।
কেনো?
ক্ষমতায় বসার মত দেশে আর কোন বড় রাজনৈতিক শক্তি অবশিষ্ট ন��ই যারা কিনা আপাদমস্তক দিল্লীর গোলামী করবে।
তো কেয়ামত পর্যন্ত বাংলাদেশ আর কখনো দিল্লির গোলামী করবে না - এটা ভারত কশ্চিমকালেও মানবে না!
কিন্তু এইধরণের গোলামীর জন্য ভারতের হাতে একমাত্র অপশানই আওয়ামীলীগ!
সুতরাং আওয়ামীলীগের উপরই বাজি ধরবে ভারত। কোন সন্দেহ নেই!
কিন্তু কিভাবে সম্ভব?
এ��া তখনই সম্ভব যখন বাংলাদেশের রাজিনীতিতে মাইলস্টোন কোন ঘটনা ঘটবে। খুব বড় কোনো স্ক্যান্ডাল, খুব বড় কোনো ম্যাসাকার যেটা বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম!
আর জিয়া পরিবারের উপর আঘাতের থেকে বড় কোন পলিটিক্যাল ম্যাসাকার আজকের বাংলাদেশে হতে পারেনা।
ভয়টা এখানেই।
আরো একটা সমস্যা।
প্রধানমন্ত্রী যেখানেই যান, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সস্ত্রীক যাচ্ছেন।
তারেক রহমান মূলত প্র���ানমন্ত্রী হিসাবে তার দুই মেয়াদ বা দশ বছর পূর্তির পরের অপশান হিসাবে ডা: জোবাইদাকে প্রস্তুত করছেন।
কিন্তু এই যে উনি যেখানেই যাচ্ছেন, বেশিরভাগ সময় সস্ত্রীক যাচ্ছেন, এটা আমাদেরকে আরো দুশ্চিতায় ফেলে।
অর্থাৎ খারাপ কিছু ঘটলে দুজনের সাথে একসাথে ঘটার সম্ভাবনা থেকে যায়।
সলিউশান কি?
৪ টা।
১) ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলোকে প্রচন্ড সক্রিয় থাকতে হবে। সত্তর আশির দশকে আমাদের গোয়েন্দা বিভা��� হাইলি ক্যাপাবল ছিল না, এজন্য আমরা ব্যাক টু ব্যাক দুই গ্রেট লিডারকে হারিয়েছি। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে ক্যাপাবিলিটির দোহাই দেয়ার সুযোগ নেই। আশার খবর হল, ইতিমধ্যে এজেন্সিগুলোতে দারূন কিছু রদবদল হয়েছে, সামনে আরো কিছু চেঞ্জ আসছে।
২) প্রধানমন্ত্রীর ফার্স্ট লাইন ডিফেন্স - এসএসএফ কে খুব জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। সিকিউরিটি খুব টাইট করতে হবে। এখনের থেকে অন্তত ১০ গুন, টুয়েন্টি ফোর সেভেন, এনিটাইম, এনিহয���ার।
৩) আগামি বছর জেনারেল ওয়াকার অবসরে যাবেন। পরবর্তী সেনাপ্রধান খুব ভেবেচিন্তে নিয়োগ দিতে হবে। এটা একটা হিউজ ডিসাইসিভ ফ্যাক্টর। এটা নিয়ে বিস্তর আলোচনা করবো আরেক দিন।
৪) প্রধানমন্ত্রীর উচিত অন্তত ঢাকার বাইরের সফর গুলোতে, খুব স্পেশাল কিছু না হলে, ডা: জোবাইদা কে সাথে না নেওয়া।
শেষ করছি আরেকটা তথ্য দিয়ে। ৮১ সালে হাসিনা দেশে ফেরেন ১৭ ��ে। কিন্তু শুধু তার দেশে ফেরাটাই যথেষ্ঠ ছিলনা।
রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তার কাছে বাকি সবাই ফিকে হয়ে পড়ছিল।
সেই দিন গুলোর সাথে আজকের প্রেক্ষাপট অনেকটাই মিলে যায়।
দিল্লির দরকার ছিলো খাস গোলাম। কিন্তু গোলামকে ক্ষমতায় বসাতে দরকার ছিল একটা ম্যাসাকার।
অত:পর শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩ দিনের মাথায় নির্মম ভাবে খু'ন হন জিয়াউর রহমান।
আজ ৪৫ বছর পর, বাংলাদেশ আবারো একই রকম একটা ইতিহাসের মোড়ে দাঁড়িয়ে।
প্লেয়ারগুলোও প্রায় সব একই।
সেই দিল্লি, সেই হাসিনা।
শুধু সিনিয়র জিয়ার জায়গায় জুনিয়র জিয়া!
আহমেদ মুসা
@AbdulHakim41322 আচ্ছা আওয়ামী লীগ করলে কি সবগুলো পাগল ছাগলে করে নাকি না আওয়ামী লীগ করে সব হিন্দুরা ভারতের নাম বলতে কি কষ্ট লাগে এরকম বন্যার পানিতে ডুবে যাবে চীন এটা হতেই পারে না। আর এত নোংরা পরিবেশ চিনে কখনোই কোথাও নেই।
ভারতে সাম্প্রতিক বন্যা হয়েছে এবং সাপের খামার থেকে 900 সাপ ���েসে গেছে
@tofazzel1988 সব আকাটাদেরই জুলাই নিয়ে চুলকানি আর ভারত নিয়ে ফুটানি অথচ ভারত পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নোংরা অপরিষ্কার কুসংস্কার আচ্ছন্ন অশিক্ষিত মূর্খ গণ্ডমূর্খতে দেশ
@LLabanno14 আরে দুই কোটি লোক দূরে থাক শুধুমাত্র ২ লাখ লোক থাকলেই তো ৩২ জীবনে কেউ ভাঙতে পারতো না।
মুজিবের মাথায় কেউ প্রসাব করতে পারত না।
মুজিবের মূর্তিগুলো কেউ ভাঙতে পারতো না।
আর গুলিস্তানের অফিসটা কেউ পাবলিক টয়লেট বানাতে পারত না। ধিক্কার এমন মুজিব সেনাদের।
@tofazzel1988 সে আশায় ঘুম নষ্ট না করে বরং যদি বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোন ��াষ্ট্রে থাকো তো কাজ করো টাকা কামাই কর পারলে বাংলাদেশ থেকে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে যাও সেটেল হও সুখে থাকো
@bbcbangla Fasir ray karjokor. ফাঁসির রায় কার্যকর। এছাড়া তো আর কিছু করার নাই কারণ ফাঁসির রায় হয়েছে এবং রায়ের আপিল করার সময় পার হয়ে গেছে সুতরাং এখন শুধু কার্যকর করা বাকি আছে আসলে এয়ারপোর্ট থেকে ধরে নিয়ে সরাসরি কার���যকর করা যাবে এতে আইনি কোন বাধা বা সরকারের কোন দায় থাকবে না।
@snigdhasnigdhah না আমরা ট্যাংকের ভেতর নাহিদের পালানোর কথা মনে রেখেছি সে বাংলাদেশে আছে আবার হেলিকপ্টারে পালানো হাসিনার কথা মনে আছে তবে হাসিনা দেশে থাকেনি ভারতে পালিয়েছে একেবারে দাদার দেশ নানীর দেশ
@LLabanno14 ৮০% মানুষ তো সবাই ফাঁসি দেওয়ার সময় মিষ্টি দিয়েছে পালানোর দিন মিষ্টি বিতরণ করেছে দেশে বিদেশে সব জায়গায় মাঝখানে ২০ পার্সেন্ট তোমরা আওয়ামী লীগ পালিয়েছো তার মধ্যে আবার ১৯ শতাংশ ভারতে ১% আছে বাংলাদেশ তারা আবার পরিচয় লুকিয়ে ফেইক আইডি দিয়ে চিল্লাপাল্লা করে
@tofazzel1988 তা তোফাজ্জল চো্দনা এসবের ভিডিও তোমরা চোখে পাওন!
এমন একটা বিবৃতি দিয়েছে তার কি কোন ভিডিও ��্লিপ নাই? সাধারন একটা ফটো কাট কেন?
মেরে পেয়ারী শোওর কি আওলাদ
@LLabanno14 July to hasinar mukher vasar karone hoise. Sutorang hasina manei July. জুলাই মানে হাসিনা হাসিনা মানেই জুলাই কারণ জুলাইয়ের নাম নিলেই হাসিনার নাম মনে পড়ে হাসিনা বললেই জুলায়ে এর কথা মনে পড়ে। সুতরাং যত ইচ্ছা সিডিয়াই কর
@7TheMamun@cEmpireJ ধরেন আপনাকে আমি আর বিস্তারিত সব খুলে বললাম তো আপনি কি আমাকে জান্নাত দেবার অধিকার রাখেন য��ি না রাখেন তাহলে আপনাকে বলে কি লাভ আর আপনি জেনেই বা কি লাভ?