📢 প্রিয় #বাংলাদেশ, সজাগ থাকো।
সেদিন এক আওয়ামী স্পেসে নচিকেতার অনেক প্রশংসা শুনলাম, কি আশ্চর্যের বিষয়, সেই নচিকেতাই #শেখহাসিনা@MaggiIndia'কে বেইজ্জত করে দিলো। 🥴🥴
💡আপা যে #ভারত'র বিষফোঁড়া হয়ে উঠছে তাই উপায় না পাইয়া কয়, অমুক দিন আসবে তমুক দিন আসবে, আসো আমরাও তোমার আসার জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছি।
#Bangladesh
#indiaOut
আমার দাদীও তো ভারতের স্বার্থের জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পূর্ব পাকিস্তান-;বাংলাদেশকে আলাদা করেছিল - সংসদে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
ভারত বাংলাদেশের বন্ধু নয়, ভারত বাংলাদেশের শত্রু এটাই তার জলজ্যান্ত প্রমান।
ভারতের পার্লামেন্টে কংগ্রেস প্রধান পিয়াঙ্কা গান্ধী বক্তব্যে পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে ১৯৭১ সালে ভারত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিল তাদের স্বার্থে যেন পাকিস্তান ভেঙ্গে যায় এবং দুর্বল হয়; বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়াক এবং কৌশলে তা ভারতের একটি প্রদেশ হিসেবে থাকুক এটাই ভারতের ইচ্ছে ছিলো না।
ভারতের সেভেন সিস্টারের নিরাপত্তার স্বার্থে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পূর্ব পাকিস্তান আলাদা করেছিল।
যদি স্বপ্নের দেয়ালে দ্বিধা ঝুলে,
তবে প্রতিটি রাত নিদ্রাহীন কাটিয়ে দিতে রাজি আমি,
নিরবতার প্রতিটি ভাঁজে , একটি, দুটি
দুঃখ আসুক তবুও আসেনা যেন সান্ত্বনার বাণী।
আমি দুঃখ পুষতে পারি- কষ্ট মেনে নিতে পারি-
ঠকে গিয়েও চুপ থাকতে পারি-
কিন্তু
মিথ্যা আশ্বাসে তুষ্ট হতে পারি না!
বিজেপি সাংসদের গোপন ডেরা-নামেই হিন্দু রক্ষা কেন্দ্র, কাজেঃ -হোটেল+খননক্ষেত্র+মধুচক্র !
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ঢুকতেই, ধনসম্পদের সঙ্গে সঙ্গে
বেরিয়ে এল ‘নৈতিকতা-বিরোধী’ সব নিদর্শন ! 😆
দেশ বাঁচানোর স্লোগান সামনে,
আর পিছনেগোপন ডেরায় সর্বনাশের আস্তানা !🔥
শুধু মুখস্থ করে আসছে পিআর। আর কিছু জানে না।
সালাউদ্দিন আহমেদ এতদিন ধৈর্য সহকারে যে এদের সহ্য করছে এর জন্য কৃতজ্ঞতা।
যাস্ট ইমাজিন জামায়াত চর্মনাইয়ের হাতে আমাদের দেশের শাসনব্যবস্থা 🤣। এরা কি চায় নিজেরাই জানেনা। ভোটে জেতার নাই মুরোদ তাই পিআর পিআর করে জিকির তুলে 🤣🤣
গোপন ট্রেড চুক্তির নথি প্রকাশ: কেন সাংবাদিকদের থেমে যাওয়া চলবে না
আজকের বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চুক্তিগুলোর বেশিরভাগই পর্দার আড়ালে হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারী দেশ বা কোম্পানিগুলো নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (NDA) বা গোপনীয়তা চুক্তির মাধ্যমে সব তথ্য আড়াল করে রাখে। সরকার বলে, কৌশলগত সুবিধা রক্ষার জন্যই এই গোপনীয়তা দরকার। আর কোম্পানিগুলো বলে, প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখার জন্যই এমন চুক্তি জরুরি। কিন্তু এসব সিদ্ধান্তের প্রভাব তো পড়ে জনগণের জীবনযাত্রার ওপর। তাহলে তারা কেন কিছুই জানবে না?
এই প্রশ্ন সাংবাদিকদের এক কঠিন অবস্থানে ফেলে; সাংবাদিকরা কি NDA-বাঁধা গোপন নথি প্রকাশ করতে পারে? আর তাদের কি করা উচিত? আইন কিন্তু সাধারণত সাংবাদিকদের পক্ষেই থাকে।
বেশিরভাগ গণতান্ত্রিক দেশে আইন সাংবাদিকদের পক্ষে কাজ করে, বিশেষ করে যখন তথ্যটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭১ সালের Pentagon Papers মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, The New York Times এবং The Washington Post এমন গোপন নথি প্রকাশ করতে পারে যেগুলো ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে সরকারের মিথ্যাচার ফাঁস করেছিল।
আদালত বলেছিল: গণতন্ত্রে জনসাধারণের জানার অধিকার গোপনীয়তার চেয়ে বড়।
যেসব সময় গোপন বাণিজ্য চুক্তির নথি ফাঁস হয়েছিল-
WikiLeaks ও TPP ফাঁস (২০১৩):
WikiLeaks গোপন Trans-Pacific Partnership (TPP) চুক্তির খসড়া প্রকাশ করে। ওষুধের দাম, কপিরাইট, ও পরিবেশ সংক্রান্ত অনেক ধারা ছিল যা জনগণের ক্ষতি করতে পারত। The Guardian ও Reuters এই রিপোর্টগুলো ফলাও করে ছাপে।
Greenpeace ও TTIP ফাঁস (২০১৬):
Greenpeace Netherlands ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলা TTIP চুক্তির ২০০ পৃষ্ঠার গোপন নথি ফাঁস করে। এতে দেখা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানদণ্ড শিথিল করার জন্য চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। BBC ও The New York Times এই ইস্যু নিয়ে বিশদভাবে রিপোর্ট করে।
Reuters ও সৌদি অস্ত্রচুক্তি ফাঁস (২০১৮):
Reuters রিপোর্ট করে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে গোপনে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করছে, যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শঙ্কা ছিল।
ইন্দোনেশিয়ার গোপন খনিচুক্তি:
Reuters প্রকাশ করে কীভাবে গোপন চুক্তিতে বড় বড় মাইনিং কোম্পানি পরিবেশগত বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাচ্ছে। পরিবেশবিরোধী এই তথ্য জানার অধিকার ছিল জনগণের।
পানামা পেপার্স ও পানডোরা পেপার্স:
ICIJ ও The New York Times যৌথভাবে প্রকাশ করে কীভাবে বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অফশোর ব্যাংকিং ও কর ফাঁকির আশ্রয় নিচ্ছেন। অনেক গোপন আর্থিক চুক্তিই এই রিপোর্টে উঠে আসে। যদি তথ্যটি জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে বেশিরভাগ দেশে সাংবাদিক দায়ী নন। তবে ফাঁসকারী (যিনি NDA ভেঙেছেন) দণ্ডিত হতে পারেন।
বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে Digital Security Act (DSA) প্রয়োগ করে আওয়ামী লীগ সরকার সাংবাদিকদের চাপে ফেলে রাখত তখনও আমি অসংখ্য নথি ফাঁস করেছি। যদিও ঝুঁকি অনেক বেশি। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও, সাংবাদিকদের দায়িত্ব জনগণকে তথ্য জানানো।
বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, শ্রম আইন, পরিবেশনীতি, ডিজিটাল অধিকার, জাতীয় স্বার্থ সবকিছু বদলে যেতে পারে। অথচ এই আলোচনা হয় গোপনে, NDA দিয়ে আড়াল করে। তখন সাংবাদিকই হয় সত্য জানার শেষ ভরসা।
সাংবাদিকরা কোনো গোপনীয়তার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেননি। তাদের কাজ হলো সত্য তুলে ধরা। NDA হয়তো আমলাদের বা কর্পোরেটদের বেঁধে রাখতে পারে—কিন্তু সত্যকে নয়।
শেষ কথা: সত্যের পক্ষে আমাদের কলম চালিয়ে যেতে হবে
আমাদের এই কাজ, এই দায়িত্ব— যেকোনো পরিস্থিতিতেই চালিয়ে যেতে হবে। সরকার ও তাঁদের পান্ডারা হুমকি দিক, মামলা করুক, যা ইচ্ছে করুক—আমরা থামবো না। কারণ TPP থেকে TTIP, সৌদি অস্ত্রচুক্তি থেকে পানামা পেপার্স—সব জায়গাতেই দেখা গেছে, সূর্যের আলোই বদলের সূচনা করে।
আমিও চাই বাংলাদেশ আমেরিকার সাথে একটি ভালো এবং ট্রেড নেভিসিয়েশন করে। কিন্তু এর মানে নয় আমি কোন গোপন চুক্তি ফাঁস করবো না। পৃথিবীর সব ক্ষমতাসীনদের ভাষ্য এক। ঠিক আওয়ামী লীগও আমাকে একই রকম ভাবে দেশদ্রোহী, দেশের চক্রান্তকারী ইত্যাদি বলে অবহিত করেছে।
সেলিম রেজা নিউটনের মত সাংবাদিকতার 'রাজনৈতিক দলদাস' শিক্ষকরা এ বিষয়ে কোন কথা বলবেন না। যদিও তাদের প্রেস ফ্রিডমের পক্ষে থাকা উচিত। কারণ তারাও দিন দিন আওয়ামী বুদ্ধিজীবীদের মতো পিক এন্ড চুজ করে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রদান শুরু করেছেন!
কিন্তু আমার কাছে৷ সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু যখন সত্য আড়াল করা হয়, তখন চুপ থাকা অপরাধ।
“৭৫ এ শেষ না হয়ে ফিরে আসার গল্প - প্রশ্ন জাগে, কেন?”
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরার সুযোগ না দিতেন, তাহলে কি আওয়ামী লীগের রাজনীতি ১৯৭৫-এ চিরতরে শেষ হয়ে যেত? ইতিহাসের এই প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খায়।
বলা হয়ে থাকে, ভারতের বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতার ফলেই শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছিল। আর সেই সুযোগটি করে দেন স্বয়ং জিয়াউর রহমান - যিনি নিজেই এক সময় মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী এবং পরে একটি বিপরীতমুখী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিষ্ঠাতা।
আজ অনেকেই আশঙ্কা করেন, যদি আবারও বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কি অতীতের সেই “উদারতা” পুনরায় ফিরে আসবে? ক্ষমতায় এসে তারা কি আবারও “রাষ্ট্রবাদী” রাজনীতিকে জলাঞ্জলি দিয়ে পুরনো প্রেমে পড়ে যাবে?
এই প্রশ্ন কেবল বিএনপির নেতাদের জন্য নয়, সাধারণ জনতারও - যারা দিনের পর দিন গণতন্ত্র, ন্যায় ও ভোটাধিকারের জন্য রক্ত ঢেলেছে, গুম-খুন সহ্য করেছে, নির্বিচারে মামলা খেটেছে।
আমরা ভুলে যেতে পারি না, ১৫ বছরের দমন-পীড়ন, নির্বাচনহীনতা, বাকস্বাধীনতার কফিনে শেষ পেরেক - এসব কিছুর বিরুদ্ধে যাদের প্রতিবাদ ছিল, তাদের আত্মত্যাগের মূল্য এক ফেইসসেভিং রাজনৈতিক নাটকের মধ্য দিয়ে যেন বৃথা না যায়।
রাজনীতি যদি আদর্শহীন হয়ে যায়, যদি কৌশলই মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়ায়, তবে প্রশ্ন থেকেই যায়:
এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা, এই সংগ্রাম, এই আত্মত্যাগ - সবই কি আবারও কোনো ‘সমঝোতার’ সিন্দুকে বন্দি হয়ে যাবে?
আমরা যারা এই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করি, তাদের এখনই উচ্চারণ করা উচিত —
“আর নয়! গণতন্ত্র ফিরে পেতে হলে, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতেই হবে — কিন্তু তার পুনরাবৃত্তি নয়।”
#গণতন্ত্র #রাজনীতি #আদর্শ_না_কৌশল #বাংলাদেশ #নতুনভাবনা #বিকল্পরাজনীতি
আ'লীগের দো'সর ট্যাগ দিয়ে চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকার সাথে নিয়মিত যৌ'ন সম্পর্কে বাধ্য করতো কালীগঞ্জ উপজেলা শিবিরের সভাপতি তারেক মাসুদ।
"আপনি করেন, আমি তিনটা নাম দিলাম ঐটা করেন, এখন ডিসি'টা তো করা যাচ্ছেনা। ডিসিটা চেঞ্জ হওয়ার আগ পর্যন্ত করতে পারতেছিনা, এই মাসের ভেতর চেঞ্জ হবে, আমাকে আপনি সুযোগ দেন।"
রেলভবনে, রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) এর একান্ত সচিবের কক্ষে অপেক্ষমান এনসিপির সংগঠক (হবিগঞ্জ) নাহিদ উদ্দিন তারেক ফোনে এসব কাউকে বলেছিলেন। তার পাশের চেয়ারে আছেন সিনথিয়া জাহিন আয়েশা (সমন্বয়ক বদরুননেছা কলেজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) যুগ্ম সদস্য সচিব বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ।
এর একটু পরই এখানে উপস্থিত হন মাহিন সরকার।
রেল ভবনে, রেলওয়ের মহাপরিচালকের সাথে এদের কি কাজ থাকতে পারে? আর ফোনে কার নাম আর ডিসি পরিবর্তনের কথা আলোচনা করছিলেন এনসিপির সংগঠক নাহিদ উদ্দিন তারেক?
নাটোরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে চলন্ত অটোরিকশায় পায়ের নিচে ফেলে মারধর করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। রোববার (২০ এপ্রিল) দুপুরে শহরের কানাইখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
#BanAwamiLeague
এহসানুল হক মিলন স্যার শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় নকলের বিরুদ্ধে উনার কঠোর অবস্থানের কথা শুনেছেন অনেকে। কিন্তু বাস্তবে হয়তো দেখেননি! আজকে বাস্তবে দেখে নিন! উনার সময়ে যারা পরীক্ষা দিয়েছিলো তাদের কিন্তু বুকটা এখনো কেঁপে ওঠে! ( শেয়ার করুন। এ যুগের পোলাপান দেখুক। )
অভ্যুত্থানের পর বিপ্লবের নামে একটা ধান্দাবাজ প্রজন্ম তৈরি হয়েছে: নুরুল হক নুর
এই ধান্দাবাজ লুটেরা চক্রটি নয়া বন্দোবস্তের নামে নয়া লুটপাটতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করছে। কী না করছে তারা? ওসি অফিস, সচিবালয়, প্রশাসন, ইউএনও অফিস সবজায়গাতে তাদের দৌরাত্ব্য। অভিজাত এলাকায় বড় অফিস তাদের!
১৯৯৬ সালে খুনি স্বৈরাচার বাপের পাপের ক্ষমা চেয়েও ক্ষমতায় গিয়েছিলো কিন্তু ঠিক হয় নাই৷ এবার এখনও ক্ষমা চায় নাই তাহলে সামনে কি করতে পারে চিন্তা করেন৷ অতএব যারা আওয়ামিলীগকে ক্ষমা করতে চান তার একটু চিন্তা ভাবনা কইরেন৷ এবার সুযোগ পেলে দেশ ও দেশের মানুষকে কি করবে।
#BanAwamiLeague