সম্ভবত এই মুহূর্তে জীবনের সবচেয়ে
কঠিন মুহূর্ত দিয়ে যাচ্ছি 🥲
না হাঁটছি না দৌড়াচ্ছি তবু হাফিয়ে যাচ্ছি 🥲
আমার চোখ জুড়ে শুধু অন্ধকার আর
হতাশার চাপ ভেসে উঠছে। 🥲
মাত্র ১৩ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে দুই সপ্তাহ আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করেছেন সেই মাদ্রাসারই ৩৫ বছর বয়সী, দুই সন্তানের পিতা বিবাহিত এক শিক্ষক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবার মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
এরপর ঘটনাটা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার এক মাস পরের তারিখে একটি এফিডেভিট তৈরি করেন। কিন্তু সেই এফিডেভিটে অভিযুক্ত শিক্ষক কিংবা ভুক্তভোগী কারও স্বাক্ষর নেই। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, স্থানীয় এক নারী আইনজীবী সেই এফিডেভিটটি সত্যায়িত করেছেন।
থানাও প্রথমে মামলা নিতে চায়নি। পরে আদালতের আদেশে মামলা হলে, নিয়োজিত তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাটিকে বিয়ে হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে নারাজি আবেদন করা হয়।
অথচ এখন উল্টো এই মামলাতেই নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবারকে।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক হিন্দু যৌণ সন্ত্রাসী একটা মাদ্রাসা পড়ুয়া মুসলিম মেয়েকে শারিরীক সম্পর্কের জন্য জোর করছে। মুসলিম মেয়েটা অসুস্থ থাকায় ৫ দিন সময় চায় তবুও সন্ত্রাসীটা মেয়েটাকে জোর করছে।
কারন তার কাছে গোপন ভিডিও আছে এজন্য মেয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য।
LOOK BACK: 5th November 2014
Students from Jadavpur University held a protest where participants kissed and hugged publicly on the road to protest moral policing.
How much it was decent !
How much it was justified !
Time to recall and decide.