‘কক্সবাজার জেলা ইসলামী আন্দোলনের জন্য খুবই উর্বর। কিন্তু এখানে কেউ শাহাদাত বরণ করেননি। যদি কেউ শহীদ হয় তাহলে আমিই হবো প্রথম শহীদ।’
কথাগুলো বলেছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৮৯তম শহীদ ঈদগাঁও এর কৃতী সন্তান উদীয়মান নেতা জয়নাল আবেদীন চৌধুরী।
#Shaheed#Shibir#Bangladesh
যখন মুসলমানদের জীবনের উদ্দেশ্য ছিল ‘ইসলামের আধিপত্য’, তখন তারা ইসলামের মতোই সম্মানিত ও মর্যাদাবান ছিল,,
যখন জীবনের লক্ষ্য পৃথিবী হয়ে উঠল, তখন তারা পৃথিবীর মতো তুচ্ছ ও লাঞ্ছিত হল।
✍️Musafir...
সিংহ, কচ্ছপ আর তোমার গল্প
বলা হয়ে থাকে যে, সিংহ হলো বনের রাজা। পশুদের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ও হিংস্র এক জন্তু। সিংহকে আমরা সকলেই ভয় পাই। ভয় পাবার যথেষ্ঠ কারণও রয়েছে। তার শক্তি, ক্ষিপ্রতা আর হিংস্রতা মানুষের জন্য, এবং সেই সাথে বনের অন্যান্য প্রাণীর জন্য মারাত্মক ভয়ংকর। তার সামনে পড়ে গেলে সে নিমিষেই ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে এসে আক্রমণ করে আর বলা চলে, চোখের পলকেই ঘাড় মটকে দেয়। মেরে এর পরে সে শিকারকে ছিন্নভিন্ন করে খেয়ে ফেলে। সে খুব রাগী-বদমেজাজি এবং ক্ষিপ্র, আগ্রাসি, আক্রমণাত্মক ও রুক্ষ।
খালি হাতে বা উপযুক্ত অস্ত্র এবং সেই অস্ত্রের যথাযথ ও সময়োচিত ব্যবহার না জানলে বা করতে না পারলে কিংবা পর্যাপ্ত সময় না পেলে সিংহের সামনে পড়ে গিয়ে কোনো মানুষের পক্ষে বেঁচে আসা অসম্ভব একটি ব্যাপার। এর কারন সে তেড়ে আসে, এসে আক্রমণ করে। তার সামনে গিয়ে পড়তে হয় না শিকারকে। সে নিজেই শিকারকে খুঁজে বের করে, তেড়ে ধরে।
অর্থৎ সে প্রো-এ্যাক্টিভ। ঝামেলা খুঁজে বেড়ায়। নিজের প্রয়োজনেই সে সেটা করে বেড়ায় যদিও, তারপরেও যেন মনে হয় শান্তি ও স্থিতিশীলতা তার কাম্য নয়। সংঘাত ও দ্বন্দ, যুদ্ধ ও রক্তপাত খুঁজে বেড়ায় সারাটাক্ষণ। নারী সিংহের চেয়ে পুরুষ সিংহ তুলনামূলকভাবে আরও বেশি শক্তিধর, রুক্ষ ও বদমেজাজি। আসলে এটাই তার সৃষ্টিগত প্রকৃতি আর এ প্রকৃতিই তাকে বিশেষ বৈশিষ্ঠমন্ডিত করেছে।
সিংহের চারিত্রিক বৈশিষ্ঠগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, সে খুব বদরাগী এবং বদমেজাজি, সেটা আমরা ইতোমধ্যেই বলেছি। রাগে যেন সে সব সময়ই গর গর করে বা করতে থাকে। সিংহের শরির অত্যন্ত নরম তুলতুলে লোমশ হলেও তার ভেতরটা খুবই কর্কশ ও ভয়ংকর! তার চেহারায় যেমন রাগী রাগী একটা ভাব ফুটে উঠে, তেমনই তার বাস্তব প্রতিফলনও ফুটে থাকে তার প্রতিটি আচরণে, চলনে বলনে। কাজে ও কর্মেও। মোট কথা, শক্তি, সাহস ও ধংসের প্রতিক।
এরকম শক্তিধর ও ভয়ংকর এ প্রাণীটি, যাকে বনের রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে, তার আয়ু:স্কাল খুবই কম। একটি স্ত্রী সিংহের আয়ু ১৫ বছর হতে ১৬ বছর মাত্র। আর তার বিপরিতে পুরুষ সিংহের আয়ু ৮ বছর হতে সর্বোচ্চ ১০ বছর মাত্র। অর্থাৎ তারা খুব অল্প দিনই বাঁচে। এতো শক্তিধর একটি প্রাণী, তাও আবার যাকে বনের রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে, তার এই স্বল্পায়ু হওয়াটা আসলেই কেমন যেন বিষ্ময়করই ঠেকে বৈকি!
কচ্ছপ
এর বিপরিতে আরও একটি প্রাণীর কথা আমরা উল্লেখ করতে পারি। সম্পূর্ণ বিপরিত চরিত্রের ও বৈশিষ্ঠের। আর সেটা হলো কচ্ছপ। নিরিহ প্রাণী, কারও সাতে পাঁচে নেই, আগ্রাসন কিংবা আক্রমণ জানে না। ধৈর্যশীল, নিজের মতই পথ চলে, বহিরাবরণ কঠিন তবে ভেতরটা নরম ১৫০ বছর - ২৫০ বছর পর্যন্ত বাঁচে, আগ্রাসি নয়, গুটিয়ে রাখে নিজেকে।
ইংরেজিতে তাকে ‘Tortoise’ বলা হয়ে থাকে। অত্যন্ত নিরিহ শ্রেণির এ প্রাণীটি শারিরিক শক্তিমত্তার বিচারে অত্যন্ত দূর্বল। সিংহের তুলনায় সে নিতান্তই ক্ষুদ্র ও দূর্বল। আকারেও অনেক অনেক ছোটো। তার ছুটে চলার মত দুরন্ত গতি নেই, বনে শিকার তেড়ে ধরে খাবার মত ক্ষিপ্রতা নেই। অবশ্য তার কোনো প্রয়োজনও নেই। সে আসলে তৃণভোজী প্রাণী, কাজেই কোনো শিকারকে তেড়ে ধরে খাবার কোনো প্রয়োজনও নেই।
আসল ঘটনাটা কী?
রাগ, আর বুকে জমা রাখা ক্ষোভ! এই রাগ ক্ষোভই সিংহকে কূরে কূরে খায়। তাকে তার ভেতর হতেই ধ্বসিয়ে দেয়, অসীম শক্তিকে দেয় নি:শেষ করে। তাকে রিক্ত করে ছাড়ে। অতএব, রাগ মনে পুষে না রেখে তাকে ক্ষমা ও উপেক্ষার নদীতে ভাঁসিয়ে দিয়ে হৃদয়টাকে শান্ত এবং স্থিতিশীল করুন। দীর্ঘজীবি হোন এবং সুস্থ থাকুন।
🔎🔎🔎 🌹 الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ 🌹 🔍🔍🔍
🕋 سبحان الله وبحمده 🕋 سبحان الله العظيم 🕋
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।
মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা।
মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের দ্বিতীয় ব্যস্ত নগরী প্যারামাটার প্রাণকেন্দ্রে একটি বিলাসবহুল বহুতল ভবনের ৮০% ক্রয় করে নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশলীগ। তারা বিল্ডিং ম্যানেজমেন্টেকে জানিয়ে রেখেছে, বাকি ২০% খালি হলে তারা ক্রয় করতে প্রস্তুত। এতোগুলো বিলাসবহুল এপার্টমেন্ট কিনেও তারা সন্তুষ্ট নয়, কারন তাদের টাকার যোগান বন্ধ নেই। এরা দল বেঁধে সিডনির বিভিন্ন এলাকায় বাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফার্ম হাউস, পেট্রল স্টেশন ইত্যাদি বিভিন্ন খাতে অর্থ বিনিয়োগ করেছে। শুধু সিডনি বললে ভুল হবে, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে তারা বিভিন্ন প্রোপার্টি খরিদ করে রেখেছে। বেশিরভাগ পুলিশ অফিসার, আমলা ও সংসদ সদস্যদের অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব খরিদ করা হয়েছে অতি সঙ্গোপনে।
বাংলাদেশ পুলিশের এ ধরনের পুকুর চুরির প্রবাসী সহায়ক কারা? যারা অসহায় মানুষের রক্ত চুষে, গুম, খুন বা ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করে বিদেশে অট্টালিকা গড়ে, এরা মানুষ নামের জানোয়ার, বাংলাদেশী নামের কলঙ্ক। এদেরকে আইনের আওতায় নেয়া এখন সময়ের দাবি।
বাংলাদেশ পুলিশ বা সরকারি আমলা রাজনীতিবীদরা, এমপিরা লুট করে বাংলাদেশকে ফোকলা করে বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে তুলেছে বিশাল অট্টালিকা, ভবন, পাড়া। সিডনির ল্যাকেম্বায় বেশ কয়েকটি নতুন এপার্টমেন্টের মালিক মাত্র একব্যক্তি। সিডনির বাইরে রিজিওনাল এরিয়াগুলোতে বাহারী বাড়ি ঘর কিনেছে অধিকাংশ মন্ত্রী ও আমলারা। পুলিশের বর্তমান ও সাবেক বেশিরভাগ জুলুমবাজ অফিসাররা দল বেঁধে মাইলের পর মাইল খালি জায়গা বা ফার্ম এরিয়া কিনেছে মেলবোর্নে। এডিলেইডে কয়েক হাজার একর নিয়ে ফার্ম হাউস কিনেছে সরকারের এক আমলা ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। এরা চোর, বংশগতভাবে চোর, দলীয়ভাবে চোর। এদের চুরির কোনো সীমা নেই !
পুলিশ, র্যাব, মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, আমলা ও আওয়ামী ব্যবসায়ীরা ব্যাংকগুলোকে জয় বাংলা করে দিয়েছে অর্থাৎ দেশের ব্যাংকগুলো লুটে নিয়েছে। স্বর্ণ রাখলে পাথর হয়ে যায়। গল্পের রেজাল্ট আজকে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে রাজকীয় অট্টালিকার বহিঃপ্রকাশ। কানাডার বেগম পাড়া বিখ্যাত হলেও দুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী সরকারের ডাকাতদের উৎপাত প্রবাসেও আজ শান্তি নেই। বিদেশে এরা খুনখারাবিও করে।
দেশের কিছু অকর্মন্য পুলিশ, র্যাব এবং অন্নান্য বিভিন্ন সংস্থার অফিসাররা অস্ট্রেলিয়া সহ কয়েকটি দেশে যায় অফিশিয়াল ট্রেনিংয়ে। জনগণের প্রশ্ন হচ্ছে, এরা কিসের ট্রেনিং নেয়? জনগণের অর্থে প্রবাসে ট্রেনিংয়ের নাম এসে মদ, বেশ্যা ও ক্যাসিনোতে সময় কাটিয়ে দেশে ফিরে। দুনিয়ার বিভিন্ন উন্নত দেশ থেকে ট্রেনিং করেও এদের কোনো লাভ বা পরিবর্তন হয়না। দেশে ফিরেই আবার আগের মতো তারা জুলুম, গুম, হত্যা, চাঁদাবাজি শুরু করে দেয়।
পুলিশের ক্রাইমগুলি এতটাই ভয়াবহ যে মনে হতে পারে এরা বুঝি সরকারি লাইসেন্সধারী ডাকাত। এহেন হীন কাজ নেই, যা এ পুলিশ বাহিনী করে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আওয়ামী সরকার পুলিশকে দুর্নীতির দিকে ঠেলে দিয়েছে বা উৎসাহিত করে। আর বোকা পুলিশ আওয়ামী নেতা-কর্মীদেরকে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করে, তাই পুলিশ কাউকে গোনায় ধরেনা। কারন, প্রতিটি পুলিশের দুর্নীতির সাথে আওয়ামী আমলা বা মন্ত্রী জড়িত। এ কারণেই পুলিশকে সবাই পুলিশলীগ বলে সম্বোধন করে। কারন সরকার বিরোধী অথবা বিরোধী দলের যেকোনো কর্মসূচী লন্ডভন্ড করে দিতে পুলিশের ভূমিকা অপরিহার্য। সেইসব কর্মসূচীতে পুলিশের নির্বিচারে গুলি চালানো, লাঠিচার্জ, জলকামান ব্যবহার করে পুরো কর্মসূচী পন্ড করে দিতে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম।
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী টপ টু বটম দুর্নীতিতে ভরপুর। এর থেকে বাচতে হলে কঠোর আইনের প্রয়োজন, যে আইনের আওতায় কেউ বাঁচতে পারবেনা এবং আইন বাস্তবায়নে যত্নবান হতে হবে।
(সূত্র: সুপ্রভাত সিডনি)
🔎🔎🔎 🌹 الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ 🌹 🔍🔍🔍
🕋 سبحان الله وبحمده 🕋 سبحان الله العظيم 🕋
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।
মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা।
মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী
🔎🔎🔎 🌹 الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ 🌹 🔍🔍🔍
🕋 سبحان الله وبحمده 🕋 سبحان الله العظيم 🕋
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।
মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা।
মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী
🕋 سبحان الله وبحمده 🕋 سبحان الله العظيم 🕋
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।
মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা।
মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী