ভয়াবহ বাম রাজত্ব
জনৈক দেশপ্রেমী ব্যক্তির লেখা -
যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেননি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন তারা মিলিয়ে নিন।
বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা ।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা ? পার্টি অফিসে চলে যাও।
বাড়িতে চুরি হয়েছে? পুলিশে ডায়েরি করতে হবে ? এল সি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।
জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না? পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও।
এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি। লেভিটা আসলে আপনার পার্টিতে ছোট্ট নজরানা।
বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের জন্য। প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়ির দরজায় শব্দ। কাস্তে হাতুড়ি আঁকা ও 5/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে কয়েকজন। হ্যাঁ,দিতেই হতো।
বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটতে পারে, আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যেতে পারেন । সেটা আটকাতে জোর করে একখানা গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।
এইটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা চলে গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল । কিন্তু এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল ।
বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন ? পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। ইট ,বালি ইত্যাদি কে সাপ্লাই করবে সেসব ঐ কমরেডরা ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না। কোথাও আপনার নিয়ন্ত্রন নেই । সবটাই ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস ।
মাসিক চাঁদা ছাড়াও বিভিন্ন অনুদান (বন্যায় পীড়িত, সাধারন দুস্থ ইত্যাদি সাহায্যে) পাঠাতে হত পার্টি অফিসে। সেই অনুদানের টাকা পৌঁছেছে কিনা জানার আগ্রহ ও অধিকার থাকবে না।
এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা রেখেছেন। হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন। ক্যাডারে জমি বেহাত করবে, তারপরে মেজ নেতা, বড় নেতা ধরেও লাভ নেই। এটা হোলো শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ ।
গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলি করা হবে,এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকেই । গফুর মিঞা পাবে । রামধন মাঝি জমি পাবে কিনা তা ঠিক হবে দলের প্রতি তার আনুগত্য যাচাই করে।
কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ সবই করতেন, কারন ইউনিয়নের দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই । এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না কবে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল । এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।
হঠাৎ আপনি দেখলেন বাড়ীর জানালার কাঁচ ভাঙ্গা। অথবা আপনার মেজ ভাই সম্পত্তি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। বা মেজ ভাই আপনার গায়ে হাত তোলার সাহস দেখালো। বা পাড়ার ক্লাব থেকে বাড়তি পুজোর চাঁদা দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার ও হুমকি এলো।বা ভ্যান চালক বাড়তি ভাড়া দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার করলো। বাম আমলে এই রকম সব অকাজের পিছনে থাকতো লোকাল নেতার উস্কানি। আপনাকে বাগে আনা, বশে রাখার সুদক্ষ হাত ও মগজ গোপনে কাজ করত। আপনি জানতে পারেননি। এই রকম বহুবিধ যন্ত্রণার চালচিত্র ছিল নিত্যদিনের।
সিপিএম এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গেছে । বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি মমতার ছিল না। ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডাও ছিল না , ছিলনা কোন বিশেষ প্রতিশ্রুতিও । তাই তৃণমূলও নিয়ন্ত্রনহীন অকাজ করবে , সেটাই তো স্বাভাবিক ।
বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । সিপিএম এর কাজ ছিল আপনার সমাজ ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করা ও ভুলিয়ে দেওয়া। 34 বছর ধরে বামেরা তাই-ই করেছে।
একটা যুগ পেরোনোর পর নতুন প্রজন্ম ঐ যন্ত্রণা বুঝবে কি করে ? তাই বাম নামক ইসলামিক ও সন্ত্রাসী দেশদ্রোহী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
ভয়াবহ বাম রাজত্ব
জনৈক দেশপ্রেমী ব্যক্তির লেখা -
যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেননি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন তারা মিলিয়ে নিন।
বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা ।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা ? পার্টি অফিসে চলে যাও।
বাড়িতে চুরি হয়েছে? পুলিশে ডায়েরি করতে হবে ? এল সি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।
জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না? পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও।
এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি। লেভিটা আসলে আপনার পার্টিতে ছোট্ট নজরানা।
বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের জন্য। প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়ির দরজায় শব্দ। কাস্তে হাতুড়ি আঁকা ও 5/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে কয়েকজন। হ্যাঁ,দিতেই হতো।
বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটতে পারে, আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যেতে পারেন । সেটা আটকাতে জোর করে একখানা গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।
এইটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা চলে গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল । কিন্তু এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল ।
বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন ? পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। ইট ,বালি ইত্যাদি কে সাপ্লাই করবে সেসব ঐ কমরেডরা ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না। কোথাও আপনার নিয়ন্ত্রন নেই । সবটাই ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস ।
মাসিক চাঁদা ছাড়াও বিভিন্ন অনুদান (বন্যায় পীড়িত, সাধারন দুস্থ ইত্যাদি সাহায্যে) পাঠাতে হত পার্টি অফিসে। সেই অনুদানের টাকা পৌঁছেছে কিনা জানার আগ্রহ ও অধিকার থাকবে না।
এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা রেখেছেন। হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন। ক্যাডারে জমি বেহাত করবে, তারপরে মেজ নেতা, বড় নেতা ধরেও লাভ নেই। এটা হোলো শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ ।
গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলি করা হবে,এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকেই । গফুর মিঞা পাবে । রামধন মাঝি জমি পাবে কিনা তা ঠিক হবে দলের প্রতি তার আনুগত্য যাচাই করে।
কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ সবই করতেন, কারন ইউনিয়নের দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই । এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না কবে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল । এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।
হঠাৎ আপনি দেখলেন বাড়ীর জানালার কাঁচ ভাঙ্গা। অথবা আপনার মেজ ভাই সম্পত্তি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। বা মেজ ভাই আপনার গায়ে হাত তোলার সাহস দেখালো। বা পাড়ার ক্লাব থেকে বাড়তি পুজোর চাঁদা দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার ও হুমকি এলো।বা ভ্যান চালক বাড়তি ভাড়া দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার করলো। বাম আমলে এই রকম সব অকাজের পিছনে থাকতো লোকাল নেতার উস্কানি। আপনাকে বাগে আনা, বশে রাখার সুদক্ষ হাত ও মগজ গোপনে কাজ করত। আপনি জানতে পারেননি। এই রকম বহুবিধ যন্ত্রণার চালচিত্র ছিল নিত্যদিনের।
সিপিএম এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গেছে । বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি মমতার ছিল না। ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডাও ছিল না , ছিলনা কোন বিশেষ প্রতিশ্রুতিও । তাই তৃণমূলও নিয়ন্ত্রনহীন অকাজ করবে , সেটাই তো স্বাভাবিক ।
বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । সিপিএম এর কাজ ছিল আপনার সমাজ ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করা ও ভুলিয়ে দেওয়া। 34 বছর ধরে বামেরা তাই-ই করেছে।
একটা যুগ পেরোনোর পর নতুন প্রজন্ম ঐ যন্ত্রণা বুঝবে কি করে ? তাই বাম নামক ইসলামিক ও সন্ত্রাসী দেশদ্রোহী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
ভয়াবহ বাম রাজত্ব
জনৈক দেশপ্রেমী ব্যক্তির লেখা -
যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেননি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন তারা মিলিয়ে নিন।
বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা ।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা ? পার্টি অফিসে চলে যাও।
বাড়িতে চুরি হয়েছে? পুলিশে ডায়েরি করতে হবে ? এল সি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।
জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না? পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও।
এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি। লেভিটা আসলে আপনার পার্টিতে ছোট্ট নজরানা।
বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের জন্য। প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়ির দরজায় শব্দ। কাস্তে হাতুড়ি আঁকা ও 5/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে কয়েকজন। হ্যাঁ,দিতেই হতো।
বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটতে পারে, আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যেতে পারেন । সেটা আটকাতে জোর করে একখানা গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।
এইটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা চলে গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল । কিন্তু এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল ।
বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন ? পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। ইট ,বালি ইত্যাদি কে সাপ্লাই করবে সেসব ঐ কমরেডরা ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না। কোথাও আপনার নিয়ন্ত্রন নেই । সবটাই ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস ।
মাসিক চাঁদা ছাড়াও বিভিন্ন অনুদান (বন্যায় পীড়িত, সাধারন দুস্থ ইত্যাদি সাহায্যে) পাঠাতে হত পার্টি অফিসে। সেই অনুদানের টাকা পৌঁছেছে কিনা জানার আগ্রহ ও অধিকার থাকবে না।
এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা রেখেছেন। হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন। ক্যাডারে জমি বেহাত করবে, তারপরে মেজ নেতা, বড় নেতা ধরেও লাভ নেই। এটা হোলো শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ ।
গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলি করা হবে,এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকেই । গফুর মিঞা পাবে । রামধন মাঝি জমি পাবে কিনা তা ঠিক হবে দলের প্রতি তার আনুগত্য যাচাই করে।
কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ সবই করতেন, কারন ইউনিয়নের দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই । এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না কবে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল । এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।
হঠাৎ আপনি দেখলেন বাড়ীর জানালার কাঁচ ভাঙ্গা। অথবা আপনার মেজ ভাই সম্পত্তি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। বা মেজ ভাই আপনার গায়ে হাত তোলার সাহস দেখালো। বা পাড়ার ক্লাব থেকে বাড়তি পুজোর চাঁদা দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার ও হুমকি এলো।বা ভ্যান চালক বাড়তি ভাড়া দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার করলো। বাম আমলে এই রকম সব অকাজের পিছনে থাকতো লোকাল নেতার উস্কানি। আপনাকে বাগে আনা, বশে রাখার সুদক্ষ হাত ও মগজ গোপনে কাজ করত। আপনি জানতে পারেননি। এই রকম বহুবিধ যন্ত্রণার চালচিত্র ছিল নিত্যদিনের।
সিপিএম এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গেছে । বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি মমতার ছিল না। ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডাও ছিল না , ছিলনা কোন বিশেষ প্রতিশ্রুতিও । তাই তৃণমূলও নিয়ন্ত্রনহীন অকাজ করবে , সেটাই তো স্বাভাবিক ।
বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । সিপিএম এর কাজ ছিল আপনার সমাজ ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করা ও ভুলিয়ে দেওয়া। 34 বছর ধরে বামেরা তাই-ই করেছে।
একটা যুগ পেরোনোর পর নতুন প্রজন্ম ঐ যন্ত্রণা বুঝবে কি করে ? তাই বাম নামক ইসলামিক ও সন্ত্রাসী দেশদ্রোহী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
@JyotiChatterje@cpimspeak@cpimwb@CpimWBS ওরে অশিক্ষিতের দল, ওটা অবিভক্ত পার্টি ছিল, বিদেশী রাজনৈতিক মতবাদের সাথে ঘুরপাক খেয়ে তোদের পার্টি কুড়ি টুকরো হয়ে গেছে।
ভয়াবহ বাম রাজত্ব
জনৈক দেশপ্রেমী ব্যক্তির লেখা -
যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেননি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন তারা মিলিয়ে নিন।
বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা ।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা ? পার্টি অফিসে চলে যাও।
বাড়িতে চুরি হয়েছে? পুলিশে ডায়েরি করতে হবে ? এল সি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।
জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না? পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও।
এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি। লেভিটা আসলে আপনার পার্টিতে ছোট্ট নজরানা।
বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের জন্য। প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়ির দরজায় শব্দ। কাস্তে হাতুড়ি আঁকা ও 5/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে কয়েকজন। হ্যাঁ,দিতেই হতো।
বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটতে পারে, আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যেতে পারেন । সেটা আটকাতে জোর করে একখানা গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।
এইটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা চলে গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল । কিন্তু এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল ।
বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন ? পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। ইট ,বালি ইত্যাদি কে সাপ্লাই করবে সেসব ঐ কমরেডরা ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না। কোথাও আপনার নিয়ন্ত্রন নেই । সবটাই ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস ।
মাসিক চাঁদা ছাড়াও বিভিন্ন অনুদান (বন্যায় পীড়িত, সাধারন দুস্থ ইত্যাদি সাহায্যে) পাঠাতে হত পার্টি অফিসে। সেই অনুদানের টাকা পৌঁছেছে কিনা জানার আগ্রহ ও অধিকার থাকবে না।
এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা রেখেছেন। হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন। ক্যাডারে জমি বেহাত করবে, তারপরে মেজ নেতা, বড় নেতা ধরেও লাভ নেই। এটা হোলো শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ ।
গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলি করা হবে,এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকেই । গফুর মিঞা পাবে । রামধন মাঝি জমি পাবে কিনা তা ঠিক হবে দলের প্রতি তার আনুগত্য যাচাই করে।
কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ সবই করতেন, কারন ইউনিয়নের দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই । এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না কবে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল । এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।
হঠাৎ আপনি দেখলেন বাড়ীর জানালার কাঁচ ভাঙ্গা। অথবা আপনার মেজ ভাই সম্পত্তি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। বা মেজ ভাই আপনার গায়ে হাত তোলার সাহস দেখালো। বা পাড়ার ক্লাব থেকে বাড়তি পুজোর চাঁদা দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার ও হুমকি এলো।বা ভ্যান চালক বাড়তি ভাড়া দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার করলো। বাম আমলে এই রকম সব অকাজের পিছনে থাকতো লোকাল নেতার উস্কানি। আপনাকে বাগে আনা, বশে রাখার সুদক্ষ হাত ও মগজ গোপনে কাজ করত। আপনি জানতে পারেননি। এই রকম বহুবিধ যন্ত্রণার চালচিত্র ছিল নিত্যদিনের।
সিপিএম এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গেছে । বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি মমতার ছিল না। ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডাও ছিল না , ছিলনা কোন বিশেষ প্রতিশ্রুতিও । তাই তৃণমূলও নিয়ন্ত্রনহীন অকাজ করবে , সেটাই তো স্বাভাবিক ।
বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । সিপিএম এর কাজ ছিল আপনার সমাজ ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করা ও ভুলিয়ে দেওয়া। 34 বছর ধরে বামেরা তাই-ই করেছে।
একটা যুগ পেরোনোর পর নতুন প্রজন্ম ঐ যন্ত্রণা বুঝবে কি করে ? তাই বাম নামক ইসলামিক ও সন্ত্রাসী দেশদ্রোহী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
ভয়াবহ বাম রাজত্ব
জনৈক দেশপ্রেমী ব্যক্তির লেখা -
যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেননি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন তারা মিলিয়ে নিন।
বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা ।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা ? পার্টি অফিসে চলে যাও।
বাড়িতে চুরি হয়েছে? পুলিশে ডায়েরি করতে হবে ? এল সি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।
জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না? পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও।
এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি। লেভিটা আসলে আপনার পার্টিতে ছোট্ট নজরানা।
বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের জন্য। প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়ির দরজায় শব্দ। কাস্তে হাতুড়ি আঁকা ও 5/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে কয়েকজন। হ্যাঁ,দিতেই হতো।
বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটতে পারে, আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যেতে পারেন । সেটা আটকাতে জোর করে একখানা গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।
এইটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা চলে গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল । কিন্তু এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল ।
বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন ? পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। ইট ,বালি ইত্যাদি কে সাপ্লাই করবে সেসব ঐ কমরেডরা ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না। কোথাও আপনার নিয়ন্ত্রন নেই । সবটাই ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস ।
মাসিক চাঁদা ছাড়াও বিভিন্ন অনুদান (বন্যায় পীড়িত, সাধারন দুস্থ ইত্যাদি সাহায্যে) পাঠাতে হত পার্টি অফিসে। সেই অনুদানের টাকা পৌঁছেছে কিনা জানার আগ্রহ ও অধিকার থাকবে না।
এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা রেখেছেন। হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন। ক্যাডারে জমি বেহাত করবে, তারপরে মেজ নেতা, বড় নেতা ধরেও লাভ নেই। এটা হোলো শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ ।
গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলি করা হবে,এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকেই । গফুর মিঞা পাবে । রামধন মাঝি জমি পাবে কিনা তা ঠিক হবে দলের প্রতি তার আনুগত্য যাচাই করে।
কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ সবই করতেন, কারন ইউনিয়নের দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই । এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না কবে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল । এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।
হঠাৎ আপনি দেখলেন বাড়ীর জানালার কাঁচ ভাঙ্গা। অথবা আপনার মেজ ভাই সম্পত্তি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। বা মেজ ভাই আপনার গায়ে হাত তোলার সাহস দেখালো। বা পাড়ার ক্লাব থেকে বাড়তি পুজোর চাঁদা দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার ও হুমকি এলো।বা ভ্যান চালক বাড়তি ভাড়া দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার করলো। বাম আমলে এই রকম সব অকাজের পিছনে থাকতো লোকাল নেতার উস্কানি। আপনাকে বাগে আনা, বশে রাখার সুদক্ষ হাত ও মগজ গোপনে কাজ করত। আপনি জানতে পারেননি। এই রকম বহুবিধ যন্ত্রণার চালচিত্র ছিল নিত্যদিনের।
সিপিএম এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গেছে । বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি মমতার ছিল না। ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডাও ছিল না , ছিলনা কোন বিশেষ প্রতিশ্রুতিও । তাই তৃণমূলও নিয়ন্ত্রনহীন অকাজ করবে , সেটাই তো স্বাভাবিক ।
বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । সিপিএম এর কাজ ছিল আপনার সমাজ ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করা ও ভুলিয়ে দেওয়া। 34 বছর ধরে বামেরা তাই-ই করেছে।
একটা যুগ পেরোনোর পর নতুন প্রজন্ম ঐ যন্ত্রণা বুঝবে কি করে ? তাই বাম নামক ইসলামিক ও সন্ত্রাসী দেশদ্রোহী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
ভয়াবহ বাম রাজত্ব
জনৈক দেশপ্রেমী ব্যক্তির লেখা -
যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেননি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন তারা মিলিয়ে নিন।
বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা ।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা ? পার্টি অফিসে চলে যাও।
বাড়িতে চুরি হয়েছে? পুলিশে ডায়েরি করতে হবে ? এল সি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।
জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না? পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও।
এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি। লেভিটা আসলে আপনার পার্টিতে ছোট্ট নজরানা।
বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের জন্য। প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়ির দরজায় শব্দ। কাস্তে হাতুড়ি আঁকা ও 5/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে কয়েকজন। হ্যাঁ,দিতেই হতো।
বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটতে পারে, আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যেতে পারেন । সেটা আটকাতে জোর করে একখানা গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।
এইটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা চলে গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল । কিন্তু এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল ।
বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন ? পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। ইট ,বালি ইত্যাদি কে সাপ্লাই করবে সেসব ঐ কমরেডরা ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না। কোথাও আপনার নিয়ন্ত্রন নেই । সবটাই ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস ।
মাসিক চাঁদা ছাড়াও বিভিন্ন অনুদান (বন্যায় পীড়িত, সাধারন দুস্থ ইত্যাদি সাহায্যে) পাঠাতে হত পার্টি অফিসে। সেই অনুদানের টাকা পৌঁছেছে কিনা জানার আগ্রহ ও অধিকার থাকবে না।
এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা রেখেছেন। হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন। ক্যাডারে জমি বেহাত করবে, তারপরে মেজ নেতা, বড় নেতা ধরেও লাভ নেই। এটা হোলো শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ ।
গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলি করা হবে,এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকেই । গফুর মিঞা পাবে । রামধন মাঝি জমি পাবে কিনা তা ঠিক হবে দলের প্রতি তার আনুগত্য যাচাই করে।
কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ সবই করতেন, কারন ইউনিয়নের দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই । এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না কবে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল । এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।
হঠাৎ আপনি দেখলেন বাড়ীর জানালার কাঁচ ভাঙ্গা। অথবা আপনার মেজ ভাই সম্পত্তি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। বা মেজ ভাই আপনার গায়ে হাত তোলার সাহস দেখালো। বা পাড়ার ক্লাব থেকে বাড়তি পুজোর চাঁদা দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার ও হুমকি এলো।বা ভ্যান চালক বাড়তি ভাড়া দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার করলো। বাম আমলে এই রকম সব অকাজের পিছনে থাকতো লোকাল নেতার উস্কানি। আপনাকে বাগে আনা, বশে রাখার সুদক্ষ হাত ও মগজ গোপনে কাজ করত। আপনি জানতে পারেননি। এই রকম বহুবিধ যন্ত্রণার চালচিত্র ছিল নিত্যদিনের।
সিপিএম এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গেছে । বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি মমতার ছিল না। ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডাও ছিল না , ছিলনা কোন বিশেষ প্রতিশ্রুতিও । তাই তৃণমূলও নিয়ন্ত্রনহীন অকাজ করবে , সেটাই তো স্বাভাবিক ।
বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । সিপিএম এর কাজ ছিল আপনার সমাজ ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করা ও ভুলিয়ে দেওয়া। 34 বছর ধরে বামেরা তাই-ই করেছে।
একটা যুগ পেরোনোর পর নতুন প্রজন্ম ঐ যন্ত্রণা বুঝবে কি করে ? তাই বাম নামক ইসলামিক ও সন্ত্রাসী দেশদ্রোহী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
ভয়াবহ বাম রাজত্ব
জনৈক দেশপ্রেমী ব্যক্তির লেখা -
যারা বামফ্রন্টের শাসন কাল দেখেননি তারা জেনে নিন। আর যারা দেখেছেন তারা মিলিয়ে নিন।
বামফ্রন্ট রাজত্বে ক্যাডাররাজটাই ছিল একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা ।
বাড়িওয়ালা ভাড়াটে সমস্যা ? পার্টি অফিসে চলে যাও।
বাড়িতে চুরি হয়েছে? পুলিশে ডায়েরি করতে হবে ? এল সি এম (লোকাল কমিটির মেম্বার) এর চিঠি লাগবে।
জমাদার রাস্তা পরিস্কার করছে না? পাড়ার ব্র্যাঞ্চ সেক্রেটারিকে জানাও।
এই সবের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন ছিল লেভি। লেভিটা আসলে আপনার পার্টিতে ছোট্ট নজরানা।
বাম গণতান্ত্রিক রাজ্যে বসবাসের জন্য। প্রতি মাসে একদিন সন্ধ্যেবেলা নিয়ম করে বাড়ির দরজায় শব্দ। কাস্তে হাতুড়ি আঁকা ও 5/- লেখা দু চারটে স্লিপ হাতে কয়েকজন। হ্যাঁ,দিতেই হতো।
বুর্জোয়া মিথ্যে খবরের কাগজ পড়ে আপনার চিত্তবৈকল্য ঘটতে পারে, আপনি জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথ থেকে সরে যেতে পারেন । সেটা আটকাতে জোর করে একখানা গণশক্তি গছিয়ে দেওয়া।
এইটুকুর ওপর দিয়ে যন্ত্রণা চলে গেলে তা নাহয় ঠিক ছিল । কিন্তু এর পরের এপিসোডগুলো আরো ভয়াল ।
বাড়ি করবেন বলে মনস্থির করেছেন ? পার্টি অফিসে আপনাকে যেতেই হবে। ইট ,বালি ইত্যাদি কে সাপ্লাই করবে সেসব ঐ কমরেডরা ঠিক করে দেবে। আপনি আপনার পছন্দমতো জিনিসপত্র কিছুই কিনতে পারবেন না। কোথাও আপনার নিয়ন্ত্রন নেই । সবটাই ঠিক করে দেবে পার্টি অফিস ।
মাসিক চাঁদা ছাড়াও বিভিন্ন অনুদান (বন্যায় পীড়িত, সাধারন দুস্থ ইত্যাদি সাহায্যে) পাঠাতে হত পার্টি অফিসে। সেই অনুদানের টাকা পৌঁছেছে কিনা জানার আগ্রহ ও অধিকার থাকবে না।
এবার ধরুন আপনি কোনো একটি জমি ফাঁকা রেখেছেন। হাতে টাকা নেই, পরে হয়তো বাড়ি করবেন। ক্যাডারে জমি বেহাত করবে, তারপরে মেজ নেতা, বড় নেতা ধরেও লাভ নেই। এটা হোলো শিক্ষিত শহুরে সমাজে ভূমি সংস্কারের বাস্তব প্রয়োগ ।
গ্রামের অল্পশিক্ষিত সমাজের অবস্থা ছিল আরো করুন। ভূমি সংস্কার হয়েছে, অতএব পাট্টা বিলি করা হবে,এবং সেটা করা হবে পার্টি অফিস থেকেই । গফুর মিঞা পাবে । রামধন মাঝি জমি পাবে কিনা তা ঠিক হবে দলের প্রতি তার আনুগত্য যাচাই করে।
কলকারখানার মজুর যারা তারা মিছিল মিটিং বিক্ষোভ সবই করতেন, কারন ইউনিয়নের দাদারা বলেছেন মেহনতি মানুষের হাতে অনেক ক্ষমতা চাই । এরপর শুরু হতো লাগাতার হরতাল। তারপরে কারখানা লকআউট। বেচারা শ্রমিক জানলোই না কবে বাম নেতাদের পকেটে কয়েক কোটি টাকা ঢুকে গিয়ে কারখানাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল । এবার ঐ পরিবারের দারিদ্রতাকে মূলধন করে আবার নতুন করে বাম সংগ্রাম শুরু ।
হঠাৎ আপনি দেখলেন বাড়ীর জানালার কাঁচ ভাঙ্গা। অথবা আপনার মেজ ভাই সম্পত্তি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। বা মেজ ভাই আপনার গায়ে হাত তোলার সাহস দেখালো। বা পাড়ার ক্লাব থেকে বাড়তি পুজোর চাঁদা দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার ও হুমকি এলো।বা ভ্যান চালক বাড়তি ভাড়া দাবী করে একটু খারাপ ব্যাবহার করলো। বাম আমলে এই রকম সব অকাজের পিছনে থাকতো লোকাল নেতার উস্কানি। আপনাকে বাগে আনা, বশে রাখার সুদক্ষ হাত ও মগজ গোপনে কাজ করত। আপনি জানতে পারেননি। এই রকম বহুবিধ যন্ত্রণার চালচিত্র ছিল নিত্যদিনের।
সিপিএম এই সমাজ ব্যবস্থার পুরোটাই তৃণমূলকে উপহার দিয়ে গেছে । বাংলাকে নতুন করে গড়ে তোলার দূরদৃষ্টি মমতার ছিল না। ফলে সিপিএম তাড়ানো ছাড়া তৃনমূলের আর কোনো এজেন্ডাও ছিল না , ছিলনা কোন বিশেষ প্রতিশ্রুতিও । তাই তৃণমূলও নিয়ন্ত্রনহীন অকাজ করবে , সেটাই তো স্বাভাবিক ।
বামেদের মত নরকের কীটগুলোর জন্য মমতা ব্যানার্জী ছিলেন সবচেয়ে বড় অ্যান্টিডোট । সিপিএম এর কাজ ছিল আপনার সমাজ ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংস করা ও ভুলিয়ে দেওয়া। 34 বছর ধরে বামেরা তাই-ই করেছে।
একটা যুগ পেরোনোর পর নতুন প্রজন্ম ঐ যন্ত্রণা বুঝবে কি করে ? তাই বাম নামক ইসলামিক ও সন্ত্রাসী দেশদ্রোহী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।