বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় সংখ্যালঘু নিধন চলছে অবাধে
ইউনুস সরকারের নীরব মদদে আরেকটি ভয়ংকর অধ্যায় যোগ হলো বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিধনের কালো ইতিহাসে। ৭ আগস্ট ২০২৫ এ সংঘটিত নৃশংস হামলায় ৪টি বড় মন্দির চুরমার করে দেওয়া হয়, ১০টিরও বেশি হিন্দু পরিবারের ঘরবাড়িতে লুটপাট চালানো হয়। দুষ্কৃতকারীরা শুধু সম্পদ লুটেই থামেনি — ৩৫ জনকে গুরুতর আহত করে রূপসা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে, গৃহপালিত পশু পর্যন্ত নিয়ে গেছে।
১৫০-২০০ হিন্দু পরিবার আতঙ্কে গ্রাম ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়েছে। নারী, শিশু, বৃদ্ধ — কেউ রক্ষা পায়নি। মন্দির ভাঙা, ঘর পোড়ানো, লুটপাট — এসব চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল নিষ্ক্রিয়, যেন সবকিছুই সরকারের ছত্রছায়ায় হচ্ছে।
রংপুরে সংখ্যালঘু নিপীড়ন থেকে শুরু করে খুলনার শিয়ালী— প্রতিটি ঘটনায় ইউনুসের প্রশাসন ব্যর্থ নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে দোষীদের রক্ষা করছে।
এটাই কি সেই বাংলাদেশ, যেখানে সংখ্যালঘুরা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবে? নাকি এটা সেই বাংলাদেশ যেখানে তাদের ঘর, মন্দির, জীবন — সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হবে? এটাই প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতনের মূল রাজনৈতিক দায় মুহাম্মদ ইউনুসের কাঁধেই।
#Bangladesh #BangladeshCrisis #SaveBangladeshiMinorities
@ZulkarnainSaer I wouldn't say so. #AwamiLeague is relevant only in the sense that even after a year since ousting, they still haven't accepted responsibility of any their countless crimes committed during 15 consecutive years and intend on doing so if not face music asap
আওয়ামীলীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে!
কিন্তু শুধু নিষিদ্ধের দাবি তোলাটা যথেষ্ঠ নয়। কেনো যথেষ্ট নয় সেই শিক্ষা আমাদের হাড়ে হাড়ে হয়েছে। কিভাবে?
নির্বাহী আদেশে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করার পরে।
আমরা দেখেছি ছাত্রলীগ সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ হলেও তাদের নেতাকর্মীরা উন্মুক্ত ঘোরাফেরা করছেন, আওয়ামীলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নিচ্ছেন। পুলিশ তো কদাচিৎ দুই একটা ধরে বাকিদের ছাত্র জনতা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধরায়ে দিলেও দুই, একদিনেই জামিন হয়ে যায়।
অর্থাৎ শুধু নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করে একটা সাইন করা কাগজ ধরায়ে দিলেই মেনে নেওয়া যাবে না। কিংবা এই সাইন করা কাগজটা আদায় করাটাই এখন প্রধান দাবি বানায়ে ফেলা যাবে না।
কারন দিনশেষে এই কাগজটা যে একটা ইউজলেস ত্যানা ছাড়া কিছু না এইটা ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের পরে প্রমান হয়ে গেছে।
বরং জুলাই গণহত্যাকারী ছাত্রলীগসহ, আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিকে প্রধান দাবি করে তুলতে হবে।
আপনাদের কি মনে হয়, বিচার ঠিকঠাক হইলে আওয়ামীলীগসহ তার অঙ্গসংগঠন লিগ্যাল থাকতে পারবে? ইম্পসিবল, বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালে যেভাবে সংগঠন হিসেবে অপকর্মের দায়ে নাৎসী পার্টি নিষিদ্ধ হয়েছিলো ঠিক সেইভাবে সংগঠন হিসেবে আওয়ামীলীগসহ সকল লীগ নিষিদ্ধ হবে প্রমানিত ও পরীক্ষিত বিচারিক রায়ে।
হ্যাঁ তবে একটা কাগজ লাগবে। সেটা হচ্ছে বিচার কমপ্লিট না হওয়ার আগ পর্যন্ত আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিষেধাজ্ঞা জারি। এইটা আদায় করতে হবে। তাহলে এভাবে মিছিল দিয়ে বেড়াতে পারবে না।
পূর্ববর্তী ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এইবার চূড়ান্ত আওয়ামী ফ্যাসিজম বিরোধী জাতীয় আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এবং আওয়ামী ফ্যাসিজমের সকল রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করে বাংলাদেশে বেআওয়ামীকরন (De-Awamification) করতে হবে যেভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে De-Nazification করা হয়েছিলো
লেখা- আরিফ সোহেল
What a resemblance between the two fascist countries !
China’s autocratic rulers killed 4000 students in Tinanmen Square uprising .
Bangladesh’s fascist regime led by Dr. Yunus had killed 4000 policemen .
Muslims are oppressed vigorously in China by the present fascist regime .
Hindus are oppressed vigorously in Bangladesh by the present fascist regime .
Autocratic ruler in China have been occupying the power years after years without elections .
The current fascist regime in Bangladesh also wants to be in power for many years without election .
@JonFDanilowicz@MarioNawfal@CJBdingo25@FoxNews@sajeebwazed@theAshleyMolly@ProthomAlo
সিরিয়ায় সংবিধান স্থগিত করা হয়েছে, আসাদের দল বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার এখন আর এসব নিয়ে এক মিনিটও সময় নষ্ট করবে না। তারা দেশকে পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে।
অন্যদিকে আমাদের সরকার এখন বসে আছে চিন্তা করছে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতাল কীভাবে প্রতিহত করা যাবে। এটাই আসল পার্থক্য।
আমরা স্বাধীন হয়েছি ৭১-এ, ভিয়েতনাম ৭৫-এ। এখন সেই ভিয়েতনাম আমাদের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিরিয়া আমাদের চার মাস পরে স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে, অথচ তাদের যা করার কথা ছিল না, সেটাই তারা করছে। আর আমরা বসে আন্দোলনের হিসাব কষছি, চেতনা নিয়ে মারামারি করছি।
আজ থেকে ৫০ বছর পর আমাদের সন্তানেরা হয়তো সিরিয়াকে দেখে আফসোস করবে আর আমাদের অভিশাপ দেবে।
একটা দেশের রাজনীতিবিদ কতটা নিচ, জঘন্য আর স্বার্থপর হলে বারবার রক্তের বিনিময়েও জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারে? ৭১-এর শহীদদের অভিশাপ হাসিনা হয়ে নেমে এসেছে আমাদের ওপর। ২৪-এর শহীদদের অভিশাপ নেওয়ার জন্য আমরা কি প্রস্তুত?
এর মধ্যে বাংলাদেশে তলে তলে _____, আওয়ামী লীগ ও ভারত একাকার হয়ে গেছে। এই তিনটি প্ল্যাটফর্ম এখন একই সুরে কথা বলছে। জনসমর্থন হারিয়ে _______ গোপনে ভারত ও আওয়ামী প্রেমে মত্ত যা ক্ষমতায় গেলে প্রকাশ্যে আসবে। তবে ইতিহাস বলে, জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে কেউ শেষ পর্যন্ত রক্ষা পায়নি। দিন শেষে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। ______রও এটাই মাথায় রাখা উচিত।
Ha ha 🤣🤣 there are a limit of lies. Awami was champion for spreading false propaganda when was in power now out of power but maintained the history (khasalat) false propaganda.
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারী হাসনাত আবদুল্লাহ আজ হুমকি দিয়েছেন,
"যেসব ভাষ্যকার, একাডেমিক, এবং বুদ্ধিজীবীরা আওয়ামী লীগের মানবাধিকার নিয়ে লিখছেন বা কথা বলছেন, তাদের কলম আমরা ভেঙে দেব। যেসব মিডিয়া আওয়ামী লীগের সমর্থনে অবস্থান নেবে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেব।"
সাম্প্রতিক সময়ে হাসনাত আবদুল্লাহর হুমকির ফলে সময় টিভি-র পাঁচজন সাংবাদিক বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেছেন।
বৈষম্যের বিরুদ্ধে কাজ করার দাবি করা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, তাদের নামের বিপরীতে গিয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভাজনক সৃষ্টি করছে। রাজনীতি, আইন প্রয়োগ, গণমাধ্যম, একাডেমিয়া ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রে— তারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বৈষম্যকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে বলে মনে হচ্ছে।
Read ➡️ https://t.co/itsPSQtQjy
#StepDownYunus #BangladeshCrisis
@TheDavidBergman Sir is your journalism confined to sheikh family and AL regime or are you vocal about all sort of injustice in Bangladesh? I don’t see any tweet regarding the abuse of minorities in Bangladesh