In English there is a proverb that 'Lightning doesn't strike twice,' which means exceptional events are rare. But Levelfield makes rare events into routine occurrences.
Like the previous year, this year also six students got into the coveted IPM program of IIM Indore:
Mahek - All India Rank 2
Sharmin - All India Rank 8
Shounak - All India Rank 9
Soumyabrata - All India Rank 24
We congratulate Mahek, Sharmin, Shounak, Soumyabrata, Soumyajit, and Kirti for getting through IIM-Indore’s integrated MBA program!
Individual human's struggle for freedom is doomed because we aim to take all the benefits of the collective society and at the same time want to break free of it.
রবীন্দ্রনাথ আমাদের সবার জীবনেই বিভিন্ন সময় উপস্থিত থেকেছেন - কখনও প্রেরণা দিতে, কখনও সান্ত্বনা জোগাতে, কখনও পথ দেখাতে। আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে এই নিয়ে স্মৃতিচারণা -
___________________
রবীন্দ্রনাথ আমাদের সকলের জীবনেই ছোটবেলা থেকেই ছিলেন। আমাদের বয়সী সবারই তখনকার দিনে বাংলা পড়ার হাতেখড়ি ওনার ‘সহজ পাঠ’-এর মাধ্যমে। তারপর কিশলয়তেও প্রতি বছর দু একটি কবিতা - ‘তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে’ বা ‘মা গো, আমায় ছুটি দিতে বল, সকাল থেকে পড়েছি যে মেলা’ ইত্যাদি। বাড়ীতেও সবসময় ক্যাসেট প্লেয়ার-এ চলত রবীন্দ্রসঙ্গীত।বাবা-কাকারাও বর্ষার দিনে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে, বা গরমের সন্ধ্যেগুলোতে ছাদে দাঁড়িয়ে খালিগলায় অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন।
এত কিছু সত্ত্বেও সেই বয়সে রবীন্দ্রসঙ্গীত মনে খুব একটা দাগ কাটেনি। ‘আধুনিক গান’ বেশী ভাল লাগত। একটু বড় হয়ে হিন্দির দিকে ঝুঁকলাম - আর কলেজে পড়ার সময় এ আর রহমান-এর সুর দেওয়া গানগুলি ছিল অত্যন্ত প্রিয়! তারপর আস্তে আস্তে ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতও শুনতে শুরু করলাম - মোজার্ট, ভিভাল্ডি ইত্যাদি। রবীন্দ্রসঙ্গীত আমার জগৎ থেকে প্রায় হারিয়েই গেল।
কিন্তু শেষ দশ-পনের বছর বিভিন্ন সময়ে সেই ভুলে যাওয়া গানগুলি মনের কোন অতল গভীর প্রান্ত থেকে আমার কাছে হঠাৎ করে মাঝে মাঝে ফিরে আসে - কখনও আমাকে উৎসাহ দিতে, কখনও সান্ত্বনা জোগাতে, কখনও পথ দেখাতে।
যখন এই স্কুল শুরু করি, তখন আমার দরকার ছিল আমার মতই কিছু মানুষ - যারা এই কাজে নিজেকে সমর্পণ করবে, আমার সাথে হাত মিলিয়ে নিরলসভাবে এই স্কুলকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু সেরকম কাউকে পাইনি তখন। তখন কবির এই গানটি আমাকে শক্তি দিয়েছে - ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।’
গানটি আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে অবাস্তব - যে কাজে বহুজনের সাহায্য লাগে, সেই কাজে একলা কিভাবে এগিয়ে যাওয়া যাবে? কিন্তু বহু বছর পথ চলার পর বুঝেছি কবি কি বলতে চেয়েছিলেন। একলা চলার মধ্যে যে দৃঢ়তা, যে সঙ্কল্প আছে, তা দেখে আস্তে আস্তে অনেকেই এগিয়ে আসে। আমার ক্ষেত্রেও তা হয়েছে - এই পথে চলার বেশ কিছু সঙ্গীসাথী আমি পরের দিকে পেয়েছি যারা আমার মতই এই কাজে নিজেদের সমর্পণ করেছে।
এই কাজ করতে নেমেছিলাম বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় বহু ভুলত্রুটি দেখে। সেই ত্রুটিগুলি মেরামত করার কাজে লেগে অবশ্যই এই শিক্ষাব্যবস্থার অনেক কিছুই গ্রহণ করতে পারিনি। যে ভুলগুলি দেখে এই কাজে নেমেছি সেইগুলিই এই প্রতিষ্ঠানে চালু রাখলে তো এর উদ্দেশ্যই বৃথা হয়ে যেত। পরিচিত অনেক পদ্ধতি আমাদের স্কুলে দেখতে না পেয়ে অনেকের মনেই এসেছে দ্বিধা। প্রথম বেশ কিছু বছর আমি অনেক মিটিং-এর মাধ্যমে সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। মাঝে মাঝে যদিও ক্লান্ত লাগত - মনে হত, ‘বিকায়ে বিকায়ে দীন আপনারে, পারি না ফিরিতে দুয়ারে দুয়ারে।’
এই লাইনটিই আবার আমাকে দিয়েছে সান্ত্বনা - এ তো কবির একার হাহাকার নয়, এই ক্লান্তি আমাদের মতো সবারই। সমাজ নতুন কিছু সহজে মেনে নেয় না - যতই ঠিক পথ হোক না কেন, যতই ভাল উদ্দেশ্য থাকুক না কেন, সমাজ তাকে এই অগ্নিপরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে নিয়ে তবেই সম্মতি দেবে। এটাই নিয়ম।
কিন্তু কি দরকার ছিল এই অগ্নিপরীক্ষার? বেশ তো ছিলাম সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে। ২০০৯ সালে যখন সিউড়ীতে প্রথম এসেছিলাম অনেকেই ভেবেছিলেন ভালো চাকরি ছেড়ে দিয়ে এই কাজ করা একটা হঠকারিতা। অনেকে ভেবেছিলেন হয়ত কিছু মতলব আছে। কিন্তু এই কাজ আমাকে করতেই হত। এটা ভিতরের একটা টান - ‘তোমারি ইচ্ছা করো হে পূর্ণ, আমার জীবন মাঝে।’
সিউড়ীকে ভালোবেসে এই কাজ করতে এসেছিলাম - ছোটবেলার বহু স্মৃতি এখানে। চাঁদমারি মাঠে বিকেলে বেড়াতে যাওয়া, সমন্বয়পল্লীর খোলা প্রান্তরে ছুটে বেড়ানো, ডাঙ্গালপাড়ার অলিগলিতে সাইকেলে করে ঘোরা। ফিরে আসার পর এসব কিছুই করা হয়নি। মনে হয় কবি যেন আমাকেই বলছেন - ‘যে পথ দিয়ে চলে এলি সে পথ এখন ভুলে গেলি রে।’ হয়ত সিউড়ী আগের মতনই আছে, আমিই ফিরতে পারিনি। ‘আজও কি খোঁজার শেষে, ফের নি আপন দেশে।’ ছোটবেলায় হয়ত কোনদিনই ফেরা যায় না।
সার্থক হয়েছে কি এই পথ চলা? মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা এতকিছু শেখানোর চেষ্টা করি, কিন্তু খুব কমজনই ভালোবেসে, সম্পূর্ণভাবে শেখে। কিন্তু হয়ত সব বিফল নয় - আমার কাছে যেরকম ছোটবেলায় উপেক্ষিত রবীন্দ্রসঙ্গীত ফিরে এসেছে - সেরকমই হয়ত ওদের কাছে, বড় হওয়ার পর, এই শিক্ষার কোন কোন অংশ ফিরে আসবে, ওদের পথ দেখাবে। আর তা যদি না হয়, তাহলে বুঝব, ‘হেথা যে গান গাইতে আসা, আমার হয়নি সে গান গাওয়া।’
Tomorrow is the last day of the session for 2023 batch of students. As they finish their school years, we congratulate two of them on getting 1590/1600 on the SAT test in class 12.
Here is Sharmin who got 1590 in the Jan 2023 SAT.
Tomorrow is the last day of the session for 2023 batch of students. As they finish their school years, we congratulate two of them on getting 1590/1600 on the SAT test in class 12.
Here is Mahek who got 1590 in the Aug 2022 SAT.
২০২২-২৩ সেশন শেষ হতে চলল। অতিমারীর দুবছরের লকডাউনের পর এই প্রথম স্কুলে এসে সম্পূর্ণ সেশন। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমার লেখা, কিছু কোভিডের সময়কার গল্প সহ -
---------------------------
কোভিড এর জেরে দু বছর অনলাইন ক্লাস চলার পরে এই প্রথম সম্পূর্ণ সেশন স্কুলে এসে হতে পারল। যদিও তীব্র গরমের জন্য শেষ ৫-৭ দিনের অনলাইন ক্লাস কোভিডের সেই দুঃস্বপ্নস্মৃতিকে একটু মনে পড়িয়ে দেয়। কোভিডের সময় অনলাইন ক্লাস আমাদের স্কুলে হয়েছিল অসাধারণ, কিন্তু অনলাইন ক্লাস কখনই স্কুলে এসে ক্লাস করার পরিপূরক হতে পারে না।
কোভিডের সময় অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বাচ্চারা অনেক কিছু পড়াশুনা শিখেছিল ঠিকই। কিন্তু অতিমারীর সময় আমাদের স্কুল যে শিক্ষা দিয়েছিল তা শুধু পড়াশুনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় - সেই শিক্ষা ছিল আরও বড়। এই কম বয়সে হয়ত ওরা খুব একটা নজর করেনি, কিন্তু ভবিষ্যতে ফিরে দেখলে ওরা বুঝবে কোভিডের সময় আমরা যেভাবে স্কুল পরিচালন করেছিলাম তার মধ্যেই লুকিয়ে ছিল প্রকৃত শিক্ষা।
সেই সময়টা ছিল কঠিন - অনিশ্চয়তা, আতঙ্ক তো ছিলই, তাছাড়াও ছিল একঘেয়েমি। প্রথমদিকে মাস দুয়েক বাইরের কোন মানুষের সাথে দেখা হওয়া বা কথা বলার সুযোগ ছিল না। ওইসময় লকডাউন ছিল খুব কঠোর - আমাদের ক্যান্টিন-এর স্টাফদের আসাও সম্ভব ছিল না। আমার মনে আছে প্রায় ৪০-৪৫ দিন আমরা সবাই আমার মায়ের করা খিচুড়ি খেয়েই কাটিয়েছি - প্রত্যেকটি লাঞ্চ। আমরা বেশ কিছুজন ছিলাম স্কুলে, থাকার দরকারও ছিল। মায়ের বয়স তখন সত্তর ছুঁই-ছুঁই, বেশী চাপ দিতে চাইনি।
কিন্তু এই খিচুড়ির টেবিলেই জন্ম হয়েছে কত নতুন চিন্তাভাবনার! খেতে খেতে আলোচনা করতে করতে আমি বলেছি নতুন কোন বুদ্ধির অঙ্কের কথা - খাবার পরে দু-তিন ঘণ্টার মধ্যেই ঋতুরাজ ও রিজওয়ান তার ভিত্তিতে বানিয়ে ফেলেছে নতুন একটি অ্যাপ। এইভাবে যোগ হতে হতে আমাদের লিমিট প্লাটফর্মে এখন প্রায় একশোর বেশী অঙ্কের অ্যাপ - যার সিংহভাগ-ই তৈরী হয়েছিল কোভিডের সময়।
শুধু লাঞ্চ-টেবিলেই নয় - বিকেলের চা (এটাও নিজে বানাতে শিখেছিলাম ওই সময়), রাত্রের ডিনার, বিকেলে একটু হাঁটা - এ সব সময়েই জন্ম নিয়েছে কত নতুন চিন্তাভাবনা। মনে আছে, একদিন রাত্রে ডিনারের পর আমরা বসে গল্প করছি, তখন হঠাৎ মনে হল, এই অনলাইন ক্লাসের সময় বাচ্চারা বড় প্রশ্নোত্তর লিখবে কিভাবে? কাগজের উপর লিখে তা স্ক্যান করে হোয়াটসঅ্যাপ-এ পাঠানো - এভাবেই হচ্ছিল তখন সব জায়গায়। কিন্তু আমরা এই সহজ উত্তরে খুশী ছিলাম না - সেই রাত্রেই ভাবা হল একটি নতুন প্লাটফর্মের কথা - যেখানে আমরা প্রশ্ন দেব, সময়সীমা দেব, বাচ্চারা লিখবে, আমরা চেক করব ও আমাদের কমেন্টও তারা দেখতে পাবে। ৭-১০ দিনের মধ্যেই তৈরী হয়ে গেল ইঙ্ক - সেই নতুন প্লাটফর্ম।
এইভাবেই অসীম উৎসাহে, প্রতিদিন নতুন চিন্তাভাবনার মাধ্যমে, আমরা যেন বানিয়ে ফেললাম সম্পূর্ণ নতুন একটি স্কুল। লকডাউন বাচ্চাদের স্কুলে আসতে দিচ্ছিল না ঠিকই, কিন্তু আমরা এত কিছু তৈরি করেছিলাম তাদের জন্য, যে তাদের ইচ্ছা থাকলেই তারা স্কুলে এসে যা যা করত তার সবটাই করতে পারত বাড়ীতে বসেই।
এই অতিমানবীয় কাজ পাঁচ-ছয় মাসেই কিভাবে সম্ভব হল? এখানে বলব - যেটা আমি বাচ্চাদের সবসময়ই বলি - কোন কাজকে আন্তরিক ভাবে ভালবাসলে যেটা আপাতদৃষ্টিতে অসাধ্য, সেটাও করা সম্ভব। আমরা তখন দিনের পর দিন, দিনে ১৪-১৫ ঘণ্টা কাজ করেছি, আলোচনা করেছি - কিন্তু সেটাকে কাজের বোঝা বলে মনে হয়নি, বরঞ্চ ছিল নতুন জিনিস সৃষ্টির এক নেশা।
ভালোবাসা শুধু কাজের প্রতি নয়, ছিল বাচ্চাদের প্রতিও। আমরা চেয়েছিলাম বাইরের জগতে যাই হোক না কেন, ওদের পড়াশুনায় যেন কোন বিঘ্ন না হয়, স্কুলে ওরা যেভাবে শেখে ঠিক তেমনভাবেই যেন শিখতে পারে।
এই বিশাল কাজ আমাদের নিজেদেরও অনেক কাছে এনে দিয়েছিল। অনেকে আমাদের বলেন ‘টিম লেভেলফিল্ড’। এই টিম-এর সূচনা তখনই। একসাথে একটা বড় কাজ করলে নিজেদের মধ্যে যে আত্মিক বন্ধন তৈরী হয়, তার মতো তৃপ্তি আর কিছুতে নেই।
তাই বাচ্চাদের বলব ভালোবেসে শিখতে, ভালোবেসে কাজ করতে - তাহলে সবকিছুই অনেক সহজ হয়ে যাবে। রেজাল্ট-এর কথা, ফলের কথা বেশী ভাবলে তা অনেক দূরে চলে যায়। ভালোবেসে কাজ করলে প্রতিকূল পরিস্থিতিকেও জয় করা যায়, কোন সমালোচনাও স্পর্শ করে না, আর কোন কাজই অসাধ্য থাকে না।
আজ বাংলা নববর্ষের দিনে বাংলা ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতির বিপুল ভাণ্ডার কে সশ্রদ্ধ স্মরণ করি।
লেভেলফিল্ডের অভিভাবকদের মধ্যে অনেকেই হয়ত দেখেছেন যে এবারের কন্টেস্ট উইক-এ (আমাদের বার্ষিক অনুষ্ঠান) বহু প্রোগ্রাম ছিল বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপর - রবীন্দ্রসঙ্গীত চিনতে পারার ভিত্তিতে একটি প্রতিযোগিতা (song recognition), বাংলা গান গাওয়া, বাংলা কবিতা আবৃত্তি, ইংরাজি থেকে বাংলা তাৎক্ষনিক ভাবানুবাদ-এর প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। এছাড়াও সবচেয়ে জনপ্রিয় কুইজ প্রোগ্রামটিও ছিল আমাদের পারিপার্শ্বিক জগৎ (শহর, রাজ্য, ভাষা, ইত্যাদি) সম্পর্কে।
আমি নিজে বাংলা মাধ্যম স্কুলেই পড়েছি। বাংলা ভাষা, এখানকার গল্প, কবিতা, গান, ইতিহাস - এসব কষ্ট করে ভালবাসতে হয়নি, সেগুলি ছোটবেলার জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। জেগে থাকার প্রায় সব সময়টুকুই বাড়ীতে চলত বাংলা গান - রবীন্দ্রসংগীত এবং তখন যাকে বলত আধুনিক গান (এখন বলা হয় স্বর্ণযুগের গান)। মাঝখানে অনেকবছর সেই গানগুলি শুনিনি। তবুও সেগুলি মনের ভিতরে ঢুকে আছে - এখনও মাঝ থেকে যে কোন লাইন শুনলেই বলতে পারি কোন গান।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সত্যজিৎ রায়, সমরেশ বসু - এনাদের সাথে প্রথম সাক্ষাত আনন্দমেলার মাধ্যমে। তারপর এঁদের সমস্ত কিশোর গল্প-উপন্যাস গুলে খেয়েছি। সন্তু-কাকাবাবু, প্রফেসর শঙ্কু, গোগোল, নন্টে-ফন্টে - এদের সাথে কাটিয়েছি কত পূজার ছুটি, গ্রীষ্মের দুপুর, শীতের সন্ধ্যা।
আনন্দমেলা আসতো প্রতি দু-সপ্তাহে একবার - দুপুরবেলা (তখন খবরকাগজও দুপুরে আসত - যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনকার মত ছিল না)। অধীর আগ্রহে না ঘুমিয়ে বসে থাকতাম - কিন্তু আসার এক দু ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যেত পড়া, তারপর আবার অপেক্ষা। একটু বড় হওয়ার পর আর অপেক্ষার ব্যাপার ছিল না, বইয়ের একটা বিশাল জগত খুলে গেল - তখন বাংলা সাহিত্যের এমন লেখক ছিলেন না যাঁর সব লেখা পড়িনি। বঙ্কিমচন্দ্র শরৎচন্দ্র থেকে শুরু করে রমাপদ চৌধুরী, সমরেশ মজুমদার - সব জায়গাতেই ছিল অবাধ বিচরণ।
এই অপার আনন্দের স্বাদ দিতে ইচ্ছে হয় আমাদের ছাত্রছাত্রীদেরও। যেমন সুনীল বলেছেন তাঁর উত্তরাধিকার কবিতায় - “নবীন কিশোর, তোমাকে আমার তোমার বয়সী সব কিছু দিতে বড় সাধ হয়।” সাহিত্য, গান এগুলি যদিও যে কোন ভাষাতেই উপভোগ করা যায়, এবং লেভেলফিল্ডে ছাত্রছাত্রীরা অনেক ভালো ভালো ইংরাজি লেখা পড়ে - কিন্তু নিজের ভাষার গান, কবিতা, গল্পর রসই আলাদা।
কিছুটা আগ্রহ জাগানোর চেষ্টা করেছি - অনেকে এখন বেশ কিছু বাংলা গান, কিছু কবিতা জানে। কোন কোন ছোটগল্প পড়ে শুনিয়েছি। কিন্তু সেভাবে হয়নি - এই দুঃখটা থেকে গেল।। পৃথিবীতে কত ভালো কিছু আছে, সবই শেখাতে চাই - কিন্তু সামান্য সময়। সবকিছুর প্রতি সুবিচার করে উঠতে পারিনি - ভবিষ্যতে হয়ত আস্তে আস্তে করতে পারব।
তবুও এবার সরস্বতী পূজার দিন বাচ্চাদের সবাইকে স্কুলের মাঠে নিজেদের মধ্যেই যেভাবে একের পর এক অনেক বাংলা গান করতে শুনলাম - সেটা খুব ভালো লাগল। বাংলা ভাষা তো আমাদের রক্তে আছে - আগ্রহটা তৈরী হলে ওরা নিজেরাই কোনদিন খুঁজে পাবে এই ‘সোনার তরী’।
Reading has become much more essential in the modern days because that is the only weapon we have to protect our minds against the perpetual onslaught of the societal prejudices and expectations of today's connected world.
Reading is a public good.
If people read widely, our society would be kinder, economy stronger and politics more accountable.
And of course, dinner-table conversations would be more interesting.
To improve reading, improve your technique, context and, intelligence (if possible!)
Technique is really about questions like:
1. Do you read single words or a whole sentence together?
2. Do you vocalize, or visualize?
3. How strong is your vocabulary?
Context is about how much knowledge and understanding of the world you have so that you can make sense of what you read.
For example, if you don't know what is a smartphone, an article about privacy implications of using smartphones will not make sense to you.
Intelligence, of course, helps you connect the context you have and the reading material in front of you.
People with greater intelligence will be able to make sense of a material even with limited context.
You can improve technique by reading fast-paced popular fictions, re-watching dialogue-oriented movies with subtitles multiple times.
You can improve vocabulary by just meticulously checking every word that you encounter in your Kindle dictionary!
You can improve context by:
1. Reading Great articles (The Economist, The Guardian, FT etc are good) and great non-fictions (if you haven't read Harari, start with Sapiens and Homo Deus)
2. Having deep conversations with your friends to analyse and explain events around you
How can you improve the third factor, intelligence?
Of course, by being born with it will be good.
Otherwise, by exercising your mind every day.
How exactly?
That's for another tweet.
Very proud to share that six students from Levelfield's 2021 batch of students got into the IIM Indore's 5-year Integrated Program in Management (with All India Ranks 1, 3, 11, 30, 50 - no less!)
Here is a photo of them with @arghyaban, the founder of Levelfield.
@CambridgeInt