কাউকে না কাউকে এই সত্যি কথা গুলো সাহস করে কখনো বলতেই হতো। ধন্য���াদ, জেড আই খান পান্না!
-------------------------------------
স্বাধীন হইলেই হবে না, মানসিকতাও স্বাধীন থাকতে হবে। সংবিধান অকার্যকর না, অনেকটাই অকার্যকর করে ফেলেছে। আমি ��ন্য ভাবে আসি, সেটা হচ্ছে যে প্রথম ডক্টর ইউনুস বা উপদেষ্টা মন্ডলী। এপয়েন্টমেন্ট দিলো কে? আমি জানি না কে দিয়েছে। বলবে একটা ভোগাস কথা! জনগণ দিয়েছে, বা ছাত্ররা দিয়েছে। তো কত পারসেন্ট আছে ছাত্র? আর এমনি ছাত্র যে ৬-জন তাঁরা যখন হারুণের ভাতের হোটেলে ছিলো তখন ওইখানে বসে লিখিত স্টেটমেন্ট দিলো যে তাঁরা আন্দোলন উইথড্র করলো। তাঁর প্রেক্ষাপটে কিন্তু এইখানে আমরা কিছু আইনজীবীরা মুভমেন্ট করলাম এবং মামলা করলাম। তারপর তো একটা শেপ দিছে। জেল কিন্তু আমরাও খাটছি, টর্চার কিন্তু আমরাও সহ্য করছি। কোথাও কিন্তু একটা সাইন নিতে পারে নাই। সেই এটিচিউট আমাদের ছিলো না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে ভিন্ন। সাবসিকিয়েন্টলি ডক্টর ইউনুস এসে গেছেন। সাবসিকিউয়েন্টলি ফর��ার প্রধানমন্ত্রী, কারো মতে জোর করে হয়েছে; কারো মতে ইলেক্টেড হয়েছে, উনি চলে গেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার।
এইখানে ব্যাসিকেলি খেলছে কারা সেটা আপনারাও বুঝেন, আমিও বুঝি। বাংলাদেশে ‘৭১-এর মতো সময়েও কিন্তু থানাগুলো খালি হয় নাই, এইবার খালি হইছে। এবং এই ট্রেন্ড কিন্তু যাবে না। খারাপ দিকের যে ট্রেন্ড সেটা কিন্তু যায় না, এইটা নেশার মতো। তো আমি যেটা দেখি এখন সেটা হচ্ছে ‘৭২-এর সংবিধান ��েখে তাঁদের মতো সংশোধন করে নিবে।
যেমনঃ কেয়ারটেকার সরকার নাই, ওকে সংবিধানের ১৫তম সংশোধন বাতিল করে দেই।
কিন্তু প্রিয়েম্বেল চেঞ্জ করতে পারবে না। তাহলে আরেকটা ‘৭১-এর যুদ্ধ না, মহাযুদ্ধ করতে হবে। এবং উনাদের পাসপোর্ট-ভিসা রেডি আছে সেটাও আমরা জানি। আমরা কিন্তু এই দেশ ছাড়বো না, তাঁরা ছাড়বে।
ইলিশ নাকি ইন্ডিয়ায় যাওয়া বন্ধ হইছে, তাহলে ��লিশের দাম ডাবল হয় কিভাবে? সাবেক চোরাচালান যারা করেছে, স্মাগলিং যারা করেছে, সিন্ডিকেট যারা করেছে, টাকা পাচার যারা করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হইছে?
রবীঠাকুরকে দিয়ে গীতাঞ্জলি লেখানো গেছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানো যায় নাই। সেখানে গান্ধীজীকে দরকার হইছে, পন্ডিত জহরলাল নেহেরুকে দরকার হইছে। আল্লামা ইকবালকে দিয়ে কবিতা ও শায়ের লেখানো হইছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানোর জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খানের দরকার হইছে। বাংলাদেশেও গাফফার চৌধুরীর একুশের যে গান সেটা এখনো উজ্জীবিত যা সবাইকে ‘৫২ থেকে এখন পর্যন্ত চেতনা দিচ্ছে কিন্তু তাঁকে দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় নাই ল। রাষ্ট্র চালানোর জন্য কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে আনতে হইছে। মাওলানা ভাসানীও কিন্তু এই রিস্কটা নেন নাই। যদিও উনি ১৯৫৬ সালে বলেছিলেন “ওয়ালাইকুম আসসালাম”। মূলত ‘৭১-এ যেটা হইছে সেটা বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে হইছ�� এতে কোন দ্বিধা দ্ব��্দ নাই। ‘৭২-এ জাসদ করতে এসে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করা হইছে সত্যি কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা হয় নি।