@sajeebwazed বাংলাদেশের আজকের এই পরিস্থিতির জন্য কি বিগত (1991 থেকে 2024) সরকারগুলো দায়ী নয়? তারাই বার বার সুযোগ পেয়েও এই দেশ টাকে সবার (সুষম বন্টন নিশ্চিত) না করে সাবাড় (দেশের টাকা বিদেশে পাচার ও কর্পোরেট মাফিয়াদের চুরির সুযোগ দেয়া) করে নি?
সাধারণ জনগণের সাথে তামাশা করছেন আ��নারা।
কলকাতার হিন্দুদের জন্ম নিয়ে ঐতিহাসিক মন্তব্য করে গেছেন শ্রদ্ধেয় নীরদ সি চৌধুরী।
"নীরদ সি চৌধুরীর ‘বাঙালি জীবনে রমণী’ বইটি পড়ছি। তার বক্তব্যনুযায়ী, কলকাতার প্রতিটি লোকই হয় জারজ, নয় পরকীয়াগ্রস্ত, অথবা অন্য কোন অবৈধ সম্পর্কে আসক্ত। কলকাতার এক নামী ব্যক্তির কথা প্রসঙ্গে একজন বলে উঠল, সে তো তার মামাতো বোনকে প্রেগনেন্ট বানিয়ে দিয়েছে! নীরদ বলল, আপনার কাছে কোন প্���মাণ আছে? লোকটি বলল, যে দাইটি তার মামাতো বোনের এবরশন করেছে তার সাথে কথা হয়েছে।
আরেক ব্যক্তির প্রসঙ্গ উঠলে আরেকজন বলে উঠল, সে তো তার ভাইঝির সাথে শোয়! কেন? উত্তরে বলা হলো, তার ভাইঝির জামাইয়ের অমুক স্থানে গোদ। ভাইঝি কি পেট খালি করে বসে থাকবে?
বইটি যতই পড়ছি, ততই মনে সন্দেহ হচ্ছে যে, আমি কি আদৌ কোন মনুষ্যসমাজের বর্ণনা পড়ছি? তবে তা অবশ্যই হিন্দুসমাজের বর্ণনা, এতে কোন ��ন্দেহ নেই।
পথের পাঁচালি উপন্যাসের লেখক বিভূতিভুষণ ছিল নীরদ সি চৌধুরীর রুমমেট। কলকাতায় একই মেসে তারা থাকত। নীরদ সি চৌধুরীর বইটিতে একটি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। যা দ্বারা স্পষ্টতই হিন্দুসমাজের চারিত্রিক দৈন্যতার বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
তার বক্তব্য, তৎকালীন সময়ে বিয়ের যেই রেওয়াজ ছিল তাতে করে দেখা যেত, শ্বাশুড়ীর সাথে মেয়ের জামাইয়ের বয়সের পার্থক্য থাকত তার নিজের জামাইয়ের চেয়ে ���ম। বিপরীতে একদম কচি নাবালিকা মেয়েদের সাথে যুবকদের বিয়ে দেয়ার রেওয়াজ ছিল, যারা বিবাহিত জীবনের শারিরীক দায়িত্বপালনে ছিল নিতান্তই অক্ষম। ফলশ্রুতিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শ্বাশুড়ীরাই জামাইদের চাহিদাপূরণ করত। হিন্দুসমাজে তখন ‘শ্বাশুড়ে’ ও ‘বৌও’ নামে দুটো গালি প্রচলিত ছিল, তাদের অর্থ যথাক্রমে শ্বাশুড়ীরত ও পুত্র��ধুরত।
একদিন বিভূতি এসে তাকে বলল, নীরদ, অমুকের কথা মনে আছে? যে তোর সাথে রিপন কলেজে পড়ত? নীরদ বলল, হ্যাঁ মনে আছে। তখন বিভূতি বলল, সে কলকাতার অদূরে অমুক গ্রামে থেকে ট্রেনে প্রতিদিন কলকাতায় যাতায়াত করে চাকরি করে। তার শ্বাশুড়ীর সাথে তার সম্পর্ক আগে থেকেই ছিল। কয়েকদিন হলো সে তার শ্বাশুড়ীকে ভাগিয়ে এনে কলকাতায় অমুক স্ট্রীটে বাস করছে। জবর শ্বাশুড়ী চল দেখে আসি!
কয়েকদিন পর শোনা গেল, সেই ��হপাঠী তার নিজের স্ত্রীকেও নিয়ে এসেছে। মা মেয়ে এক পুরুষের সাথে রঙ্গলীলা করছে। কিন্তু শ্বশুড় ঝানু! খবর পেয়ে কলকাতায় এসে মা মেয়ে দুটোকেই ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। এখন সে একলা বসে হুক্কাহুয়া করে!"
~From Inbox
@albd1971@sajeebwazed অগণিত মানুষের হত্যাকারীর কি একটুও লজ্জা নেই, এমন মানুষ কেনো দেশে আসবে যার দেশ প্রেম নেই, যে বিদেশি সৈন্য ব্যবহার করে দেশের মানুষকে হত্যা করে।
আমি সবচেয়ে ঘৃণা করি ওই মানুষকে, যে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার পরিবর্তে 71 এর চেতনার দুয়ো তুলে বিভাজন করে।
@balayat_hossan এই মাল যদি বাংলাদেশী হয় তাহলে পেটান ভালো করে, ওর মতো মাথামোটা গুলোর কারণে ইন্ডিয়ান ভিখারি গুলো বাংলাদেশকে নিয়ে যা ইচ্ছা তাই বলতে পারে।
@DAILYITTEFAQ বাংলায় লিখছি,
হাসিনার কাছে জনগণ মানে ভারত, তার ও তার দলের সমর্থক। ভারত, তার ও তার দলের বিরোধিতা কর তার চোখে রাজাকার পাকিস্তানি।
সুতরাং, ওর মতো নরকদূষিত বাংলাদেশের নিয়ে ভাবনার দরকার নেই।