"যে রাষ্ট্র ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করে আরেকটা সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে এবং তাকে শেষ করার জন্য নিজ দেশেই সব কিছু করছে, সেই রাষ্ট্র আরেকটা মুসলিম রাষ্ট্রের সাথে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবে এবং সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে সমাধানে আসবেএটা আপনি কিভাবে প্রত্যাশা করতে পারেন?"
From October 8th on, Israel's goals in Gaza (according to Israel's political leaders that set these goals i.e. Prime Minister, Minster of Defense, and war cabinet) have NOT changed. They are:
- Return all hostages.
- Dismantle Hamas's military capabilities and end its political rule in Gaza.
- Ensure that Gaza never poses a threat to Israel. 4/21
বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে আমেরিকা, জার্মানি, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্কের চেয়েও ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। এই সূচকে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থায় আছে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো। দ্বিতীয় অবস্থান পাকিস্তান।
১। বুরকিনা ফাসো
২। পাকিস্তান
৩। সিরিয়া
৮। ইসরাইল
৯। আফগানিস্তান
১১। মায়ানমার
১৪। ভারত
১৬। রাশিয়া
১৮। ইরান
২৫। ফিলিস্তিন
২৭। জার্মানি
৩২। তুরস্ক
৩৪। আমেরিকা
৩৫। বাংলাদেশ
আমার এই একাউন্টাকে যে কারণে ফলো করতে পারেন👇
১। বিশ্বের এবং তুরস্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে
২। পরামর্শ পেতে, পরামর্শ নিতে, পরামর্শ দিতে
৩। একত্রে পথ চলতে।
অবশেষে ট্রাম্পের কাছে মাথা নত করলেন জেলেনস্কি!
ইউক্রেনকে সব ধরনের মার্কিন অস্ত্র সহয়তা বন্ধ করার মাত্র ১২ ঘণ্টার মাথায় ট্রাম্পের কাছে মাথা নত করলেন জেলেনস্কি।
এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ট্রাম্পের শক্তিশালী নেতৃত্বে অতি দ্রুত ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাজি তিনি। এমনকি ট্রাম্পের সাথে যে কোনও শর্তে খনিজ চুক্তি করতেও প্রস্তুত বলে জানান। রাশিয়ার সাথে যত দ্রুত সম্ভব শান্তিচুক্তি করতে প্রস্তুত বলেও ঘোষণা দেন জেলেনস্কি।
তার এই ঘোষণার পরপরই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন ইউক্রেন যদি সত্যি সত্যিই দ্রুত শান্তি চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করে তাহলে আমেরিকা আবার অস্ত্র সরবরাহ শুরু করতে পারে।
https://t.co/NxDx61U2V0
🌎ইউক্রেন পরিক্রমা🌎
📌 ইউক্রেনে সব ধরনের মার্কিন সামরিক সহয়তা বন্ধ করে দিয়েছেন ট্রাম্প। এমনকি যেগুলো পোল্যান্ড বা অন্য দেশ হয়ে ইউক্রেনের দিকে যাচ্ছিল সেগুলোকেও পথে বন্ধ করে দিয়েছেন।
📌 হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কি ট্রাম্পের সাথে যে "বেয়াদবি" করেছেন সেটার শাস্তি হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প।
📌 ইউক্রেন /জেলেনস্কি যতদিনে ট্রাম্পের লাইনে না আসবেন ততদিন এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। ততদিনে অবশ্য রাশিয়া ইউক্রেনের জায়গা দখল প্রক্রিয়া চলমান রাখতে পারবে। এতে আমেরকার কোনও বাঁধা থাকবে না।
📌 জেলেনস্কিকে নিয়ে ইউরোপের নেতারা লন্ডনে যে বৈঠকটি করেছে এবং সেখান থেকে ইউক্রেনকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সহয়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাতেও নাখোশ ট্রাম্প। তার কথা, আমেরিকাকে ছাড়া ইউরোপ একা ইউক্রেনকে যুদ্ধ চালিয়ে নিতে সহয়তা করতে পারবে না।
📌 ট্রাম্প ওদিকে আবার রাশিয়ার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার জন্য পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। ইউরোপ এর বিরুদ্ধে লম্ফজম্প শুরু করেছে।
📌 ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স নতুন একটা শান্তি প্রস্তাব রেডি করছে। রাশিয়া যদি শান্তি চুক্তি ভঙ্গ করে তাহলে ইউরোপে থাকা রাশিয়ার ২০০ বিলিয়ন ডলার ইউরোপ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিবে। ট্রাম্প কোলের মধ্যে থাকলে রাশিয়া আদৌ এই টাকা নিয়ে চিন্তা করবে বলে মনে হয় না।
জার্মানির নির্বাচনের ফলাফল
=> ১ম হয়েছে CDU/CSU দল। আসন পেয়েছে ২০৮ টি ( এটা বর্তমান বিরোধী দল। তবে এরাই এখন জোট সরকার গঠন করবে )
=> ২য় হয়েছে AfD দল। আসন পেয়েছে ১৫২টি। এড়া উগ্র ডানপন্থী দল। ইলন মাস্ক এদেরকে সাপোর্ট দিয়েছিল। এরা সরকারে আসতে পারবে না ।
=> ৩য় হয়েছে SPD দল। আসন পেয়েছে ১২০টি। এরা বর্তমান ক্ষমতাসীন দল। তবে এরা সরকারে আসতে পারবে না।
=> ৪র্থ হয়েছে Green দল। আসন পেয়েছে ৮৫টি। পরিবেশবাদী দল এটি।
=> ৫ম হয়েছে Die Linke নামক বাম দল। আসন পেয়েছে ৬৪ টি। Die Linke অর্থ বাম দল।
=> ৬ষ্ঠ হয়েছে SSW নামক একটি দল। আসন পেয়েছে ১টি। এরা জার্মানিতে বসবাকারি সংখ্যালঘু ড্যানিশ এবং ফিনিশদের জন্য কাজ করে।
*** মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাকে জার্মানির এবং আমেরিকার বিজয় বলেছেন। (কিভাবে আমেরিকার বিজয় হয় আমি বুঝিনা। তার সমর্থনকরা দল দ্বিতীয় হয়েছে।)
*** শেষমেশ, জার্মানিতে একটা কোয়ালিশন সরকার গঠন হবে যার নেতৃত্বে থাকবে CDU/CSU আর প্রধান বিরোধী দল হবে AfD. সেই সরকারও হয়তো খুব বেশিদিন টিকবে না।
ইউক্রেন নিয়ে একটা রুমে বৈঠক করছেন আমেরিকা, ইউক্রেন, রাশিয়া, ইইউ, ফ্রান্স এবং জার্মানির প্রেসিডেন্টরা। (কাল্পনিক)
ট্রাম্প: বন্ধুগণ! ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সৌদি আরবে আমার এবং পুতিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেছে। ভালো অগ্রগতি হয়েছে। এখন জেলেনস্কি চাইলে সৌদি আরবে গিয়ে সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনে আসতে পারে।
জেলেনস্কি: না, আমি সৌদি সফরে যাবো না। আমি ইউরোপের বন্ধু দেরকে ছেড়ে আমার দেশের উপর চাপিয়ে দেয়া অন্যায় কোন চুক্তিতে স্বাক্ষর করবো না। (ইউরোপের নেতারা মুচকি হাসছেন)
ট্রাম্প: জেলেনস্কি তোমার এই যুদ্ধ শুরু করাটাই ছিল ভুল। আমরা যে সাহায্য করেছি সেটার জন্য এখন তোমার খনিজ সম্পদ দেও। জেলেনস্কি: আমি তো যুদ্ধ শুরু করিনি। পুতিন করেছে। আর আমার দেশের খনিজ সম্পদ এভাবে জোড় করে নিতে পারো না। আমি দিবো না। (অনেকটা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ)
ট্রাম্প: তাহলে রাশিয়ার মুখে তোমাকে ছেড়ে দেই রাশিয়া ইউক্রেনকে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাক। (রাগান্বিত হয়ে)
জেলেনস্কি: না না তুমি এটা করতে পারো না। এটা করতে পারো না। এটা বন্ধুত্বের বহিঃপ্রকাশ না।
ট্রাম্প: টাকা ছাড়া বন্ধুত্ব হয় না। দেয়া নেয়া ছাড়া বন্ধুত্ব হয় না। এতদিন আমরা দিয়েছি এখন আমরা নিবো। চুক্তি সই করো।
ইইউ প্রধান ভন ডের লেয়েন: না ট্রাম্প তুমি ভুল বলেছ। ইউক্রেনকে সবার চেয়ে বেশি দিয়েছে ইউরোপ। সেখানে ইউরোপও তো ভাগ পাওয়ার অধিকার রাখে। ইউরোপকে ভাগ না দিয়ে কোন চুক্তি হবে না।
ফ্রান্স এবং জার্মানের প্রেসিডেন্টরা: ঠিকই বলেছো। ইউক্রেন এরকম কোন চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে না। করতে পারে না ।
জেলেনস্কি: ঠিক। আমি এই চুক্তিতে সই করবো না।
ট্রাম্প: ওকে ঠিক আছে তাহলে আমি আর পুতিন স্বাক্ষর করবো এই চুক্তি।
জেলেনস্কি, লেয়েন, ম্যাখাও, শোলৎজ: সবাই সমস্বরে: মানি না, মানবো না।
ট্রাম্প: তোমরা না মানলে আমার কিচ্ছু আসে যায় না। চল পুতিন আমরা চুক্তি স্বাক্ষর করি। (ইউরোপের নেতারা এবং জেলেনস্কি রুম ছেড়ে বেড়িয়ে যায়)
পুতিন: ওকে ঠিক আছে। শর্ত গুলো কি হবে?
ট্রাম্প: তুমি যা বলবে তাই হবে চুক্তির শর্ত। আমার শুধু অর্থ চাই।
পুতিন: খুশিতে অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো।
সহযোগিতার নাকি গোলামির চুক্তি? যুদ্ধ বিরতির পর ইউক্রেনকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য জেলেনস্কির সামনে একটা খসড়া চুক্তিপত্র তুলে ধরেছে আমেরিকা। তাকে চাপ দিয়েছিল সেই চুক্তিপত্রে সই করতে কিন্তু জেলেনস্কি সেটা করে নি। সে বলেছে ইউরোপ এবং ব্রিটেনের অনুমতি না নিয়ে সে ওখানে স্বাক্ষর করবে না। ফলে ইউক্রেন, ইউরোপ এবং ব্রিটেনের উপর চরম খেপেছে আমেরিকা। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় নেতাদের শাসাতে ট্রাম্প তার এ টীমকে পাঠিয়েছিলেন ইউরোপে। তারাও মনের মাধুরী মিশিয়ে শাসিয়েছে ইউরোপীয় নেতাদের। প্রশ্ন হচ্ছে, কি ছিল সেই চুক্তিতে। সেই খসড়া চুক্তিটি ফাঁস করে ইন্টারনেট জগতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। খুব সম্ভবত ইউক্রেনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে এটি। (উপড়ের পোস্টে সেই খসড়া চুক্তিটি শেয়ার করেছি) 👆👆👆
পুরোটা পড়লে আপনার অবচেতন মনেই বলে উঠবেন, টাম্প কামডা করলো কি?এটা তো ইউক্রেনকে ৫২ তম অঙ্গরাজ্য বানানোর নকশা!
- আমেরিকা ইউক্রেনকে নিরাপত্তার বিপরীতে ইউক্রেনের যত খনিজ সম্পদ, তেল-গ্যাস এবং বাণিজ্যিক বন্দর আছে সেগুলোর ইনকামের ৫০% আমেরিকাকে দিতে হবে।
- ইউক্রেনের এই সব ক্ষেত্রে নতুন যত লাইসেন্স দেয়া হবে সেগুলোর অগ্রাধিকার পাবে আমেরিকা। আমেরিকা যদি (মনে করে এগুলো লাভজনক না এবং) চুক্তি না করে তাহলে অন্যদেরকে অফার করতে পারবে ইউক্রেন।
- আমেরিকার কাছে মাসিক আয় ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে। এই আয় ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষণের জন্য একজন স্বাধীন (আমেরিকাপন্থি) অডিটর নিয়োগ দেয়া হবে যার বেতন দিবে ইউক্রেন।
- ইউক্রেন যদি এই অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে ওই সব সম্পদ আমেরিকা পুরোপুরি দখল করতে পারবে।
- এই চুক্তিটিকে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি হিসেবে ধরা হবে।
- চুক্তির কোন মেয়াদ থাকবে না।
জেলেনস্কিঃ তাহলে এটা তো ইউক্রেনকে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়া। আমি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারবো না। (কয়কদিন আগে একটা ভিডিওতে এই বিষয়ে ইঙ্গিতে বলেছিলাম) আর এতেই খেপেছে ট্রাম্পের টীম । (খুব সম্ভবত সৌদি আরবের সাথে "পেট্রোডলার" চুক্তিটাও এই টাইপের একটা চুক্তি ছিলো)
US President Donald Trump struggled to understand reporters speaking in English during a press conference with Indian Prime Minister Narendra Modi, skipping a question he couldn’t make sense of and even requiring a translator
ইন্দোনেশিয়া তুরস্ক থেকে ২৪০ টি বাইরাক্তার টিবি-৩ ড্রোন
এবং ৩৬ টি আকিঞ্জি ড্রোন কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
ড্রোনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুক্তি এটা।
তুরস্কের নিজের সার্ভিসেও এখনো কোন TB-3 ড্রোন নাই।
নিজের সার্ভিসে আসার আগেই এত টিবি-৩ ড্রোন বিক্রির মানে কি?
ইন্দোনেশিয়া হয়ত অদূর ভবিষ্যতে ড্রোনবাহি রণতরীও তৈরি করবে।
তুরস্ক ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মোঃ নাহিদ ইসলামের সাথে বৈঠক করেছি। তুরস্ক এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
#TurkeyBangladeshRelations#Diplomacy#BilateralRelations