@HDFC_Bank my wife Sudakshina Sarkar roy opened an nps account through your bank. Now she is 61+ years old. She is not getting help from your Branch unfortunately she considerd that she lost her money. Her sb ac is xxxx0882
@HDFCBank_Cares I am trying to restore my email id but failed because the imposed fordstar mail id is most switer than me. They like to promote the.........
Fraud through net banking
RBI mesures to reduce net banking FRAUD is not sufficient. I would reguest to RBI should not allow on line change of EMAIL OR PHONE NUMBER through , it must be on offline basis on verification of signature of the account holder.
#HDFC Bank
@RBI
My HDFC BANK SB A/C has been hacked and 6.84 lac looted by fraudstar. Fraudstar mail id is [email protected]. Can any one help me to break ID. PL HELP ME.
@wb_IndianOil
I am Tapadhan Roy 71yrs . I transferred from mokdampur malda to sodepur. we transferred our Indane connection from shitu memorisl gas agency to Roy and Dutta Enterprises Sodepur.But they told us they have no regulator and denied connection.Solisit ur kind act
জ্যোতি বসু নিজের জীবনে অনেক কুকীর্তি করেছেন। মরিচঝাপি থেকে শুরু করে অনেক ঘটনাই আমরা জানি। আজ তার অনেক পাপের মধ্যে একটি পাপের কথা জানাই আপনাদের। এই জঘন্য পাপ করেছিলেন বিশ্ব বিখ্যাত সন্তরণবিদ মিহির সেনের সাথে। সেই মিহির সেন যিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন।
১৯৫৮ এ ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করার পর আরো বেশ কয়েকবছর ভারতসরকারের সহায়তায় আরো ৭ টা সমুদ্র পার করে বিশেষ পারদর্শিতা দেখান। ফলস্বরুপ ১৯৫৯ এ তিনি পদ্মশ্রী ও ১৯৬৭ এ পদ্মভূষণ সম্মানপ্রাপ্ত হন। শুধু তাই নয় তাঁর এই অসামান্য কীর্তির জন্য তাঁকে ব্লিট্জ নেহেরু ট্রফি দিয়েও সম্মানিত করা হয়।
বাঙালি নাকি ব্যবসা করতে জানে না? মিহির সেন নামলেন ব্যবসায়ে। রেশম রপ্তানি করতে শুরু করেন। অতি শীঘ্র উৎকৃষ্টমানের রেশম রপ্তানীর কারনে ভারত সরকারের অনুমোদন পায় এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেশম রপ্তানীকারক কোম্পানি হয়ে ওঠে।
কিন্তু বিধি বাম। বাম শুধু না, পুরো জ্যোতি বসু! ১৯৭৭ সাল, বিধানসভা নির্বাচন একদম দোরগোড়ায়। এই সময় মিহির সেনকে জ্যোতিবাবুর প্রচারকার্যের জন্য নির্দেশ আসে। সাথে সরকারি আমলা পদের লোভও।মুখের ওপর না বলে নির্দল প্রার্থী হিসেবে পরের দিনই নিজের মনোনয়ন জমা দিলেন।
নির্বাচনে সেবার বিপুল ভোটে জয়ী হলেন কমরেড জ্যোতি বসু। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রিত্বের সাথে সাথে বিপুল ক্ষমতাও তাঁর হাতে এলো। মিহির সেনকে কিন্তু তিনি ভোলেন নি। দিলেন নিজের পোষা গুন্ডাদের লেলিয়ে। নিত্য অশান্তি ও ধর্মঘট শুরু হয়। ট্রেড ইউনিয়ানের মনোমত কাজ না হলেই গ্রাফিটি আর স্লোগানে ভরে যেত মিহির সেনের অফিস চত্বর , দোকান আর কারখানা। রাস্তায় বসে দোকান অবরোধ করে দিনের পর দিন চলত সিটুর ধর্মঘট। ধীরে ধীরে এই ধর্মঘটের আঁচ লাগলো মিহির সেনের রেশম কারখানাতেও।খিদিরপুরের জামাকাপড়ের কারখানা আর কারখানা রইলো না, চায়ের দোকান হয়ে গেল রাতারাতি। পুলিশকে মুক দর্শক থাকতে বলা হল আলিমুদ্দিন থেকে। মিহির সেনের আরো দুটো কারখানা ছিল খিদিরপুরে,সিল্ক স্ক্রীনিং ও সিল্ক ব্লক প্রিন্টের,কারখানা দুটো দুর্দশার মুখে পড়ল।ট্রাক ভর্তি মাল রপ্তানির জন্য প্রস্তুত কিন্তু সিটুর ধর্মঘটের জেরে রপ্তানি করা গেল না।সিটু পুড়িয়ে দিল সেই ট্রাক সমেত লক্ষাধিক টাকার মাল। পুলিশ শুধু দাঁড়িয়ে দেখলো সব, হস্তক্ষেপ করা তো দুরের কথা, বাধা দিতেও এগিয়ে গেল না পুলিশ। CITUর তাড়নায় ঋদ্ধ ব্যবসা লাটে উঠলো।প্রতিশোধ কি পূরণ হল?
না, এই তো সবে শুরু! একের পর এক সাজানো কেসে ফাঁসানো হল মিহির সেনকে। পুলিশ অতর্কিতে এসে হানা দিত তাঁর বাসস্থানে, সংস্থায়, কারখানায়, সর্বত্র। নগদ টাকা পয়সা, সম্পত্তি সব বাজেয়াপ্ত করে ফেলে রেখে গেল এক ভেঙ্গে পড়া, হতাশাগ্রস্থ পরিবারকে। দেউলিয়া হয়ে যাওয়া ওই মানুষটি নিজের পরিবারকে সামান্য গ্রাসাচ্ছদনের ক্ষমতা পর্যন্ত ছিল না। স্ট্রোক হলো মিহির সেনের। স্মৃতিলুপ্ত হলো তাঁর। বয়স ছিল তখন মাত্র ৫০।
কেসের জন্য কোর্টে হাজিরা দিতে যেতে হত নিয়মিত মিহির সেনকে, কোর্টে যাওয়ার পথে বামপন্থি উকিলরা টিটকারি মারতেও ছাড়তো না দম্পতিকে। এখানেই শেষ নয়।
জ্যোতিবাবু একটু খেলাতে চাইলেন মানুষটাকে। ১৯৮৮ সাল, আবার ডেকে পাঠালেন হতভাগ্য মিহির সেনকে। বললেন বামফ্রন্টে যোগ দিতে। মিহির ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রস্তাব।ফলে বাম গুন্ডারা তাঁর জীবন আরো দুর্বিসহ করে দিল
১৯৯৭ এ মিহির সেন যখন মারা যান তখন তিনি ছিলেন নিঃস্ব! আলিপুরের ফ্ল্যাটটা ছাড়া আর কোন সম্পত্তি তাঁর ছিল না। তাও ফ্ল্যাটটা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশনের অ্যালট করা মিহির সেনের নামে!
ভাবছেন মৃত্যুতে তো শেষ হবে মিহির সেনের জীবনের পীড়া? না, না আরো আছে। মিহির সেনের এক কন্যা আছেন, সুপ্রিয়া, তিনি লন্ডনে থাকতেন।পিতার মৃত্যুর কয়েকবছর পর আলিপুরের ফ্যাটে ঢুকতে গিয়ে দেখেন সব তছনছ, বাড়ি লন্ডভন্ড,কে বা কারা মিহির সেনের পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ মেডেল দুটি সমেত বেশ কিছু মেডেল চুরি করেছে। ফোনে হুমকি পেতেন ফ্ল্যাট খালি করার।
থানা,কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে জানিয়েও যখন কোনো লাভ হয়নি। ফলে স্বনামধন্য জগৎবিখ্যাত এই সন্তরণবিদ বাঙালি মিহির সেন লোকচক্ষুর আড়ালে বিস্মৃতপ্রায় হয়েই রয়ে গেলেন।
আমরা এই প্রজন্ম শুধু তাঁর কীর্তির কথাই শুনে এসেছি,কিন্তু জানতে পারিনি কিভাবে এককালের সফল ক্রীড়াবিদ ও ব্যবসায়ী জীবনের শেষপ্রান্তে নিঃস্ব হয়ে গেলেন।জ্যোতি বসুর লোভ, অহংকার ও ক্রুরতা একজন সফল মানুষকে কি ভাবে পদে পদে হেনস্থা করে অসহায় করে দিয়েছিল তা কি আমরা জানতাম? বামফ্রন্ট এই রাজ্যের একটা বিষবৃক্ষ পুঁতে দিয়ে গেছিল। সেই বিষবৃক্ষের বিষফলে সাধারন মানুষ থেকে কিংবদন্তি মানুষেরা কেউ রেহাই পায় নি। সেই বিষবৃক্ষ কি বামেদের সাথে ৩৪ বছর পর শেষ হয়ে গেছে?সমূলে উৎপাটিত হয়েছে এ রাজ্যে?ভেবে দেখার জন্য বলছি আপনাদের,ভেবে দেখুন।
@tathagata2