রাসূল (সা.) আরো বলেন: “যে ব্যক্তি অহংকারের সাথে চলাফেরা করে এবং নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করে, সে যখন আল্লাহ তা‘আলার সাথে সাক্ষাত করবে, তখন তাঁকে তার ওপর রাগান্বিত দেখবে।” [21]
পুরুষের বুদ্ধি খড়গের মতো; শান বেশি না দিলেও কেবল ভারেই অনেক কাজ করতে পারে। মেয়েদের বুদ্ধি কলম-কাটা ছুরির মতো; যতই ধার দাওনা কেনো, তাতে বৃহৎ কাজ চলে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ইবনে আব্বাস (রাঃ) ও ইমরান ইবনে হুসাইন(রাঃ) থেকে বর্ণিত: নবী (সাঃ) বলেছেন, “আমি বেহেশ্তের মধ্যে তাকিয়ে দেখলাম, তার অধিকাংশই গরীব লোক। আর দোযখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার অধিকাংশ অধিবাসীরাই মহিলা।” [সহীহুল বুখারী ৩২৪১,৫১৯৮,৬৪৪৯,৬৫৪৬, মুসলিম ২৭৩৮]
কা’ব ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “ছাগলের পালে দুটি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছেড়ে দিলে ছাগলের যতটা ক্ষতি করে, তার চেয়ে মানুষের সম্পদ ও সম্মানের প্রতি লভ-লালসা তার দ্বীনের বেশী ক্ষতিকারক।” [তিরমিযী ২৩৭৬, আহমাদ ১৫৩৫৭, ১৫৩৬৭]
কা’ব ইবনে ইয়ায (রাঃ) বলেন: আমি আল্লাহর রসূল (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি; “প্রত্যেক উম্মাতের জন্য ফিতনা রয়েছে এবং আমরা উম্মাতের ফিতনা হচ্ছে মাল।” [তিরমিযী ২৩৩৬, আহমাদ ১৭০৭]
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাঃ) –কে বলতে শুনেছি, “শোনো ! নিঃসন্দেহে দুনিয়া অভিশপ্ত। অভিশপ্ত তাঁর মধ্যে যা কিছু আছে (সবই) তবে আল্লাহর যিকর এবং তাঁর সাথে সম্পৃক্ত জিনিস, আলেম ও তালেবে-ইলম নয়।” [তিরমিযী ২৩২২, ইবনে মাজাহ ৪১১২]
আয়েশা (রাঃ) বলেন:“রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এই অবস্থায় ইন্তেকাল করলেন যে, তখন একটা প্রানীর খেয়ে বাঁচার মত কিছু খাদ্য আমার ছিল না। তবে আমার তাকের মধ্যে যৎসামান্য যব ছিল। এ থেকে বেশ কিছুদিন আমি খেলাম। কিন্ত যখন একদিন মেপে নিলাম, সেদিনই তা শেষ হয়ে গেল।” [সহীহুল বুখারী ৩০৯৭, তিরমিযী২৪৬৭]
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “আখিরাতের মুকাবেলায় দুনিয়ার দৃষ্টান্ত ঐরূপ, যেমন তোমাদের কেউ সমুদ্রে আঙ্গুল ডুবায় এবং ( তা বের করে ) দেখে যে, আঙ্গুলটি সমুদ্রে কতটুকু পানি নিয়ে ফিরেছে।” [মুসলিম ২৮৫৮, আহমাদ ১৭৫৪৭,১৭৫৪৮]