আবু সাঈদ নামক শিবিরের আত্নঘাতী জংগীর স্মরন সভায় অধিকংশ চেয়ার খালি দেখে সমযোতার মন্ত্রী হতাশ।
মানুষ জেনে গেছে আবু সাঈদের হত্যা এবং তার লাশের ব্যবহার ম্যাটকুলাস ডিজাইনের অংশ ছিলো আর সবাইকে তো দীর্ঘদিন বোকা বানিয়ে রাখা সম্ভব না- সত্যটা বের হয়ে গেছে।
দুইটা বিষয় লক্ষ্য করলেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ঃ
১] একই সময়ে দুইটা মৃৃত্যু ব্যপক প্রচার পেয়েছে - আবু সাঈদ - যার ছবি পর্যন্ত ব্যবহার করেছে জামায়াত নির্বাচনী প্রচারে - এখনও তা ব্যবহার করা হচ্ছে - আর মুগ্ধ কোথায় হারিয়ে গেলো - তার এক ভাইকে কিনে নেওয়ার পর বিচারের বিষয়ে আলাপও বন্ধ - কারন সে শিবিরের না আর স্নাইপারের গুলিতে নিহত হওয়ায় সেইটা আলাপের বাইরে।
২] সবচেয়ে লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো আবু সাঈদের মামলার রায় - রায়ের এক পর্যায়ে বলা হয়েছে গুলি লাগার জন্যে জামায় ছিদ্র থাকা না থাকা গুরুত্বপূর্ণ না - আর মাথার পিছনে ক্ষত কিভাবে সামনের গুলি থেকে হতে পারে তা আদালতে বিবেচনার বিষয় না বলর রায়ে বলা হয়েছে - এই মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ কয়েক ডজন মানুষকে শাস্তি দিয়েছে জামায়াতের আদালত।
আজ কিছু সুবিধা ভোগী জড়ো হয়েছে আবু সাঈদকে স্মরন করা জন্যে - অচিরেই এই আত্নঘাতী শিবিরের জংগীর স্মরন একটা লজ্জা ও ঘৃৃনার কারন হবে।
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই, জুলাইয়ের প্রথম শহীদ ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ও অনুর্ধ্ব -২০ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মোঃ সবুজ আলী।
. আল্লাহতালা সবুজকে জান্নাতবাসী করুক, আমিন।
প্রচন্ড ভারতবিদ্ধেষী বিষাক্ত ইউনুসের দালাল গোলাম মোর্তাজা ১৭ বছর আওয়ামী বিরোধী প্রপাগান্ডা চালানোর পুরস্কার হিসাবে ওয়াশিংটন দুতাবাসে একটা চাকুরী দিয়েছে ইউনুস - এখন সে রাষ্ট্রের সুবিধা নিয়ে আওয়ামী বিদ্ধেষ চালাচ্ছে নিয়মিত। এই লোক একসময় ডেইলী স্টারে কাজের নামে নিয়মিত ইউনুসের পক্ষে প্রচারনা চালাতো - এই আওয়ামী বিদ্ধেষী চক্র মুলত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী সুশীল পাকিস্তানী।
শেখ হাসিনা আসছেন - ডিসেম্বরে - ছয় মাস বাকী - কিন্তু বাংলাদেশে হাসিনা বিরোধীদের মাঝে আতঙ্কের লক্ষনগুলো প্রকট হয়ে উঠছে - এই বিষয়টির খবর প্রচার নিষিদ্ধ করে নিজেরাই ব্যপক ভাবে প্রচার করছে।
জামায়াতের নেতার মুখে বাংলা সিনেমার নায়িকার ডায়লগ - না না আমি বিশ্বাস করি না উনি আসবেন - না না না।
আর সরকারে কাছে এই ঘোষনা শাঁখের করাতের মতো হয়ে গেছে - এতোদিন বীরদর্পে বলে এসেছে শেখ হাসিনাকে এনে ফাঁসী কার্যকর করা হবে - এখন শিকার যখন নিজেই ধরা দিচ্ছে - তখন সরকার না শুধু ইউনুসের পার্টনার অভ ক্রাইমদের মাঝে আতংকের কারনে এলোমেলো কথা শুনা যাচ্ছে।
যাই হোক - ডিসেম্বর পর্যন্ত পদ্মা যমুনা দিয়ে অনেক পানি গড়াবে - তাই কি হবে না হবে এই বিষয়ে কথা না বলে সাইড লাইনে থাকাই ভালো।
একটা ছোট্ট নোট দিয়ে শেষ করি - শেখ হাসিনার জামায়াতের কোর্টের শাস্তি কার্যকর করার জন্যে জামায়াতের একজনকে কোরবানী দিতে হবে - সে হলো আবুল কালাম আযাদ ওরফে লাল দাঁড়ি হুজুর - সে মৃৃত্যদন্ড মাথায় নিয়ে এই কোর্টে আত্নসমর্পন করে জামিন ও শাস্তি স্থগিত আদেশ পেয়েছে - শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করলেও জেলে পাঠানো জন্যে এই কোর্ট দ্বিচারিতার পথে যেতে হবে - নতুবা লাল দাঁড়িকে ফাঁসীতে ঝুলাতে হবে।
তাই কবিগন বলেছেন - ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না।
৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিলো,
জামায়াতও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিলো,
এই কারণেই ৭১ সাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্র জামাতের পরীক্ষিত বন্ধু 🫶🤝
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বন্ধু ছিল না
বিএনপির নেত্রী নিলুফার মনি হঠাৎ করে স্নাইপার নিয়ে কথা বলা শুরু করলে অনেক ইউটবার ব্যপক উৎসাহিত হয়ে নানান বয়ান তৈরী করে একটা ধারনা দিতে থাকে যে এইবার সত্যটা বের হবে - যা উপদেষ্টা শাখাওয়াত তুলেছিলো - এখানে যারা কথা বলছে এরা বুঝতেই পারেনি - বিএনপি জামায়াত চক্র কতটা নীচে নামতে পারে - ইউনুস স্নাইপারের বিষয়টি ধামাচাপা দিয়েছিলো লাশের ময়না তদন্ত বন্ধ করে - এবার জামায়াত বিএনপি এইটাকে আওয়ামী বিরোধী রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করবে। এইটা যে কতটা অযৌক্তিক তা যাত্রাবাড়ি থানার পুলিশ হত্যার ঘটনা - যা ৫ আগষ্টের বিকেলে ঘঠেছিল তা থেকে প্রমানিত হয় - যখন আওয়ামীলীগ আর দৃৃশ্যপটে ছিলো না - আজকের এটর্নী জেনারেলের কথা থেকে বুঝা যাচ্ছে স্নাইপার ইস্যুতে বিএনপি - জামায়াত চক্র আরেকটা *জজ মিয়া* থিয়োরী নিয়ে এসে আওয়ামীলীগকে দায়ী করে বিচারের ব্যবস্থা করবে। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে সরছে না- বাংলাদেশ আরো অন্ধকারের দিকে হাঁটছে - যেখানে বিচারহীনতা মিথ্যা আর ষড়যন্ত্র হবে রাষ্ট্র পরিচালনার মুল নীতি।
মাত্র ৩ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ছোট্ট এই ভিডিওটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন দিচ্ছে।
. সবাইকে শোনার অনুরোধ করছি।
বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি; তিনি যে দলেরই হোক, বাংলাদেশের চীরায়ত নারীরা, মায়েরা, বোনেরা যারা - তারা কিন্তু স্বার্থ ছাপিয়ে সত্যের পক্ষে কথা বলবে।
শুরু হলো প্রতারণার মাস জুলাই, বাংগালী একবার জাতিগত ভাবে প্রতারিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালে মিরজাফরের মাধ্যমে ইংরেজদের জন্যে আবার ২০২৪ এ প্রতারিত হয়েছে ইউনুসের মাধ্যমে আনেরিকার জন্যে - পার্থক্যটা হলো সেই সময়ে সিরাজকে হত্যা করা সম্ভব হলেও এবার শেখ হাসিনাকে হত্যা করা সম্ভব হয়নি - তাই প্রতারকদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি - ষড়যন্ত্রের অংশীদের মধ্যে দ্বন্দ শুরু হয়েছে মুলত হাসিনার প্রত্যাবর্তনের আশংকায় - অন্যদিকে প্রতারকের লোভ আর জিঘাংসার কারনে সাধারন মানুষের মোহভংগ হয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
যারা এদেশে জঙ্গি হাদীর অবদান দেখতে পান না তাদের উদ্দেশ্যে!!!
" খান'কির পোলাদের সাউ'য়া মাউয়া ছিঁড়ে ফেলামু !"
এক দাড়িওয়ালা, পাগড়ি পরিহিত জ'ঙ্গি প্রকাশ্যেই বার বার এমন অশ্লীল ভাষায় হুমকি দিচ্ছিলো!
জ'ঙ্গি হাদী যে কতটা নিকৃষ্টতর বিকৃত মস্তিষ্কের উন্মাদ ছিলো তার প্রমাণ।
এই বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে কারো মাথাব্যাথা নাই - কারন একটা ম্যাটিকুল্যাস প্লানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মধ্যবিত্তকে একটা বড় অপরাধের অংশীদার বানানো হয়েছে - সেই অপরাধে অংশ নেওয়ার লজ্জায় পুরো জাতি এখনও বোধহীন হয়ে আছে। দ্রুত এই অপরাধ বোধ থেকে বের হয়ে প্রতিবাদ করতে ব্যর্থ হলে জাতিকে চরমমূল্য দিতে হবে।
ইহা না যুবলীগ নেতা হত্যা,
না জেল হত্যা...👇
ইহা মেটিকুলাস #বাঙালি হত্যা চলছে...
ধন্যবাদ ৫ই আগস্ট.
সত্য আজ জানছি ৫৫ বছর পরে..
সর্ব ক্ষেত্রে বাঙালি এবং পাকিবাঙালি রাজাকার মুখোমুখি হয়ে যাচ্ছে...
সর্ব ক্ষেত্র....কি বুঝলেন..?
লড়াইটা হবেই!! প্রমান 👇
নিজে নিজের জন্মদিন পালন করাটা কেমন জানি লাগে, তাই না?
আমরা সবাই চাই আমার জন্মদিনে সবাই যোগ দিক - পাড়া প্রতিবেশী- আত্বীয় স্বজন - বন্ধু বান্ধব সবাই মিলে দিনটাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলুক।
আওয়ামীলীগের ৭৭ তম জন্মদিন পালনের ঘোষনায় সারাদেশে সাজসাজ রব উঠেগেল - পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র সর্বশক্তি নিয়োগ করলো এই দিনটাকে বিশেষ দিন হিসাবে পালন করতে।
আওয়ামীলীগের কি উচিৎ নয় সরকার- ২৪ এর জংগী উত্থানের সকল পক্ষ আর বাংলাদেশের মিডিয়াকে একটা ধন্যবাদ দেওয়া - কারন গত কয়েকদিন ধরে আওয়ামীলীগকে একটা প্রাসঙ্গিক শক্তি হিসাবে তুলে এনেছে।
শুভ জন্মদিন - আওয়ামীলীগ
শুভ জন্মদিন স্বাধীনতার নেতৃৃত্ব দান কারী দল
শুভ জন্মদিন আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর দল।