আগষ্টের পাঁচ তারিখের পর বিএনপির পক্ষে কথা বলার মত আমি খুব বেশি কিছুই পাইনি। অথচ, ২০১৮-১৯ সালে ভাবতাম, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে, তাদের ভালো কাজ গুলো নিয়ে পোস্ট দিবো।
কিন্তু, তাদের সমালোচনা করি কারণ তাদের বেশিরভাগ কাজই খারাপ। একটা দল এভাবে আওয়ামীলীগ ও ভারতের পাল্লায় পরে গোল্লায় যেতে দেখা, জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার ভক্ত হিসেবে আমার জন্যে খুবই দুঃখজনক।
বিএনপি শতভাগ ভালো হবে, এটা আমি কোনদিনও ভাবিনি কিন্তু একটি রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের পর, যেখানে তারা অন্যতম স্টেইক হোল্ডার, তাদের অবস্থা এতটা খারাপ হবে, সেটি মাথায়ও আসেনি।
এভাবে চলতে থাকলে, বিএনপির এমন পতন হবে, ওরা আর জীবনেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না কারণ জনগণ তাদেরকে আর বিশ্বাস করবে না।
বাই দা ওয়ে, এই কর্মীর কোন শাস্তি হবে নাকি সে এভাবেই ওপেনলি দাদাগিরি করে বেড়াবে?
By rejecting the referendum results and allowing key public ordinances to lapse, the BNP has broken its promise to the nation. In this country’s politics, those who break their promises ultimately face dire consequences.
🚨 হরমুজ প্রণালী খুলতে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে আনা প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া এবং চীন!
হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার বিষয়ে বাহরাইনের খসড়া প্রস্তাবটি রাশিয়া এবং চীনের ভেটোর কারণে পাস করতে ব্যর্থ হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। আপাততঃ হরমুজ প্রণালী খুলছে না...!!
সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে যা আমাদের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। শুধুমাত্র জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে দাঁড়ানোর 'অপরাধে' একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলের চারজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত আসামি এবং সময় টিভির পরিচালক তুষার আব্দুল্লাহ। বিএনপি ক্ষমতায় আসার অল্প সময়ের মধ্যেই এমন একটি ঘটনা ঘটায়, স্বাভাবিকভাবেই দায়ভার পড়ছে বিএনপি সরকারের ওপর। এটাই কি সেই 'পরিবর্তন' যার জন্য জুলাইয়ে অসংখ্য তরুণের রক্ত ঝরেছে? এই প্রশ্নটি এখন সবার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে, এবং এর উত্তর খুঁজে পাওয়া দরকার।
গত ১৮ মাস ধরে এই সাংবাদিকদের ওপর কোনো চাপ বা হুমকি ছিল না। তারা নির্বিঘ্নে তাদের কাজ করে যাচ্ছিলেন, জুলাইয়ের আন্দোলনের সত্যতা এবং গুরুত্ব তুলে ধরছিলেন। হঠাৎ করে কেন এই কঠোর সিদ্ধান্ত? এর পেছনে কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, নাকি কোনো অদৃশ্য চাপ? বিএনপির হাইকমান্ড এ বিষয়ে অবহিত নয় বলে মনে হয়, এবং সম্ভবত কোনো নিম্নস্তরের নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তি, যে লীগের লোক - এর কারণে এমনটা ঘটেছে।
কিন্তু এটি একটি বড় ভুল। কারণ, এই সরকার তো জুলাইয়ের রক্তের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে। সেই আন্দোলনের সমর্থকদের শাস্তি দিয়ে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে? এটি শুধুমাত্র অসন্তোষ তৈরি করবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ক্ষতি ডেকে আনবে।
এই ঘটনা থেকে একটি বিপজ্জনক ন্যারেটিভ তৈরি হচ্ছে, যা বিরোধীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। কেউ কেউ মনে করতে পারেন যে বিএনপি জুলাইয়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে, এবং তাই তার সমর্থকদের হেনস্থা করে নেতাদের অনুগ্রহ অর্জন করা যাবে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। স্মরণ করা দরকার, জুলাইয়ের আন্দোলনে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরাই সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন।
তাহলে কেন এমন একটি ন্যারেটিভকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে যা শুধুমাত্র বিরোধীদের স্পেস বাড়িয়ে দিচ্ছে? এটি বিএনপির জন্য স্ব-ঘাতক পদক্ষেপ।
আমার মতে, এই ধরনের ঘটনা থামানো দরকার অবিলম্বে। বিএনপি সরকারকে চাপ দিতে হবে যাতে জুলাইয়ের পক্ষের অধিকার রক্ষা হয় এবং জুলাইয়ের আদর্শকে সম্মান করা হয়। যদি এমনটা না হয়, তাহলে জুলাইয়ের আন্দোলনের ফলাফল শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তন নয়, বরং একই ধরনের দমনমূলক রাজনীতির পুনরাবৃত্তি হয়ে উঠবে। জুলাইয়ের রক্তের মূল্য দিতে হবে সত্যিকারের স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচার দিয়ে, নয়তো এটি একটি হারানো সুযোগ হয়ে যাবে। বিএনপির নেতৃত্বকে এখনই সতর্ক হওয়া উচিত, কারণ ইতিহাস ক্ষমাশীল নয়।