সবকিছুই আমাদের। আমরা রাজা, আমরা বাদশা, আমরা সুলতান , আমরা আল্লাহর খলিফা। আমরা তৈরি করিনা তৈরি করাই। তোদের তৈরি করা ড্রোন, মিসাইল, ফাইটার জেট তোদের পাছা দিয়েই ভরে দিবো ইনশাআল্লাহ। তোরা নিজের তৈরি অস্ত্র দিয়ে নিজেরাই পরাজিত হবি এটাই তোদের জিল্লতি আর আমাদের রবের দেওয়া ওয়াদা☝️✊
অপরদিকে মোল্লা ওমর বা আরবের সিংহরা কথিত বড় আলেম ছিলেন না কিন্তু আল্লাহ উনাদের অন্তরে কি পরিমান ইলিম ঢেলে দিছিলেন সেটা পৃথিবীর সবাই উপলব্ধি করছিলো। আমার কাছে আমাদের ভাই মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানির মতো সিংহরাও তেমনই। উনাদের রূহের গভীর পর্যন্ত ইলিমের নূর ডুকে গেছে ইনশাআল্লাহ
আসলে ইলিম জিনিসটা আল্লাহর রহমতপ্রাপ্ত বান্দা ছড়া অর্জন করা সম্ভব না। আল্লাহর অনুগ্রহ বিহীন আপনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিলেও আপনার ভিতর ইলমের নুর ডুকবেনা। আপনি সর্বোচ্চ শিক্ষিত শয়তান হতে পারবেন।
1/2
দাজ্জালী বিশ্ব সমর্থিত ইউনুসের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছে সম্ভবত জামাতের আবু তাহের। প্রধানমন্ত্রী কেউ একজন হবে কিন্তু সরকার চালাবে আবু তাহের। এজন্যই হকপন্থি ওলামায়ে কেরামরা জামায়াতের চাইতে বিএনপিকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।
আলহামদুলিল্লাহ! তাওহীদের ভূমি শাম বিজয়ের এক বছর। জাওলানী হাফিজাহুল্লাহ আপনি সত্যান্বেষীদের নেতা হিসেবে আগেও ছিলেন এখনো আছেন। আল্লাহ শামবাসীদের উপর আপনার বরকতময় নেতৃত্ব দীর্ঘায়িত করুন (আমিন)
তিন জামাই এর ঘর করা সান্ডা কফিলের দুষ্ট মেয়ের বিরুদ্ধে যদি আবু ত্বাহা সাহেব কোনও লিগ্যাল এ্যাকশন না নেয়, তবে আমার মনে হয়না আর কখনো সে সোজা হয়ে দাড়াতে পারবে। কফিলের দুষ্ট মেয়েকে বিয়ে করে আপনি যে ভূল করেছেন,দ্বীনের যে ক্ষতি করেছেন তার জন্য আপনাকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
সেকুলারদের চাইতে ইসলামিক সেকুলাররা ইসলামের জন্য বেশি ক্ষতিকর। আর সেকুলার ইসলামিস্টদের সাপের মাথা হচ্ছে জামাত-শিবির। এই সাপ ক্ষমতা পাওয়ার আগেই বিষ ছড়াতে শুরু করে দিছে। আসিফ আদনান থেকে গুনবি হাফিঃ সহ অসংখ্য হকপন্থি ভাইয়েরা এই বিষের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে...
কয়েকটা দলিয় বই পড়ে নিজেদেরকে বহুত জ্ঞানী ভাবা জামাত-শিবিরের সাথে ইসলামের কোনও সম্পর্ক নাই। জামাত একটি মডারেট সেকুলার রাজনৈতিক দল। ইসলাম শব্দ বাদ দিয়ে রাজনীতিতে আসলে আশা করি তারা রাজনীতিতে ভালো করবে
“সাত দিনের অ°ন্ধ°কা°র জীবন থেকে ফি°র°লো মু স লি ম কিশোরী”— কিন্তু তার কপালে লেগে রইলো অ◑শু◑ভ সিঁ দু রে র দাগ।
(বাস্তবতার অনুপ্রেরণায়-৫)
অধ্যায় – ১ : নিষ্পাপ কিশোরী
চাঁদপুরের কল্যাণপুর ইউনিয়নের রঙ্গেরগাঁও গ্রামের আলমগীরের মেয়ে। বয়সে অল্প, স্কুলপড়ুয়া, মুখে ব্রণের দাগ নিয়ে কিছুটা অস্বস্তি।
একদিন সে বাজারে গেলো, **“পপুলার ফার্মেসি”**তে। দোকানের মালিক ❝সুজন চন্দ্র সাহা❞— বয়সে চল্লিশের কাছাকাছি।
সুজন তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো,
– “দিদি, তোমার মুখে সামান্য ব্রণ হয়েছে, কিন্তু চিন্তা কোরো না। আমার কাছে এমন ও ষু ধ আছে, দুদিন খেলেই সব উ ধা ও হয়ে যাবে।”
মেয়েটি লা জু ক স্বরে বললো,
– “আচ্ছা ভাইয়া, দেন।”
সেদিন থেকে শুরু হলো প্র◑তা◑র◑ণা◑র খেলা। ওষুধের অ জু হা তে, মিষ্টি কথার ফাঁ◑দে, সুজন ধীরে ধীরে মেয়েটির মনে জায়গা করে নিলো।
অধ্যায় – ২ : অ ন্ধ কা রে হারানো
দিন যায়। মেয়েটি তার বাবাকে না জানিয়ে সুজনের সঙ্গে দেখা করতে থাকে। মিষ্টি প্রে মে র বুলি শুনতে শুনতে তার সরল মন বিশ্বাস করে ফেলে—
“সে সত্যিই আমাকে ভালোবাসে।”
একদিন হঠাৎ মেয়েটি বাড়ি থেকে উ°ধা°ও।
আলমগীর ছুটে বেড়ালেন চারদিকে।
তিনি বি°লা°প করে বললেন,
– “হায় আল্লাহ! আমার মেয়েটা কোথায় গেল? কে নিলো তাকে?”মায়ের বু°ক ভে°ঙে কা°ন্না,
– “আমার ফুলের কলিটাকে ফেরত দাও আল্লাহ!”
কিন্তু সাত দিন কেটে গেল। খোঁজ মেলেনি।
অধ্যায় – ৩ : অ শু ভ সিঁ দু র
সপ্তম দিনে খবর এলো— বাবুরহাট এলাকার এক ভাড়া বাসায় মেয়েটি আছে।
পু◑লি◑শ নিয়ে যাওয়া হলো। দরজা খুলতেই মানুষ স্ত◑ব্ধ।
মেয়েটির ক পা লে সিঁ◑দু◑র।
এক মু°স°লি°ম কন্যা— হি◑ন্দু◑ত্ব◑বা◑দী প্র◑তা◑র◑ণা◑র শি কা র।
মেয়েটি কাঁ দ তে কাঁ দ তে বললো,
– “আব্বা… আমি ভুল করেছি… ওরা জো°র করে আমাকে....…”
আলমগীর ছু°টে গিয়ে মেয়েকে বু°কে জড়িয়ে ধরলেন। চো°খে জল, কণ্ঠে অ°ভি°শ| প,
– “সুজন! তুই আমার মেয়ের ধ◑র্ম কেড়ে নিয়েছিস! আমার মেয়ের ই°জ্জ°ত লু°টে°ছি°স! তোর বি চা র আল্লাহর আ দা ল তে হবে!”
অধ্যায় – ৪ : টাকার প্রহসন
ঘটনাটি ইউনিয়ন পরিষদে উঠলো। গ্রামের মানুষ উ ত্তা ল হয়ে উঠলো, বি চা র চাইলো।
কিন্তু প্র`ভা`ব`শ|`লী`রা টেবিলে বসে হি সা ব কষলো।
চেয়ারম্যান ঠান্ডা গলায় বললো,
– “এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা জ◑রি◑মা◑না দিলে ব্যাপারটা মিটে যাবে।”
ভিড়ের মধ্যে থেকে এক বৃদ্ধ মু◑স◑লি◑ম দাঁত চেপে বললেন,
– “লা-হাওলা! মু স লি ম মেয়ের স°তী°ত্ব, ঈ°ম| ন— সব টাকায় মাপা হয় নাকি? তোমরা আল্লাহকে ভ°য় করো না?”
কিন্তু কেউ শোনলো না। টাকা দেওয়া হলো। সুজন তার মোটরসাইকেল ফেরত পেলো, প্র`ভা`ব`শা`লী`রা ভাগ পেয়ে গেলো, অথচ মেয়েটির ভা°ঙা হৃ দ য় কে আর কেউ ফে রা তে পারলো না।
অধ্যায় – ৫ : আ গু নে র দা বা ন ল
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লো খবর। হাজারো মানুষ লিখলো—
“এটা প্রে°ম নয়, এটা হি◑ন্দু◑ত্ব◑বা◑দী প্র তা র ণা।”
গ্রামের যুবকেরা বি ক্ষো ভে ফেটে পড়লো।
একজন চিৎ কা র করে বললো,
– “আজ এক মু স লি ম বোন, কাল হয়তো আরও দশজন! আমরা কি চুপ করে বসে থাকবো?”
ভিড় থেকে গ◑র্জে উ ঠ লো আরেক কণ্ঠ,
– “আমরা বি চা র চাই! সুজনের মতো ল°ম্প°ট°দে°র শে◑ষ করে দিতে হবে!"আকাশ যেন বি দী র্ণ হলো শ্লো গা নে।
অধ্যায় – ৬ : ভা◑ঙা মেয়ে
মেয়েটি এখনো বেঁ°চে আছে, কিন্তু তার ভে°ত°র°টা মৃ◑ত।
সে রাতে চুপচাপ বিছানায় শুয়ে থাকে, স্বপ্নে এখনো দেখে সেই অ ন্ধ কা র ঘর, সেই ভ য়া ব হ সাত দিন।
তার চোখে জ◑ল, কণ্ঠে ভা◑ঙা স্বর—
– “আম্মু… আমি কি আর কখনো আ গে র মতো হতে পারবো?”মা বুক চাপড়ে কাঁ°দে°ন,
– “মা, তুই তোর মনের মতোই পবিত্র, কিন্তু সমাজ তোকে বুঝবে না… এ দু নি য়া তোকে ক্ষ◑মা করবে না।”
কি শো রী র নিঃশ্বাস ভা◑রী হয়ে আসে।
সে জানে, তার ক◑পা◑লে সিঁদুর মুছে ফেললেও— অ◑শু◑ভ সিঁদুরের দা◑গ তার হৃদয়ে চিরকাল জ্ব ল বে।
🔺সতর্কবার্তা: হি ন্দু ত্ব বা দী ❝ভাগওয়া লাভ ট্র্য|প❞
আজকের সমাজে মু স লি ম বোনদের লক্ষ্য করে এক নোংরা ষ◑ড়◑য◑ন্ত্র চলছে, যার নাম “ভাগওয়া লাভ ট্র্য|প”। প্রে মে র নাটক, মিষ্টি কথার ফাঁ দ, আর টাকার লো◑ভ দেখিয়ে মু স লি ম মেয়েদের ধীরে ধীরে টেনে নেওয়া হচ্ছে হি◑ন্দু◑ত্ব◑বা◑দী ষ ড় য ন্ত্রে র জা লে।
➡️তাদের কৌশল কী?
ও ষু ধে র দোকান, কোচিং, টিউশনি কিংবা ফেসবুক–এসবকে ব্যবহার করে প্রথমে পরিচয় তৈরি করা।
ধীরে ধীরে প্রে মে র অ°ভি°ন°য় করে বিশ্বাস অ র্জ ন করা।
এরপর ধ°র্ম| ন্ত°রি°ত করে সিঁ°দু°র পড়ানো, জো র করে বিয়ে, যৌ◑ন নি র্য| ত নে র শি◑কা◑র বানানো, ভা◑র◑তে পা চা র করা, ভিডিও ধা র ণ করে ব্ল্যা ক মে ই ল করা, বিভিন্ন প তি তা ল য়ে বি◑ক্রি করে দেওয়া।
টাকার বিনিময়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার নামে ধা মা চা পা দেওয়া।
বাকি অংশ কমেন্ট
চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ হবেই ইনশাআল্লাহ। এবং সেটা পাহাড়ের চুড়াতেই হতে হবে। প্রয়োজনে কয়েকটা মসজিদ হবে। যদি বাঁধা আসে তবে রক্তাক্ত লড়াই হবে। আর এই ম্যাসাকারের জন্য সম্পুর্ন দায়ী থাকবে হিন্দুত্ববাদী মালাউন আর ত্বাগুত প্রশাসন...
নিঃসন্দেহে শাইখুনা হারুন ইজহার হাফিঃ হকের উপর আছেন। যারা মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে বাড়াবাড়ি করতেছে তারা পর্দার অড়ালের অনেক ষড়যন্ত্র সম্পর্কে হয়তো অজ্ঞাত। আপনাদের থামা উচিৎ, জানা উচিৎ। ইলিয়াস ভাই সহ যারা আপনাদেরকে চুপ থাকতে বলছেন তারা আপনাদের কল্যাণের জন্যই বলেছেন।
আমার পরিচিত এক দ্বীনি ভাই ডিফেন্সে গেছিলো। অফিসারদের বৈষম্য আর দ্বীন বিরুধি কার্যকলাপ কাছ থেকে দেখে এসেছে। অফিসারদের ভাষ্য হচ্ছে, "সিভিলিয়ান গার্ভেজ" তারা অমানুষ, আর আমরা প্রভু। জনসাধারণকে সালাম দেওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ। এটাই তাগুত মিলিটারিদের অসল চেহারা।
অতএব, ফিরে এসো....
"দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ"
সবাইকে তার কৃতকর্মের প্রাপ্য শাস্তি ভোগ করতেই হবে। দুইদিন আগে বা পরে। এখন বেঁচে যাওয়া মানেই চিরকালের জন্য বেঁচে যাওয়া নয়।
নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী ও ন্যায় বিচারক।
যোগ্যতা অর্জন করা ছাড়া আল্লাহ কাউকে কিছু দেন না। এই দেশের মানুষ শরিয়াহ্ শাসনের যোগ্য না। এমনকি কথিত ইসলামিক লিডাররাও নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্য না। সুতরাং অযোগ্যদেরকে আল্লাহ কখনোই ক্ষমতা দিবেন না।
সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয়না। আমাকে অনেকেই সোস্যাল মিডিয়া তে টানেন কিন্তু আমি এই জগতের লোক না। উল্টা পাল্টা লিখে হয়তো কিছুটা আমার পরিচিতি আছে, এর বাহিরে আমি কিছুইনা। খোঁজ খবর রাখার জন্য মাঝে মধ্যে অনলাইনে আসি। সবার কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো দক্ষতা অনুযায়ী সবাইকে সফলতা দান করেন
এই রোযায় গাজা আক্রান্ত সাথে হিন্দুস্তান ও।
রাসূল ﷺ ফরমান "আমার উম্মতের দুই দলকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করা হবে।
একটি দল, যারা ঈসা ইবনে মারঈয়ামের পক্ষ হয়ে দাজ্জালের(ইজরাইল) বিরুদ্ধে লড়াই করবে৷
আরেকটি দল, যারা হিন্দুস্থানের মূর্তিপূজারীদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে৷