আমেরিকার দালালী করলে রাশিয়া কেন তাকে জাতিসংঘে সভাপতির পদে ভোট দিলো? চীনের দালাল হলে আমেরিকা কেন তাকে ভোট দিলো, রাশিয়ার দালাল হলে আমেরিকা কেন ভোট দিলো!?
শুধু মাত্র ভারত তাকে ভোট দেয়নি, কারণ ভারতীয় আধিপত্যবাদ চায় না বাংলাদেশ বিশ্বমানচিত্রে ভারতীয় বলয়ের বাহিরে সামরিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আর্থিক দিক দিয়ে শক্তিশালী হোক - যার কারণে বাংলাদেশকে ব্রিকস জোটে ঢুকতে একমাত্র বাঁধা ছিলো ভারত!
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী ভূমিকা রাখছে রাশিয়া তথা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন! বঙ্গোপসাগরে মাইন বিছিয়ে দিয়েছিলো আমেরিকা ও পাকিস্তান - কিন্তু সেই মাইন সরাতে গিয়ে শহীদ হয় রাশিয়ার সৈনিক!
রাশিয়ার সমর্থন না থাকলে বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ চলতো, কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হতো ভারত একাই সাহস পেতো না পাকিস্তান ভাঙতে! মুক্তিযুদ্ধের অধিকাংশ অস্ত্র রাশিয়া ভারত হয়ে পাঠিয়েছিলো- কিন্তু, যুদ্ধ শেষের মাত্র ১২ দিন আগে বাংলাদেশে ভারত ঢুকে পাকিস্তান ও রাশিয়া অবশিষ্ট্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটপাট করে নিয়ে যায়- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অস্ত্র ভান্ডার লুট করে ভারত! বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ থেকে লুট করে ভারত!
অথচ, কেউই কি বলতে পারবে- সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা আজকের রাশিয়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এতো বড় অবদান রেখেও, নিউক্লিয়ার বোমার হাত থেকে বাংলাদেশকে বাঁচিয়েও গত ৫৫ বছর রাশিয়া কখনও কি বাংলাদেশ তাদের সৃষ্টি বা বাংলাদেশের স্বাধীনতা তাদের দান এই কথা বলে কোন আধিপত্য বা অহংকার করেছে!?
রাশিয়া আমাদের স্বাধীনতার আসল বন্ধু, ভারত রাশিয়া পিছনে পিছনে নিজ স্বার্থ ও আধিপত্য বিস্তার করে আসছে।
আর, বর্তমানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ২০২৪ এর নির্বাচনেও আমেরিকা বহু চেষ্টা করে বাংলাদেশকে ভারতীয় বলয়ের বাহিরে আনার জন্য - এই কারণে জুলাই বিপ্লবকে ভারত আমেরিকার ফান্ডেড বলে- মুহাম্মদ ইউনূস স্যারকে, খলিল'কে ভারত আমেরিকার দালাল বলে, চীনের দালাল বলে - কিন্তু রাশিয়ার দালাল বলতে পারে না - কারণ ভারত রাশিয়ার বিরুদ্ধে কিছু বলবে না!
কিন্তু, হাসকর হলেও সত্য - আমেরিকা, চীন ও রাশিয়া এই বিশ্ব মোড়ল'রা খলিলুর রহমান তথা বাংলাদেশকেই ভোট দিসে- কারণ একটাই- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বমঞ্চে মুহাম্মদ ইউনূস ও ড. খলিলুর রহমান'রা ভরসা যোগ্য নেতা যারা কোন পক্ষের দালালী করে না, বরং সবার সাথে সুসম্পর্ক করে রেখেছে বহু যুগ আগ থেকেই!
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লেভরভ'কে বলছি- ১৯৮০ দশকে সে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার সাথে একত্রে জাতিসংঘে কাজ করেছে- নিজেকে তাদের শিষ্য বলছে! তাদের কাছে অনেক কিছু শিখেছে বলছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়ার কথা কৃতজ্ঞতা ভরে স্মরণ করছে!
সুতরাং, তাকে রাশিয়ার দালাল বলে না কেন ভারত!?
আসল কথা হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছে- তাদেরকেই আমেরিকার দালাল, চীনের দালাল, পশ্চিমা দালাল, ন্যাটোর দালাল, তুরস্কের দালাল ও পাকিস্তানের দালাল বা পাকি বীজ বলছে-- এগুলোই ভারতের আধিপত্যবাদের প্রোপাগান্ডা।
আগামীতে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মহাসচিব হতে যাতে, তাকে রুখতে একের পর এক মামলা করার অপচেষ্টা করছে ভারত! এখন, হামের টিকা নিয়ে বিপর্যয়ের নিয়ে মামলার আবেদন করেছে বাংলাদেশ থেকে!
ডক্টর খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘের সভাপতি হতে ঠেকাতে পারেনি, এখন ভারত লেগেছে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস যেন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে যেতে না পারে- বাংলাদেশ থেকে ইউনূস স্যার জাতিসংঘের মহাসচিব হলে ভারত আর শেখ হাসিনাকে ফেরাতে পারবে না, আর ভারতীয় আধিপত্যবাদ আন্তর্জাতিক ভাবে ধরা খাবে।
সেজন্য সর্বত্র খলিলুর রহমান ও ইউনূসকে দালাল বানানোর ভারতীয় প্রোপাগাণ্ডা চলছে!
দেশবাসীর উচিত- সারা বিশ্ব যেখানে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস ও ড. খলিলুর রহমান'দের সন্মান ও সমর্থন দিচ্ছে - সেখানে তাদের ছোট করতে বা তাদেরকে ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে কাজ করাতে বাধা যেই ভারত দিচ্ছে - সেই ভারতীয় আধিপত্যের প্রোপাগাণ্ডায় নিজেরা নিজেদের সন্তানদের 'দালাল' ট্যাগ না দেওয়া, তাদের কাঁধেই আগামীর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকে থাকা নির্ভর করে।
তারা বিশ্বের বড় বড় জায়গায় সমর্থন না পেলে, বড় বড় পদে না গেলে- এতো দিনে ভারত আমাদের দেশটা গা*জা বানিয়ে গণহত্যা করতো! সুতরাং, তাদের প্রতিটা কাজের গঠনমূলক সমালোচনা হোক- কিন্তু না বুঝে ভারতীয় আধিপত্যের প্রোপাগাণ্ডার সূরে সূরে 'দালাল' বানানোর বা ভাবার দরকার নেই। তারা এই রিটায়ার্ড করার বয়সেও লড়াই করেই যাচ্ছে- যেন দেশের মানুষগুলো নিরাপদে থাকে ভারতীয় আধিপত্য ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। সংগৃহীত।
❝আমাদের খুশি করতে আপনাদের (শিক্ষকদের) বিএনপি হওয়ার প্রয়োজন নেই, আমরা সেটা চাই না। স্কুল-কলেজ চলবে নিজের স্বত্বায়, নিজস্ব আইনে ও নিয়মে। কোনো দলীয়করণ যেন না হয়।
আপনারা আমাদের সন্তানদের সঠিক ইতিহাস শিখাবেন, ১৭ বছরের বিকৃত ইতিহাস থেকে তাদের মুক্তি দেবেন।❞
৮৪ বছর বয়সেও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পুলিশের কাঁধে ভর করে আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিয়েছিলেন বিএনপি নেতা মরহুম এম, কে, আনোয়ার।
আদালতে বলেন; "মাননীয় বিচারক, আমিও ১৩ বছর বিচারিক দায়িত্ব পালন করেছি, ৩০ বছর সরকারের সচিব সহ উচ্চ পদে চাকরি করেছি, ৫ বার এমপি ছিলাম, ২ বার মন্ত্রী ছিলাম, ৮৪ বছর বয়সে আমি ঢাকায় বসে কুমিল্লায় বোমা হামলার ইন্ধন দিব, এটা কি আপনার মনে হয়?
যারা ১৬/১৭ বছর নির্যাতন করে এখনি অধৈর্য হয়ে মানবতা খুজেন তারা আরও ধৈর্য্যশীল হোন।
পার্থকে সাধুবাদ ক্লিয়ার পলিটিকাল স্টেটমেন্ট দেয়ার জন্য।অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকেও এই অবস্থানে আসতে হবে। যেখানে আওয়ামী লীগ তাদের এরকম বিপদকালীন মুহুর্তেও আমাদের হত্যার হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে,সেখানে এরা রাজনীতিতে ফেরত আসলে আমাদের গুপ্তহত্যার পথ খোলে যাবে।
যে প্রথম আলোরা ২১ আগস্টের বোমা হামলা নিয়ে বিএনপিকে সবসময় দায়ী করে এসেছে। সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপিকে ভিলেন বানিয়েছে।
এমনকি তারেক জিয়া, বাবর, আব্দুস সালাম পিন্টু কে একুশে আগস্ট এর বোমা হামলার আসামি বানানোর ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করেছে।
এখন প্রথম আলোদের কি কোন বিচার হবে না ? মির্জা ফখরুলরা কি এখনো প্রথম আলোর বিপক্ষে কোন বিবৃতি দিবে না ?
I extend my heartfelt condolences on the passing of former US President Jimmy Carter, an icon of peace, democracy, and human rights. As a global statesman, his unwavering commitment to justice and equality has left a lasting mark on the world.
For Bangladesh, his legacy holds a special place. President Carter's support during our country's formative years and his warm relationship with President Ziaur Rahman were instrumental in strengthening the bond between our nations. His contributions will forever be cherished with deep respect and gratitude.
May his life and principles continue to inspire generations to uphold the values of democracy and peace.