কাবাঘরের গিলাফকে সমকামিদের পতাকা দিয়ে বদলে দেয়া, বায়তুল মুকাররমের সামনে দাঁড়ানো মুসলিমদের ব্যানার, ফেস্টুনকে সমকামিদের পতাকা দিয়ে বদলে দিয়ে প্রচার করার সময় শাহবাগিরা কোনো নীতিবাক্য শোনায় নি। পাহাড়ে আজান দেয়ায় শোনাচ্ছে।
এ জাতীয় লোকের চুলকানী আসলে ইসলাম নিয়ে। বাকিসব কথার ফুলঝুরি। সেক্যুলার শিক্ষা নৈতিক মানুষ গড়তে চরমভাবে ব্যর্থ। দেশের এত অপশাসন, দুর্নীতি, অর্থপাচার মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্র বা ধর্মপালন করা মুসলমান করে না। করে সেকুলার শিক্ষায় শিক্ষিত নিধর্মী আর ধর্মের নৈতিকতা না মানা মুসলমান।
বাংলাদেশে সেকুলার শিক্ষা নিয়ে যত বাড়াবাড়ি তার সিকিভাগ যদি নৈতিকতার শিক্ষা নিয়ে হতো দেশটা সত্যি সত্যিই পাল্টে যেতো। “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লঙ্ঘন হচ্ছে” ভেবে যতটা অপরাধ বোধ হয় দুর্নীতি, অপশাসনে ততটা বোধ হয় না। (১/২)
@RaiyanAhmedOmi মাস্ক পড়ে নামায হয় না এইটা কোন হাদিসে আছে? আপনি দয়া করে অবান্তর প্রশ্ন না করে ফিকহ নিয়ে পড়ুন। এর জন্য “এহইয়াউস সুনান” একটা উত্তম বই।
অস্তিত্বের সংকটে পড়ে যে ইসলাম আমি শিখেছি তার হয়ত ৫%ও মসজিদ থেকে শিখিনি। শুনতে ভালো না লাগলেও এটাই বাস্তবতা, অন্তত আমার জন্য। মসজিদের মিম্বারগুলো জীবন বিচ্ছিন্ন অতীতের গল্পে ব্যস্ত। ব্যতিক্রম খুব কমই আছে। যেখান থেকে মানুষ ইসলাম ও যুগজিজ্ঞাসা জানবে সে জায়গাই প্রায় মৃত।