जिस देश-तोड़क जिन्ना के कारण पाकिस्तान-बांग्लादेश में हिंदू मारे-काटे जा रहे हैं,
जिस जिन्ना के कारण आज भी दलित हिंदुओं के साथ निर्मम अत्याचार हो रहा है,
उस जिन्ना का महिमामंडन समाजवादी पार्टी कर रही है...
ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গকে একটি 'পুলিশ রাষ্ট্রে' পরিণত করেছেন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্রমশ রাজনৈতিক দমনের হাতিয়ার হয়ে উঠছে। শাসকদলের দ্বারা অত্যাচারিত রাজ্যের সাধারণ নাগরিকদের তাদের মতামত প্রকাশের জন্য প্রশাসনিক হয়রানি ও ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। এটি কেবল নাগরিকদের মুক্তভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর আক্রমণ নয়—এটি বাংলার স��ৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উপর সরাসরি হামলা। লোকসংগীত, নৃত্য ও নাটকের মতো লোক ঐতিহ্য, যা সবসময় জনগণের কণ্ঠস্বর ছিল, এখন হুমকির মুখে। সাম্প্রতিক উদাহরণ হল উত্তরবঙ্গের একজন ভাওয়াইয়া লোকসংগীত শিল্পী, যিনি তার শিল্পের মাধ্যমে এসএসসি কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে কথা বলার ও সাহস দেখানোর জন্য এখন শাসকদলের গুন্ডাদের কাছে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছেন । সংস্কৃতি ও বিবেকের উপর এই দানবিক আক্রমণ অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।
কেউ চিনতে পারছেন এনাকে?
গেরুয়া পোশাক পরিহিত একজন হলেন তৃণমূল কর্মী এবং আরেকজন হলেন হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে নব্য খ্রিস্টান এক ব্যক্তি।
এই ছবির ছেলেটির নাম শ্রীধর মিশ্রা এবং মাইকেল অনুভব চক্রবর্তী।
সে একজন ধর্মান্তরিত খ্রিষ্টান এবং সেকারণেই নামের আগে মাইকেল লিখে রেখেছেন।
সে একজন ��ৃণমূল কর্মী এবং অন্যজন ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান তৃণমূল কর্মী হতেই পারেন। আমার ব্যক্তিগতভাবে তাদের কিছু বলার নেই।
কিন্তু
হিন্দুদের বিভ্রান্ত করতে গেরুয়া বস্ত্র পরিধান করিয়ে এই সেদিন সনাতনী সন্ত সাজিয়ে নেতাজি ইন্ডোরে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর ইমাম মুজ্জয়েমদের সভায় হাজির করানো হয়েছিল কেন?
এই সব ভাঁওতাবাজি কেন?
প্রশ্ন এটাই, গেরুয়াবস্ত্র পরিধান করিয়ে সনাতন হিন্দু ধর্মকে অবমান���া করতে ইমামদের মঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সভাতে ইনাদের পরিচয় পরিবর্তন করে হাজির করানো কেন হয়েছিল?
একদিকে মালদার মোথাবাড়ি থেকে মুর্শিদাবাদের নওদা, সূতি, সামসেরগঞ্জ ও ধুলিয়ানে আক্রান্ত হচ্ছে হিন্দুরা, মার খাচ্ছে হিন্দুরা, জ্বলছে হিন্দুদের ঘর বাড়ি দোকান, খুন হচ্ছে হিন্দুরা,
অন্যদিকে, এভাবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় হিন্দুদের বোকা বানানোর খেলা কেন খেলছে তৃণমূলের রাজ্য সরকার?
এ বাঙালি হিন্দু আর কত অবমাননা সহ্য করবে...‼️
সংবিধানের শপথ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন কিন্তু তিনি সংবিধান রক্ষা করতে পারেননি, তাই তার পদত্যাগ চাই।
-@DrSukantaBJP , কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য সভাপতি
Shri R.N. Ravi Ji, Hon'ble Governor of Tamil Nadu, called on the Hon'ble Vice-President, Shri Jagdeep Dhankhar at Vice-President's Enclave today. @rajbhavan_tn
"𝐏𝐌 𝐡𝐚𝐬 𝐛𝐫𝐨𝐮𝐠𝐡𝐭 𝐖𝐚𝐪𝐟 𝐀𝐦𝐞𝐧𝐝𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐀𝐜𝐭 𝐧𝐨𝐭 𝐨𝐧𝐥𝐲 𝐟𝐨𝐫 𝐦𝐢𝐧𝐨𝐫𝐢𝐭𝐢𝐞𝐬 𝐛𝐮𝐭 𝐟𝐨𝐫 𝐦𝐢𝐧𝐨𝐫𝐢𝐭𝐲 𝐰𝐢𝐭𝐡𝐢𝐧 𝐦𝐢𝐧𝐨𝐫𝐢𝐭𝐢𝐞𝐬."
- Delegation of Dawoodi Bohra Community
PM Modi interacted with the delegation at his residence at Lok Kalyan Marg. They expressed gratitude for the historic Waqf Amendment Act, addressing their long-pending demand.
ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরোধিতার অজুহাতে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে হিন্দুদের জাতিগত নির্মূল করতে উদ্যত হয় মৌলবাদীরা, সরকার ও প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায়।
হিন্দু পরিবার গুলি, বিশেষ করে মায়েরা, বোনেরা, দুধের বাচ্চা কে কোলে নিয়ে, এক কাপড়ে, ঘর বাড়ি, বিষয় সম্পত্তি, গবাদি পশু ফেলে রেখে প্রাণ ও সম্ভ্��ম বাঁচাতে নদী পেরিয়ে মালদহের বৈষ্ণবনগরের দেওনাপুর-সোভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পারলালপুর হাই স্কুল সহ অন্যান্য জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।
তারপর এই নির্লজ্জ ও বিবেকহীন রাজ্য সরকার কি করলো? ত্রাণ শিবিরগুলো কে ডিটেনশন ক্যাম্পে পরিণত করে দিলো। শরণার্থীদের সংবাদমাধ্যম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি অথবা বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে বাধা দিচ্ছে। আশ্রয়হীন হিন্দুদের কাঁকর ভর্তি চালের ভাত ও পোকা লাগা সবজি দিয়ে রান্না করা মুখে তোলার অযোগ্য নিম্নমানের খাবার খেতে দিচ্ছে।
এলাকার ভারপ্রাপ্ত পুলিশের আধিকারিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া খাদ্যদ্রব্য সামগ্রী ইত্যাদি গোডাউনের ভেতর চালান করছে ও সস্তার মালপত্র শিবিরে সরবরাহ করছে।
এমনকি, যে স্বেচ্ছাসেব���রা মানবিক সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাদের হয়রানি করছে যাতে কেউ সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দেয়। এমনই এক নোটিশের কপি সংযুক্ত করলাম।
এই হিন্দু শরণার্থীরা নির্যাতন ও প্রাণনাশের ভয়ে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে এসেছেন। তাদের প্রতি এমন নিষ্ঠুর আচরণ কেবল অমানবিকই নয়, গণতান্ত্রিক মূল্য��োধের পরিপন্থী। রাজ্য সরকার ও পুলিশের এই নিপীড়নমূলক কার্যকলাপ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা, স্বাধীনভাবে যোগাযোগের অধিকার এবং স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে।
মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করে, তাদের কণ্ঠরোধ করার এই নির্লজ্জ প্রয়াস অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। শরণার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে। স্বেচ্ছাসেবকদের দেওয়া ত্রাণ সামগ্রী শিবিরের ম���্যে সর্বসমক্ষে গ্রহন করতে হবে এবং ব্যবহার ও বিতরণ করতে হবে।
যদি এই নিন্দনীয় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা চলতে থাকে তাহলে এই নির্লজ্জ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবো।
@ANI @PTI_News @DDNewslive @DDNewsHindi @republic @IndiaToday @TimesNow @CNNnews18 @htTweets @timesofindia @the_hindu @indiatvnews @ABPNews@ndtv @DeccanChronicle @DeccanHerald @IndianExpress @BanglaRepublic @akdcalcuttanews @TNNavbharat @ndtvindia @Republic_Bharat
@HindiNews18 @News18India
@aajtak @indiatvnews @IndiaTVHindi @DainikBhaskar @JagranNews @JagranNews @AmarUjalaNews
@Oneindia @oneindiaHindi @asianet @Live_Hindustan @rpbreakingnews @NavbharatTimes @abpanandatv @Zee24Ghanta @Tv9_Bangla @ZeeNews @Republic_Bharat @NewsNationTV @TV9Bharatvarsh
2014 में देशवासियों ने प्रधानमंत्री श्री @narendramodi को सेवा का मौका दिया और मोदी सरकार ने 'विकास भी, विरासत भी' के मंत्र पर चलते हुए देश की महान विरासत को पुनर्जीवित करने का संकल्प लिया।
आज देश जहां विभिन्न क्षेत्रों में तेजी से विकास कर रहा है, वहीं हमारी सांस्कृतिक विरासतों को संरक्षित भी किया जा रहा है। जिससे UNESCO सहित वैश्विक स्तर पर भारत की महान विरासत को सम्मान मिल रहा है।
एक परिवार, एक कंपनी, एक अखबार और ₹2,000 करोड़ का एक ऐसा घोटाला, जिसने देश को सकते में डाल दिया।
नेशनल हेराल्ड घोटाले में गांधी परिवार द्वारा की गई काली कमाई का पर्दाफाश!
देखिए, ये वीडियो...