Member Secretary ,AB Jubo party Feni District. Member, Central Committee, AB Jubo Party. Member, Feni District committee Amar Bangladesh Party- এবি পার্টি
AB Party pays tribute to the victims of genocide during Monsoon Uprising 2024 at Rayer Bazar Graveyard who were buried en masse without any documentation or informing the families. ICT Chief Prosecutor informed the nation about numerous mass graves which are now under investigation for accountability for alleged climes against humanity.
Mojibur Rahman Monju, AB Party Chairman, said that despite the Monsoon Uprising 2024, we cannot see any functional change in our media landscape. Still, the houses are being occupied by old fascists along with partisan hybrids who have been playing foul of the public aspiration.
মজিবুর রহমান মঞ্জু ২০১৩ সালের ৫ মে আলেম-ওলামাদের আন্দোলন দমনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, এরপর দিগন্ত টেলিভিশন, ইসলামিক টেলিভিশন, দৈনিক আমার দেশ ও একুশে টেলিভিশন কীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তা দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করা হলেও তার সুপারিশ কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, সে বিষয়ে জাতি এখনো কোনো স্পষ্ট জবাব পায়নি।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের আগে গণমাধ্যমকর্মীরা মূলত দুই ভাগে বিভক্ত ছিলেন,আওয়ামী ব্লক ও অ্যান্টি-আওয়ামী ব্লক। এখন তারা বিএনপি ব্লক, জামায়াত ব্লক এবং পলাতক-গুপ্ত আওয়ামী ব্লক,এই তিন ধারায় বিভক্ত। জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সত্য তুলে ধরা সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, সংসদে শুধু জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনা করলেই চলবে না; নির্বাচন কমিশনে চুক্তিভিত্তিক অতিরিক্ত সচিব নিয়োগ, রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশনগুলোতে দলীয় নিয়োগ এবং সরকারি দল হিসেবে বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা থেকে সরে আসার বিষয়েও প্রশ্ন তুলতে হবে।
It has been two years since the Monsoon Uprising 2024 and victim families are yet to get justice and accountability. Alleged perpetrators and elements of the deposed regime had been trying day and night to damage the evidence of massacre and systematic genocide on the unarmed protesters.
Bangladesh is scheduled to complete LDC graduation later this year, although the government already applied for suspension or few years of extension due to lack of preparation. Our competitive labour and export markets might seriously be compromised, once graduated. Hence, the government must consider twice before heading to such economic suicide.
বাজেট ২০২৬-২৭: এলডিসি গ্রাজুয়েশনের জন্য বাংলাদেশ আদৌ প্রস্তুত কিনা!
শেষ পর্ব
রপ্তানী-জিডিপি অনুপাত ২০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশে নেমেছে। লুটপাট, দুর্নীতি, ব্যাংক ডাকাতিতে অর্থনীতির ভেতরটা আজ অন্তঃসার শূন্য। মানুষ মুক্তির জন্য হাসফাঁস করছে। এখনো এদেশের অর্থনীতির ৮৫ শতাংশ ইন-ফরমাল। আওয়ামী লীগের লুটপাট-দুর্নীতি-মূল্যস্ফীতিতে জিডিপি'র আসলে কিছুই বাড়েনি। বরং আরো ক্ষয়ে গেছে। প্রকৃত আড়াইশ' কিংবা ৩শ' বিলিয়ন জিডিপি ধরে বাজেটকে মেপে দেখলে এই বাজেট আসলে অনেক বড়। এটি কোনো অবস্থায় জিডিপি'র ২৫ শতাংশের নীচে নয়।
আমাদের বৈদেশিক ঋণ ইতিমধ্যেই দেউলিয়াত্বের স্তরও (৫০%) পার হয়ে ভয়ংকর রেডজোনে (৭৫%) ঢুকেছে। বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্তত দ্বিগুণেরও বেশী টাকা ছাপানো রয়েছে। যে কারণে মূল্যস্ফীতি নিম্নগামী হতে পারছে না। আমাদের স্থির বিশ্বাস, এবারের এই বড় বাজেট সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে শেষ পর্যন্ত আরো টাকা ছেপে সরকারকে ঋণ দিতে হবে। অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নেবার কারণে দেশে সুদের হার কমছে না। ব্যাংক খাতে প্রতিযোগিতা নেই। ব্যাংকগুলোর এতো দুর্দশার পরও সরকারকে উচ্চ মাত্রায় ঋণ দিয়ে তারা লাভ দেখাচ্ছে। অপরদিকে বেসরকারী খাত প্রয়োজনীয় অর্থ পাচ্ছে না। যেটুকু পাচ্ছে তাও উচ্চ সুদের কারণে খেলাপী হয়ে পড়ছে। ফলে অর্থনীতি আজ উৎপাদন বিমুখ।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান স্থবির। অর্থনীতি টানা ৪ বছর ধরে স্ট্যাগফ্লেশনের কবলে পড়েছে। আওয়ামী মিথ্যা পরিসংখ্যানের সংশোধন ছাড়া এর আর কোনো ওষুধ নেই। সরকার এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ৩ বছর পেছানোর কথা বলছে। কিন্তু আমাদের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন তো আজ পেছানোর বিষয় নয়। এটি থামানোর বিষয়। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন থামাতে আওয়ামী পরিসংখ্যান দ্রুত সংশোধন করতে হবে। ফলে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অটোমেটিক থেমে যাবে। বাংলাদেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য ফিরে পাবে বিনা শুল্কে আন্তর্জাতিক বাজারের নিশ্চয়তা। দেশ আবার ভরে উঠবে বিনিয়োগ আর কর্মসংস্থানে। মানুষের আয় বাড়বে। সরকারের কর প্রাপ্তি বাড়বে। অন্যথায় আওয়ামী মিথ্যাচারের দায় এই সরকারকে বহন করতে হবে।
It is sad to see continuous partisan appointments at different state institutions by the ruling party post-Monsoon Uprising 2024. It is also a blatant breach of Art. 8 of 31 point reform proposition of BNP.
বিএনপি’র ৩১ দফার ৮ম দফায় লেখা আছে:
‘সংকীর্ণ রাজনৈতিক দলীয়করণের ঊর্ধ্বে উঠিয়া সকল রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে এসব প্রতিষ্ঠান আইনি সংস্কারের মাধ্যমে পুনর্গঠন করা হবে। শুনানির মাধ্যমে সংসদীয় কমিটির ভেটিং সাপেক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানের সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।’
The ruling government is borrowing BDT 700 crore, around USD 57 million, each day to meet its spending. Tax/VAT collection is not up to the mark and everyone agrees that the annual target cannot be met. Then, there is added challenge of price hike, out of control inflation, youth unemployment all time high and no FDI. Yet, the government is still reluctant about undertaking serious reforms in financial sector and austerity measures.
ঋণ করে ঘি খাবার এই অর্থনীতি আর কতদিন চলবে!
জনগণের যদি আয় না থাকে, তাহলে সরকার তার ব্যয় বাড়িয়ে ফেললে অর্থ পাবে কোথায়? এমন অবস্থায় ধার করা ছাড়া উপায় কি? এখন তো দৈনিক ৭শ' কোটি, বছর শেষে তা দৈনিক হাজার কোটি ছাড়াবে। আর যদি সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করে তো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। গত জুনে সদ্য সমাপ্ত বিদায়ী অর্থবছরে এনবিআরের মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪ লাখ কোটি টাকার মতো। এবার নতুন অর্থবছরের বাজেটে এনবিআরকে টার্গেট দেয়া হয়েছে ৬ লাখ কোটি টাকা আদায়ের। বাস্তবে এবার ৪ লাখ কোটি টাকাও হবে না। কারণ দেশের অর্থনীতি ভয়ংকরভাবে খারাপ হচ্ছে।
খোদ অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ১৯৭২-৭৪ সালেও এতো খারাপ ছিল না। মানুষের আয় কমে যাচ্ছে। বিপুল বেকারত্ব দেশকে গ্রাস করেছে। রপ্তানীতে ধ্বস নামছে। শ্রমিক ছাটাই চলছে। সারা দুনিয়ার অর্থনীতিতেই মন্দা নেমে এসেছে। অপরদিকে ব্যাপক মূল্যস্ফীতিতে জর্জরিত অর্থনীতি। মানুষ কেনাকাটা কমাতে বাধ্য হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভোগব্যয় কমছে। তাহলে সরকার কর পাবে কোথায়? তার ওপর পতিত হাসিনার করা বিশাল ঋণের কিস্তি ফেরত দিতে হচ্ছে সুদাসলে। মেগা প্রোজেক্ট থেকে সেই অর্থ উঠছে না, বিনিয়োগ স্থবির, কর্মসংস্থান নেই। আর এসবের মূলে রয়েছে হাসিনার বানানো জোর করে "মধ্য আয়ের দেশ" প্রকল্প যা ছিল ডাহা মিথ্যা।
আমলাদের চাপে সরকার হাসিনার বানানো মিথ্যা পরিসংখ্যান এখনো সংশোধন করছে না। আবার এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ৩ বছর পেছাতে ধর্ণা দিচ্ছে জাতিসংঘে। এটা তো ৩ বছর পেছানোর বিষয় নয়, এটা এখন থামানোর বিষয়। কারণ ৩ বছর পিছিয়ে লাভ নেই। কমপক্ষে ৩০ বছর পেছাতে না পারলে এদেশে আর কখনোই বিনিয়োগ হবে না, বিনিয়োগ নির্ভর করে বাজারের উপর। দেশে কিংবা বিদেশে সেই বাজারও এখন বাংলাদেশের নেই। মধ্য-আয়ে ফাইনালি গ্র্যাজুয়েট হলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। বাংলাদেশ কিন্তু ভেতরে ভেতরে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে। বেকুবরা বুঝতে পারছে না। আর চতুররা প্রকাশ করছে না।
কোন দেশ যদি দুর্নীতিবাজদের খপ্পরে পড়ে, তাহলে সেই দেশের খুব বেশী ক্ষতি হয় না। কিন্তু যদি বেকুবদের খপ্পরে পড়ে তাহলে সেই দেশ ধ্বংস হতে মোটেই সময় লাগে না। আমরা দিব্য দৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছি, অর্থনীতির যে করুণ দশা সেটা সামাল দিতে না পারলে দেশের অস্থিতিশীলতা বাড়বে, সাথে রয়েছে অভ্যন্তরীন রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। অথচ অর্থনৈতিক থাতকে সংস্কার করবার কোন আগ্রহ আমরা দেখতে পাচ্ছি না।
Farida Akhter, former advisor to the Interim Administration - IA, praised the pool of citizen journalists across the country who recorded and spread the news of Monsoon Uprising 2024 while most of the mainstream media remained silent on genocide and crimes against humanity. She made the remarks at an event organised by the AB Party celebrating the contribution of journalists through the last days of the deposed fascist regime.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সংঘটিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অন্যতম। আবু সাঈদের ছবি এবং আন্দোলনের বিভিন্ন আলোকচিত্র ও ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিকরাই আন্দোলনকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা ও কর্পোরেট মিডিয়াকে এক করে দেখা উচিত নয়। করপোরেট মিডিয়ার একটি বড় অংশ ফ্যাসিবাদী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সংবাদ সেন্সর করেছে। তিনি আরও বলেন, মোবাইল জার্নালিস্টদের ধারণ করা ভিডিও, ছবি ও অন্যান্য আলামত ভবিষ্যতের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ৫ আগস্টের পরও রাষ্ট্র এখনো পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি।
We condemn repeated attacks on National Citizens Party - NCP’s countrywide July March program in different areas seriously injuring dozens of leaders and activists. The nation would like to see different set of democratic behaviours Post-Monsoon Uprising 2024 from the Politcal Parties, particularly the ruling one.
Primary, High School and College teachers much not be allowed to take part in politics and election at any level; if they would like represent electorate, they must leave their respective jobs and join political parties. The similar condition should be applied to all other professionals who are employed by the taxpayers. We, therefore, agree with the decision of the Election Commission, EC, while preparing for the local government election.
We pay tribute to our slain hero of Monsoon Uprising 2024, first ever from the Gen Z generation in the world. You, along with others like you, made red-green flag so proud.
Mojibur Rahman Monju, AB Party Chairman, alleges that the ruling party leaders are not following the instructions of the Rt. Hon. PM but of the deposed regime.
বিএনপির মন্ত্রী ও নেতারা আচরণ ও কথাবার্তায় তারেক রহমানকে অনুসরণ না করে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে অনুসরণ করছে। মজিবুর রহমান মঞ্জু চেয়ারম্যান, এবি পার্টি (বন্যা ও জলাবদ্ধতায় বিপন্ন মানবতার ভোগান্তি এবং দুর্ভোগ' শীর্ষক গণশুনানিতে।
National debt is soaring for years and decades; interest on debt repayment became the top revenue spending this financial year, only after the cost of running the administration. We already called for downsizing government and revising mega development projects to make the budget more accountable.
বাজেট ২০২৬-২৭: ঋণ নেবে সরকার,এর দায় জনগণ কেন বইবে?
মেগা প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ হিসাব ও জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি এবি পার্টির
পর্ব -৪
আমাদের জাতির দুর্ভাগ্য যে, এদেশে এমন আইন এখনো করা হয়নি যে, যে সরকার ঋণ নেবে সেই সরকারের উপরই দায় বর্তাবে সেই ঋণ শোধের। তাই এক সরকার আরেক সরকারের কাঁধে ঋণ ট্রান্সফার করে চলে যাচ্ছে। সেই সরকার চাপাচ্ছে পরের সরকারের কাঁধে-মানে শেষতক জনগণের কাঁধে। এভাবেই চলছে তো চলছেই। আর জনগণ এবং তাদের পরবর্তী-প্রজন্ম সেই ঋণের দায় শোধ করতে কর ও মূল্যস্ফীতির বোঝা নিরন্তর বয়ে বয়ে নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর হচ্ছে। কিন্তু এই ঋণের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু, ফললাভকতটুকু তা কোনো সরকারই কখনই মূল্যায়ন না করে জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে চলেছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তার টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে এই জাতির ঘাড়ে প্রায় ১শ' বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিকেঋণের দায় চাপিয়ে গেছে। যা সুদাসলে পরিশোধ করতে হবে শেষ পর্যন্ত প্রায় ২শ' বিলিয়ন ডলার। এই ঋণের বেশিরভাগই তথাকথিত উন্নয়নের নামে চলে গেছে লুটপাট ও অর্থপাচারে। এজন্য আমরা দেখি ৪ বিলিয়ন ডলারের রূপপুর পারমাণবিক প্ল্যান্ট ১৪ বিলিয়ন ডলারে বানাতে। ২ বিলিয়ন ডলারের মেট্রোরেল ৪ বিলিয়ন ডলারে গড়তে। ১০ হাজার কোটি টাকার পদ্মাসেতু ৪০ হাজার কোটি টাকায় বানাতে। আর এই বাড়তি অর্থের সবই তো রাষ্ট্রীয় বৈধতার আড়ালে পাচার হয়েছে। এই ধারা আজো থামেনি। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুটপাট ও অর্থপাচার হলেও আজ পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো রাষ্ট্রীয় মামলা হয়নি, তদন্ত হয়নি, কাউকে দায়ীও করা হয়নি। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার একটি রহস্যময় শ্বেতপত্র বানালেও সেই শ্বেতপত্র কমিটি রহস্যজনক কারণে কাউকে দায়ী করেনি। কোনো ফাইল তলব করেনি। হাস্যকরভাবে কেবল কিছু সংবাদপত্রের কাটিং ব্যবহার করে রিপোর্ট দিয়েছে।
আমরা বর্তমান সরকারকে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাই। অতীত রাষ্ট্রীয় ঋণ থেকে জাতি কতটুকু কি ফল লাভ করেছে তার মূল্যায়ন প্রতিবেদন মহান সংসদে পেশ করার দাবী জানাই। এসব ঋণের প্রকল্প কি অর্থনৈতিকভাবে ভায়াবল ছিল? এর ভ্যালু ফর মানি কতটুকু ছিল? বিপুল ব্যয়ের এসব উন্নয়ন প্রকল্প যদি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হয়ে থাকে, দারিদ্র্য নিরসন ও জিডিপি'র প্রবৃদ্ধি ঘটিয়ে থাকে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে থাকে তবে তার প্রাপ্তির সঠিক হিসাব প্রকাশ করা হোক। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, যমুনা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলওয়ের মতো মেগা প্রকল্পগুলোকে পুঁজিবাজারে ছাড়া হোক। এ ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন শুধু জাতীয় বাজেট থেকে না করে জনগণের মাঝে শেয়ার ছেড়ে পুঁজি আহরণের জন্য আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, প্রকল্পের বক্তব্য ও কাজের সাথে বাস্তবতার মিল ঘটিয়ে দেখান। দোহাই, জনগণকে আর প্রতারিত করবেন না। তারা দেশের মালিক। তাদের ঘাড়ে সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অযাচিত ব্যয় আর অপচয় চাপিয়ে দেবেন না।
চলবে......
It’s frustrating to see that the heroes of Monsoon Uprising 2024 are not rehabilitated with honour and dignity. Ruling government must not forget that they are the highest beneficiary of their supreme sacrifices.
The deposed regime and its beneficiaries could not fathom the reality of Monsoon Uprising 2024 and still in a state of denial that the India-supported puppet regime has no future of returning anytime soon.
Despite the Rt. Hon. PM’s instruction, the law enforcement agencies are doing little to bring the culprits of July genocide to justice. The ruling party’s own ranks and files are also helping to rehabilitate a large number of local criminals in exchange of cash and ransoms.
Budget is all about manipulating with data and statistics which can make a pauper a taxpayer on the basis of average national income and GDP. It is quite unfair to tax struggling middle class which can only add more discrimination and poverty among its own citizens.
বাজেট ২০২৬-২৭: 'দরিদ্রকে "বিত্তবান" বানিয়ে কর আদায়ের নীতি অমানবিক'- এবি পার্টি
পর্ব - ৫
বাজেট মানে কিছু সংখ্যাতত্ত্বের খেলা নয়। বাজেট কেবলই অ্যাকাউন্টিং নয়। একটি জাতির বাজেটের মূল হচ্ছে- তার দর্শন। বাংলাদেশের বাজেটের মূল দর্শন হচ্ছে দারিদ্র্য এবং বৈষম্য নিরসন। আমরা বৈষম্যের পরিসংখ্যান আগেই দিয়েছি। বৈষম্য বাড়লে কি দারিদ্র্য কমে? অথচ এদেশের সরকার গত ৫৫ বছর দরে এই উল্টো বয়ানই দিয়ে চলেছে। আজ এই দেশের দারিদ্র্যের হার কত? জাতীয় সংসদের এমপিরাও তা জানেন না। রাষ্ট্রের দারিদ্র্য মাপার একমাত্র সংস্থা- বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিক্স বা বিবিএস, যাকে বলা হয় সরকারের মিথ্যা পরিসংখ্যানের খনি, সেই বিবিএস শেখ হাসিনার সর্বশেষ শাসনকালের পর আর এই পরিসংখ্যান অফিসিয়ালি প্রকাশ করেনি। আওয়ামী মিথ্যাচারের সংস্কৃতিতে দারিদ্র্যের সর্বশেষ হার দাবী করা হয়েছিল ১৮ শতাংশ। যদিও অর্থনীতিবিদদের হিসেবে করোনাকালে তা ৪০ শতাংশ ছাড়ায়।
সদ্য-বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গতবছর পরিচালিত পিপিআরসি নামের একটি অর্থনৈতিক থিঙ্কট্যাঙ্কের জরীপে দারিদ্র্যের হার ২৮ শতাংশ বলে প্রকাশ করা হয়। যদিও তা পুরোপুরি সঠিক ছিল না। কারণ এদেশে এখনো দারিদ্র্য মাপা হয় গরু-ছাগলের দারিদ্র্য পরিমাপের ক্যালোরি থিওরিতে। শুধু দিনে ২২শ' ক্যালোরি খেলেই নাকি চলে। যা আজকের আধুনিক দুনিয়ায় এক হাস্যকর পদ্ধতি। এদেশের মানুষের কি আর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পোশাক, বাসস্থান, কর্মসংস্থান কিছুই লাগে না? বাংলাদেশের সংবিধান এদেশের জনগণকে যেসব অধিকার দিয়েছে, সেই হিসেব কষলে এদেশের ৮০ শতাংশেরও বেশী মানুষ আজ দরিদ্র। অথচ এই দরিদ্রদের নিয়ে সরকার আজ উপহাস করছে। অপমান করছে। দরিদ্রদেরও সরকার বলে "বিত্তবান"। তারা নাকি কর ফাঁকিবাজ।
সরকারের পরিসংখ্যান অন্তত তাই বলছে। যদিও এই বিশাল দরিদ্রদের উপর কোনো করই প্রযোজ্য হবার কথা নয়। দারিদ্র্যের এই ভয়ংকর বাস্তবতার কারণেই সরকারের রাজস্ব বিভাগ আজ পর্যন্ত ২ শতাংশের বেশী মানুষের কাছ থেকে আয়কর আদায় করতে পারেনি। এজন্য তারা ৮০ শতাংশ পরোক্ষ কর আদায় করে জুলুমের বাজেট সাজায়। যে কর বস্তুত আজকের সভ্য দুনিয়ায় আবার অচল।
গত করোনাকালের পর থেকেই বাংলাদেশে দারিদ্র্য পরিস্থিতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলেছে এবং বাস্তবে শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতিতে তা প্রকৃতপক্ষে ৫০/৬০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলেও সরকার তার স্বীকৃতি না দিয়ে পুরনো ফ্যাসিবাদী কায়দায় এখনো মিথ্যা পরিসংখ্যানের ফুলঝুরি ছড়াচ্ছে। বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী দুঃশাসন, দুর্নীতি, অনিয়ম, ব্যাংক লুট, বাজেট লুট, অর্থপাচারের পর দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি বর্তমানে কোথায় আছে, তা সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগ সত্যিকারভাবে পরিমাপ করছে না।
চলবে - - -
Mojibur Rahman Monju, AB Party Chairman, pays tribute to students and teachers from religious seminaries who played critical role in Monsoon Uprising 2024 to restore democracy.
'আলেম, ওলামা ও মাদ্রাসা ছাত্রদের প্রতিরোধ: রক্তবিধৌত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জয়” শীর্ষক এবি পার্টির
আলোচনা সভা' অনুষ্ঠিত
৫ মে’র নৃশংসতা দেখে মানুষ গুমরে কেঁদেছে কিন্তু ৫ আগস্টের বীভৎসতার বিরুদ্ধে জনগণ রাস্তায় নেমেছে : ‘এবি পার্টি’
‘যুগে যুগে পরাজিত শক্তি আত্মসমর্পণ করে বা পালিয়ে যায়, কিন্তু তাদের দালাল ও প্রেতাত্মারা আবার সংগঠিত হবার চেষ্টা করে' - মজিবুর রহমান মঞ্জু
আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ৫ মে’র নৃশংসতা দেখে মানুষ গুমরে মরেছে। মা-বোনেরা ঘরে বসে কেঁদেছে, দোয়া করেছে। কিন্তু ৫ আগস্টের বীভৎসতার বিরুদ্ধে নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই রাস্তায় নেমেছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলে তাদেরকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে; এটা হলো বাস্তবতা এবং গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য্য।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ৭১ এ পরাজিত শক্তি আত্মসমর্পণ করে এবং পাকিস্তানে পালিয়ে যায়, কিন্তু তাদের দালাল ও প্রেতাত্মা রাজাকার আলবদরেরা আবার সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নেয়। তালিকা অনুযায়ী তাদের বড় অংশ ছিল আওয়ামীলীগের এবারও ফ্যাসিবাদ পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের কিছু দালাল ও প্রেতাত্মা এদেশে রয়ে গেছে তারা এখন ইনিয়ে বিনিয়ে ফ্যাসিবাদকে প্রাসঙ্গিক করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আলেম-ওলামারাও দলে দলে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সাধারণত আলেম সমাজ সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও জাতির সংকটময় মুহূর্তে তারা বারবার নেতৃত্ব ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ১৯৪৭, ভাষা আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে আলেম সমাজের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে।
তিনি বলেন, আলেম সমাজের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে তারা আপসহীন। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশে আলেম সমাজের পাশে সমাজের বৃহত্তর অংশ দাঁড়াতে পারেনি। এমনকি কিছু রাজনৈতিক দলও শেষ পর্যন্ত তাদের পাশে থাকেনি। এরপর সরকার বিরোধী সব কণ্ঠ দমন করে, যা দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পথকে আরও সুগম করে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, পরে কলেজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যুক্ত হয়। এরপর নারী-পুরুষ, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নামলে গণঅভ্যুত্থান সফল হয়। বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং আলেম-ওলামারা জাতির শ্রেষ্ঠ বীর। তিনি তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে যারা শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তাদের ভূমিকারও সমালোচনা করেন।
Data manipulation during the deposed fascist regime has been a key feature of their development narrative. Nonetheless, the ruling government chose not to amend the financial data before presenting and passing the budget to the national parliament.
আওয়ামী সরকারের মিথ্যা পরিসংখ্যানের সংশোধন না করাটা বাজেটের সাথে প্রতারনার শামিল - এবি পার্টি
পর্ব - ৬
সরকারেরই আরেক উন্নয়ন গবেষণা সংস্থা- বিআইডিএস বলেছে, তিন মেয়াদের আওয়ামী শাসনামলে দেশে প্রকৃত গড় মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। তাহলে ওই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি তো মাইনাস ছিল। অপরদিকে এদেশের দারিদ্র্যরেখার ওপরে দেখানো অন্তত ৩০ শতাংশ মানুষ সব সময় দারিদ্র্যের কালো গহ্বরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। একটু রোগব্যাধি কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা মূল্যস্ফীতি তাদের কাবু করে আবার দারিদ্র্য রেখার নীচে ফেলে দেয়। এ যেন সেই পিচ্ছিল বাঁশ বেয়ে বানরের ওঠা-নামার অঙ্ক।
বর্তমান সংসদেই প্রধানমন্ত্রীই আওয়ামী আমলে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারের তথ্য তুলে ধরেছেন। এতো দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচারের পরও যদি আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া ১৮ শতাংশ দারিদ্র্য আর ৪৬০ বিলিয়ন ডলারের জিডিপি ও ভৌতিকঅর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বয়ান বিএনপি সরকার সঠিক বলে মেনে নেয়, তাহলে এদেশের জনগণ হয়তো শিগগিরই বলবে, "আওয়ামী লীগই তো ভালো ছিল। সার্ফ-এক্সেলের বিজ্ঞাপনের মতো- "দাগ থেকে যদি হয় নতুন কিছু, তাহলে দাগই তো ভালো।'
এই সরকার বিগত আওয়ামী সরকারের দেয়া ১৬ বছরের মিথ্যা পরিসংখ্যানের কোনো সংশোধনের ব্যবস্থা না করেই, তার উপর দাঁড়িয়ে, সেইসব মিথ্যা পরিসংখ্যান মেনে নিয়ে এবার যে বাজেট দিয়েছে তাকে ডাহা জোচ্চুরি ছাড়া আর কি কিছুই বলা যায? আমাদের মনে হয় আওয়ামী স্বৈরাচারকে দুধে-ধোয়া পবিত্রতার বৈধতা দিতেই যেন বিএনপি আজ সরকারে আসীন হয়েছে। এ প্রসঙ্গে একটি গল্পের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। এক ডাকাত তার মৃত্যুশয্যায় ছেলেদের ডাকলো। তারপর তাদের বললো, "বাবারা, সারাজীবন ডাকাতি করেছি, মানুষের ক্ষতি করেছি। কিন্তু আমার মৃত্যুর পর তোমরা এমন কিছু করবে, যাতে লোকে আমাকে ভালো বলে, প্রশংসা করে।' তারপর সে মারা গেল। এরপর ডাকাতের ছেলেরাও ডাকাত হলো। তারাও বাবার মতো পুরোদস্তুর ডাকাতি শুরু করলো। কিন্তু তারা বাবাকে মহান বানাতে ডাকাতির সাথে আরেকটি বিশেষ কাজ যুক্ত করলো। ডাকাতি করে সব লুটে নেবার পরে তারা ওই বাড়ীটিও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে আসতো। এরপর লোকজন বলাবলি শুরু করলো, আরে এদের বাপই তো ভালো ছিল। ডাকাতি করলেও বাড়ীটাতো অন্তত পোড়াতো না। আজ বিএনপি কি আওয়ামী লীগের তেমন সন্তানের দায় নিলো? তা না হলে কেন তারা লুটপাটের আওয়ামী পরিসংখ্যান বাতিল না করে তার উপর নিজেদের ঝাণ্ডা মেলে ধরছে? মিথ্যা প্রবৃদ্ধির আওয়ামী জিডিপিকে ধারণ করে এখন দিচ্ছে ৫শ' বিলিয়ন ডলারের জিডিপি অর্জনের হাস্যকর গল্প। মাথাপিছু ৩ হাজার ডলার আয়ের বানোয়াট তথ্য। এর মানে কি? ৩ হাজার ডলার মানে ৪ সদস্যের একটি পরিবারের বার্ষিক আয় দাঁড়ায় ১২ হাজার মার্কিন ডলার। টাকার অংকে যা প্রায় ১৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ মাসিক আয় সোয়া লাখ টাকা। এ কি অবিশ্বাস্য তথ্য! এই টাকা কোথায়? এদেশের কত শতাংশ মানুষ মাসে সোয়া লাখ টাকা আয় করেন? ২ শতাংশ? তাহলে মাথাপিছু আয় মানে কি মাথার পেছনে থাকা আয়? যা কিনা দেখা যায় না?
এ প্রসঙ্গে আরেকটি গল্পের কথা বলতে চাই। নাসিরুদ্দিন হোজ্জা একদিন বাজারে গিয়ে দেখেন মাংসের দাম খুব খুব সস্তা হয়ে গেছে। তিনি দু'কেজি মাংস কিনে ছেলেকে দিয়ে বাড়ী পাঠালেন। আর বললেন, তোমার মাকে বলবে ভালো করে রান্না করতে। রাতে বাড়ী ফিরে আমরা সবাই খাবো। অতঃপর হোজ্জার স্ত্রী দুপুরে মাংস রাঁধতে গিয়ে কেমন সিদ্ধ আর ফ্লেবার মিলছে তা পরখ করতে শুরু করলেন। তিনি নিজে এক টুকরা খান এবং ছেলেকেও এক টুকরা দেন। স্বাদে অভিভূত হয়ে এভাবে দুই মায়ে-পুতে খেতে খেতে চুলার উপর থেকেই দু'কেজি মাংস সাবাড় করে ফেললেন। এরপর তাদের হুঁশ ফিরলো। ততক্ষণে সব শেষ। স্বামীর জন্য তো কিছুই রইলো না। অবশেষে হোজ্জার স্ত্রী নতুন বুদ্ধি আঁটলেন। রাতে হোজ্জা খেতে বসে মাংস না পেয়ে প্রশ্ন করলেন, মাংস রাঁধোনি? স্ত্রী উত্তর দিলেন, মাংস তো রেঁধেছিলাম, কিন্তু বাড়ীর বিড়ালটি সব চুরি করে খেয়ে ফেলেছে। হোজ্জা তখন বিড়ালটি ধরে ফেলে দাঁড়িপাল্লায় মেপে দেখলেন তার ওজন ২ কেজি। তখন স্ত্রীকে প্রশ্ন করলেন, এটি যদি বিড়াল হয় তাহলে ২ কেজি মাংস গেল কই? আর এটি যদি মাংস হয় তাহলে বিড়াল গেলো কই? এখন আমাদের প্রশ্ন- জিডিপি যদি ৫শ' বিলিয়ন আর মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার হয়, তাহলে তার ট্যাক্স বা কর গেলো কই? আর কর-জিডিপি অনুপাত সাড়ে ৬ শতাংশ হলে, প্রকৃত জিডিপি-ই-বা গেলো কোথায় এবং মাথাপিছু আয়ই-বা কোথায়? সব বানোয়াট।
চলবে - - -
It was a long overdue event but the Interim Administration could not remove President Chuppu installed by the deposed fascist regime due to current ruling party’s reluctance. We call upon the government to impeach Chuppu for alleged corruption, breach of oath and constitution.
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়ে দুর্নীতি ও লুটপাটে জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত আইনী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি এবি পার্টির।
ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে সরাতে ছাত্রদের লেগেছিল ৩৬ দিন, রাষ্ট্রপতিকে সরাতে বিএনপির লাগল ১৫৮ দিন: এবি পার্টি
দেরীতে হলেও পদত্যাগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ফ্যসিস্ট শেখ হাসিনার আশীর্বাদপুষ্ট সাহাবুদ্দিনের সরে যাওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) পার্টির নেতৃবৃন্দ। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম জুলাইয়ের সকল অংশীদারদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত এই বিতর্কিত ব্যক্তির অপসারণ বা পদত্যাগ। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল বিএনপি শুরু থেকেই এ ব্যপারে সম্মত ছিলোনা। অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তহীনতাও এ ব্যপারে কম দায়ী নয়। বিএনপি বার বার সাংবিধানিক শূন্যতার কথা এবং রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেয়ার বিষয়টিকে সামনে এনে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর পতিত ফ্যাসিবাদের পুতুল এই বিতর্কিত ব্যক্তিকে দিয়ে সংসদে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে বক্তব্য দেয়ানোর মাধ্যমে পুরো পরিস্থিতিকে আরও হাস্যকর এবং তামাশার বিষয় বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ইমপিচমেন্ট করার উদ্যোগ গ্রহণেও বিএনপি পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
নেতৃদ্বয় বলেন, চেপে বসা ফ্যাসিবাদের মূল শেখ হাসিনা, তার চোর-লুটেরা মন্ত্রী পরিষদ, পদলেহনকারী চিফ জাস্টিস, পুলিশ বাহিনীর হোতাবৃন্দ, দালাল সাংবাদিকগণ, ব্যবসায়ীসহ প্রধান চরিত্রের বেশীরভাগ অংশকে বিতাড়িত করতে সংগ্রামী ছাত্র-জনতার লেগেছিল মাত্র ৩৬ দিন। এর জন্য লেগেছিল সকলের ঐক্যবদ্ধতা। সংবিধানের দোহাই, সংসদ, আইনের ফাঁকফোকর কিছুরই প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু ফ্যাসিবাদের অংশীদার পুতুল রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরাতে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী বিএনপি’র লেগেছে ১৫৮ দিন। এর অন্তরালে কি উদ্দেশ্য ও বিধেয় কাজ করেছে তা আশাকরি জনগণ বিবেচনায় নেবে।এবি পার্টির নেতারা সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ব্যপারে দুর্নীতি, ব্যাংকের টাকা লুটপাট ও পাচারসহ আনীত সকল অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত আইনী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।