My historic visit to Japan marks an important step forward in strengthening the longstanding friendship and strategic partnership between Bangladesh and Japan.
Bangladesh and Japan share a longstanding friendship built on mutual respect and trust. My father, Shaheed President Ziaur Rahman, helped lay the foundations of this relationship. My late mother, Prime Minister Begum Khaleda Zia, built on that foundation and further strengthened our ties through her visits and engagement with Japan.
Today, I had a highly productive summit meeting with Prime Minister @takaichi_sanae, where we reaffirmed our shared commitment to democracy, the rule of law, economic development, and a peaceful, stable and prosperous Indo-Pacific.
Our discussions focused on translating this partnership into tangible opportunities for the people of Bangladesh.
We explored emergency financial assistance of JPY 50 billion (approximately USD 320 million) under Japan’s Partnership for Power Asia initiative to strengthen Bangladesh’s energy security.
We also held encouraging discussions on the potential for up to JPY 1 trillion (approximately USD 6.3 billion) in Japanese private-sector investment over the next five years, with the prospect of creating around 200,000 jobs in Bangladesh. These investments could accelerate industrialisation, expand manufacturing capacity, and create new opportunities for our young workforce.
I proposed establishing a Bangladesh–Japan Tech Park to advance cooperation in artificial intelligence, cloud computing, robotics, electronics manufacturing, and advanced technologies. We also discussed cooperation in space science and satellite engineering, alongside Japanese technical and financial support for high-speed rail connectivity linking six major divisional cities and the development of modern transport infrastructure.
A significant outcome of our summit was our shared commitment to advance the Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B) initiative into a new framework for shared prosperity. This renewed cooperation will focus on integrated development of energy, deep-sea ports, industrial infrastructure, technology, and regional connectivity, strengthening Bangladesh’s position as a bridge between South and Southeast Asia.
We also discussed the early implementation of the Bangladesh–Japan Economic Partnership Agreement, stronger institutional cooperation, and the proposed establishment of a ministerial-level joint commission to translate our shared priorities into concrete results.
I expressed Bangladesh’s appreciation for Japan’s continued humanitarian assistance to the Rohingya population and called for its sustained engagement in securing their voluntary, safe, dignified and sustainable return to Myanmar.
Japan was among the first countries to recognise Bangladesh’s independence and has remained a trusted development partner throughout our journey. I conveyed the sincere gratitude of the people of Bangladesh for Japan’s friendship, generosity, and longstanding support.
As Bangladesh moves forward following democratic elections, my government is determined to build an economy driven by investment, innovation, infrastructure development, and meaningful employment opportunities.
On behalf of the people and the Government of Bangladesh, I thank Prime Minister Sanae Takaichi, the Government of Japan, and the Japanese people for their warm hospitality and continued confidence in Bangladesh.
Let's deepen the multifaceted ties between Bangladesh and Japan for a stronger, much better, and more prosperous future together.
🇧🇩 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী @trahmanbnp জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশে ফিরেছেন।
এ সময় তাঁর সফরসঙ্গী হিস���বে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।🌹🌹
আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিএন��ির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, এমপি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ ও জনগণের স্বার্থের প���্ষে এবং একটি শান্তিময় বিশ্বসমাজের প্রত্যাশায় বাংলায় ভাষণ দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, রোহিঙ্গা সংকট, ফিলিস্তিন ইস্যু, জলবায়ু ন্যায়বিচার, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও তরুণদের সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
তিনি জানান, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করছে। ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামতের জন্য সরকার Recovery, Restoration এবং Reconstruction অর্থাৎ 3-R কৌশল অনুসরণ করছে।
বাংলাদেশের সামনে এখন এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক ও সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও অগ্রাধিকার তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু ন্যায়বিচার, জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
পাশা���াশি, জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং ��াতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
@bdbnp78
🇧🇩 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী @trahmanbnp ও ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচ @AndrejPlenkovic এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আজ বুধবার (২৩ স��প্টেম্বর ২০২৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে @UN জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
দুই প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সহ��োগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘসহ বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
@bdbnp78
🇧🇩 রাজধানী ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচল করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী @trahmanbnp
একইসাথে কীভাবে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ ���্রতিরোধ করা যায়, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যায় এবং নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকার চারপাশে নৌপথ চালু নিয়ে এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচ��� করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সভায়। এছাড়া আগ্রহী বেসরকারি কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিবেচনা করে নৌপথে তাদের ওয়াটার বাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় ��ৌপথ সচল করার পাশাপাশি কীভাবে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ প্রতিরোধ করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যায় এবং নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নদীর চারপাশে নির্মিত ওয়াকওয়ের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন, যাতে পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এবং নদীর তীরের সৌন্দর্য বৃদ��ধি পায়।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
@bdbnp78
@BNPBdMediaCell
🇧🇩 একটি সুস্থ, মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার।
একটি সুস্থ, উদ্যম�� ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশই বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ভিত্তি। তাই সরকার ক্রীড়াকে কেবল শরীরচর্চা, বিনোদন অথবা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে নয়, বরং পেশা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে ক্রীড়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
সরকা��� ক্রীড়াকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ��িবেচনা করছে। এরই অংশ হিসেবে তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন চলছে। গত ২ মে ২০২৬ ঐতিহ্যবাহী সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬'-এর উদ্বোধন হয়েছিল। এরপর যথারীতি সারাদেশে আটটি ইভেন্টে সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় ২৭ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশব্যাপী আয়োজিত 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬'-এর প্রথম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
আমি বিশ্বাস করি, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের এই বর্ণিল আয়োজন একটি কার্যকর ও টেকসই ভিত্তি রচনা করবে। দেশের ক্রীড়া বিকাশে এই সময়োপযোগী ও সুদূরপ্রসারী উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
আজকের শিশু-কিশোর তারুণ্যই আগামীর বাংলাদেশ। তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ক্রীড়া মানুষকে শৃঙ্খলাবোধ, অধ্যবসায়, নেতৃত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়।
'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থ��কে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, পরিচর্যা ও বিকাশের একটি কার্যকর জাতীয় কাঠামো গড়ে উঠছে। আমি বিশ্বাস করি, এই কর্মসূচি ভবিষ্যতের জাতীয় দল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী ক্রীড়াবিদ তৈরির একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
আমাদের সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানস��্পন্ন করে গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএস��ি)-তে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা এমন একটি ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে প্রতিভা, পরিশ্রম ও যোগ্যতাই হবে সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড।
নতুন কুঁড়িকে আরও সমৃদ্ধ এবং প্রাণবন্ত করতে আরও কয়েকটি নতুন ইভেন্ট যুক্ত করা হবে। 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২০২৭' আসরে টেবিল টেনিস ও ভলিবল সংযোজনের মাধ্যমে ইভেন্টের সংখ্যা ১০-এ উন্নীত হবে। একই সঙ��গে অধিকসংখ্যক প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১২-১৪ বছর থেকে সম্প্রসারণ করে ১০-১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'-এর এই খুদে খেলোয়াড়রাই একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকাকে গৌরবের সঙ্গে বহন করবে, দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদাকে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করবে।
আমি 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬'-এর প্রথম আসরে অংশগ্রহণকারী সকল খুদে ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, বিচারক, আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক এবং এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে আবারও আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬'-এর ��মাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান শায়রুলের https://t.co/CwPHP342kX( বাংলাদেশে সামাজিক পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় তায়কোয়ান্দোর মতো
আত্মরক্ষামূলক ক্রীড়া গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে
স্কুল-কলেজ পর্যায়ে সচেতনতা
ও
প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা গেলে
তা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে
🇧🇩🇲🇾🇨🇳: মালয়েশিয়া ও চীন সরকারের আমন্ত্রণে প্রথম সরকারি বিদেশ সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশে ফিরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন)-এর ১৬তম কার্যদিবসে অংশ নেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সফল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে তাঁকে ধন্যবাদ জানান�� হয়। জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জনগণের কল্যাণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা | ২৭ জুন ২০২৬, শনিবার
#NationalParliament @PMO_Bangla68 @trahmanbnp @bdbnp78
China supports Bangladesh's new government in its smooth administration and stands ready to carry out high-quality Belt and Road cooperation with Bangladesh, Chinese President Xi Jinping said on Friday.
China is willing to map out key cooperation with Bangladesh and tap into the potential for collaboration in green and low-carbon development, digital economy, information technology, artificial intelligence and other fields, Xi said when meeting with Bangladeshi Prime Minister Tarique Rahman in Beijing.
BNP Chairman and Honorable Prime Minister Tarique Rahman attended the plenary session of the World Economic Forum’s (WEF) Annual Meeting of the New Champions 2026 in Dalian, China, as an invited guest.
Themed “Innovating at Scale”, the forum focuses on global economic transformation, artificial intelligence (AI), emerging technologies, energy transition, innovation-driven growth, and China’s economic future.
This high-level plenary session was attended by Prime Ministers from seven countries, alongside delegations from over 90 countries and regions across the world.
Honorable PM Tarique Rahman’s participation is expected to boost Bangladesh’s efforts to attract investment, expand trade, and create new employment opportunities.
#PM #TariqueRahman #BNP #Bangladesh #WEF #SummerDavos2026
#China