Suspicious activity by India's BSF was detected through BGB's thermal imaging camera at the Durgapur border in Lalmonirhat. BGB immediately issued a warning, stating that action would be taken if they did not leave the area within five minutes.
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কারা শহীদ করেছিল? ওসমান হাদীকেই বা কারা শহীদ করেছিল?
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পেছনে কাদের হাত ছিল?
মুসলিম লীগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতাদের একজন খাজা সলিমুল্লাহকে কারা বারবার হত্যার চেষ্টা করেছিল?
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমীনকে কারা হত্যা করেছিল?
উত্তর একটাই। প্রতিবেশী। হ্যাঁ আমাদের পিও প্রতিবেশী।
এই লিস্ট অনেক দীর্ঘ।
খাজা সলিমুল্লাহ মুসলিম লীগ গঠনের পর মুসলমানদের ��াঝে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে।
তখন হিন্দুত্ববাদীরা তাঁর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার শুরু করে।
যখন অপ্রপচারে কাজ হচ্ছিলো না তখন তারা সলিমুল্লাহর মাথার দাম ঘোষণা করে।
৮ মার্চ ১৯০৭ সালে সলিমুল্লাহ ও তাঁর সঙ্গীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা থেকে ট্রেনে ওঠেন।
ট্রেন চাঁদপুর এসে হঠাৎ কাৎ হয়ে যায়।
ট্রেনের ড্রাইভার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সলিমুল্লাহ ও তাঁর সঙ্গীদের দ্রুত লাফ দিতে বলেন।
তাঁ��া সবাই ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়েন এবং সেদিনের মতো বেঁচে যান।
সেদিন শেরে বাংলা একে ফজলুল হকসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা ট্রেনর যাত্রী ছিলেন।
পরে জানা যায়, কয়েকজন উচ্চশিক্ষিত হিন্দুত্ববাদী তাঁদের সবাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে ট্রেন লাইনচ্যুত করেছিল।
আরেকটা ঘটনা���
একজন বাঙালি ব্রাহ্মণ ইসলাম গ্রহণ করার দাবি করে খাজা সলিমুল্লাহর কাছে আশ্রয় নেয়।
খাজা সলিমুল্লাহ তাকে থাকার জায়গা, খাবার ও আর্থিক সহায়তা দেন।
কিছুদিন পর আহসান মঞ্জিলের একটি ভবনে বারবার চুরির ঘটনা ঘটতে থাকে। যা এর আগে কখনো হয়নি।
কর্মচারীদের সন্দেহ এই ব্রাহ্মণের ওপর পড়ে। পরে তাকে পুলিশের হাতে দেওয়া হলে তদন্তে তার আগের অপরাধের রেকর্ড পাওয়া যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, সে একটি গোপন সংগঠনের নির্দেশে খাজা সলিমুল্লাহকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং এর জন্য ৭ হাজার টাকা পুরস্কারও নির্ধারিত ছিল।
মসজিদে এর আগে দুইবার সুযোগ পেয়েও ছুরি মারার সাহস করেননি। তার কাছ থেকে বন্দেমাতরম পত্রিকার কিছু কপিও পাওয়া গিয়েছিল।
তার নাম ছিল ইন্দ্রমােহন গুপ্ত।
অথচ সলিমুল্লাহ অনেক সময় তার সঙ্গে ব��ে একত্রে আহার করতেন এবং নগদ টাকাও দিতেন।
তিনি মাসে তাকে ৫০ টাকা করে দিতেন। অথচ ঢাকায় তখন একজন শ্রমিকের মজুরি ছিল ৩-৫ আনা মাত্র।
চিন্তা করুন। তারা যে পাত্রে খায়, সে পাত্রে হাগে। অকৃতজ্ঞ। আপনার কি মনে হয় না যে, এখনও আমাদের দেশের সমস্যার মূল এরাই?
#IndiaOut
#BoycottIndiandalals
উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ভারত যে 'ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ' কে ভয় পায়। এদের আধিপত্যবাদী মনোভাব বাংলাদেশে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের এজেন্টদের দ্��ারা এরা নানান ইস্যু নিয়ে এসে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি করে রাখে সবসময়।
#Indaiout
UP: सरकारी जमीन पर बनी होने के दावे पर मस्जिद पर चला बुलडोजर!
संभल ज़िले के कसेरवा गाँव में, अधिकारियों ने 'मस्जिद मुस्तफ़ा क़ादरी' नाम की एक मस्जिद को गिराने की कार्रवाई कल शुरू कर दी, जो कथित तौर पर सरकारी जमीन पर बनाई गई थी!
अधिकारियों ने बताया कि यह कार्रवाई सरकारी ज़मीन से कब्ज़ा हटाने के अभियान के तहत और तहसीलदार कोर्ट के बेदखली आदेश के पालन में की जा रही है।
Indian Army Kargil War veteran exposed Indian Army failures and called them “Dalal of Modi."
He said, “India ke Ghaddar ho tum, Bech dia hai tumne India ko, Bura time achuka hai."
He got arrested by Indian police for this statement.
A large crowd of millions attended a protest in Assam against the politicised Indian army for killing minorities across India on Modi’s orders.
India will be divided soon if the Indian army continues to oppress innocent people.
যাক গানডু গুলো শেষ পর্যন্ত পুরুষ হয়ে উঠল।
"এটিই সম্ভবত ভারতের প্রথম জেন-জি আন্দোলন!
ভারতের নয়া দিল্লিতে, ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত অ��স্থান কর্মসূচিতে ''ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP)-এর সমর্থকেরা জড়ো হয়েছেন।
মাত্র অল্প কিছুদিনেই এই ��করোচ জনতা পার্টি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে ইন্ডিয়ায়৷ "
✍🏻GenZ
#GenZ #cockroachjantaparty
রংপুরে ঠিক এই জায়গায় পলাশবাড়ীতে একটা সুবিশাল রাম মুর্তি হচ্ছে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার উদ্বোধন করছে। একই জায়গায় আরেকটা সুবিশাল কৃষ্ণমুর্তি হইছে সেইটাও উদ্বোধন করছে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার। এই পলাশবাড়ীতেই গীতা মহোৎসব হইছে। এইখানেও আসছে ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার।
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় তাদের ধর্মাচার করবে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু ইন্ডিয়ান হাই কমিশনারকে ডাকতে হয় কেন? আমি ভাবলাম পলাশবাড়ীতে মনে হয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বেশী। খোজ নিয়ে দেখলাম। পলাশবাড়ী উপজেলায় ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী হিন্দু জনসংখ্যা ১৫,৬৪০ জন। সেসময় উপজেলার মোট জনসংখ্যা ছিল ২,৪৪,৭৯২; মুসলিম ২,২৯,০৩০, হিন্দু ১৫,৬৪০, বৌদ্ধ ৪, খ্রিস্টান ৫৩ এবং অন্যান্য ৬৫। অর্থাৎ হিন্দু জনসংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬.৪%, আর মুসলিম ৯২.৪৮%। তার মানে সবচেয়ে কম হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা এইটা।
তবে স্ট্রাটেজিক লোকেশনটা দেখেন। আমাদের দেশের জন্য ভৌগোলিক ভাবে নাজুক একটা জায়গা। এতো বড় বড় স্থাপনা, মুর্তি করার অর্থায়ন কোথায় থেকে আসছে? আমাদের গোয়েন্দারা কি এই সংবেদনশীল নাজুক ভৌগোলিক জায়গায় একের পর এক সুবিশাল মুর্তি বসানোর বিষয়টা ক্রিটিক্যালি এনালাইজ কর্ছেন?
✍🏻 পিনাকী ভট্টাচার্য @PinakiTweetsBD ধন্যবাদ ভাইয়া @zamanmostafabd দেখেন
#ShameOnBNP #India_Out #IndiaOut
A heartfelt plea from the Bengal's peoples
Didi, you must come back again, the whole Bengal want you, they are crying today...Joy Bangla
🚨 You can take away a chair of power by stealing votes, but not the throne of the people's hearts.
#MamataBanerjee#WestBengal#nsfwtwtًً
Location: Alwar, Rajasthan
Date: June 4
VHP–Bajrang Dal members disrupted a Christian prayer meeting in Tanwar Colony, alleging that illegal religious conversions were being carried out under the guise of prayer. They dragged the pastor out of the house, assaulted him, and tore his clothes before handing him over to the police. The groups alleged that religious materials were recovered from the site and forced him to admit to conducting conversion, accusing the pastor of converting more than 15 people. Police later took him into custody and launched an investigation.
মিশন হরিদাস:
উত্তরাঞ্চল গ্রাসের শব্দহীন নীলনকশা
সবাই যখন হরিদাসের বাহ্যিক আলোচনা আর সস্তা সমালোচনা নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক তখনই পর্দার আড়ালে অলক্ষ্যে বোনা হচ্ছে এক ভয়ংকর এবং অমোঘ জাল। যাকে সাধারণ মানুষ একজন সাধারণ ব্যক্তি মনে করছে, সে আসলে সাধারণ কেউ নয়—সে একটি রাষ্ট্রের সুক্ষ্মতম এবং দীর্ঘমেয়াদী ভূ-রাজনৈতিক মারণাস্ত্র।
হরিদাসের আসল পরিচয়, তার পেছনের মাস্টারমাইন্ড কিংবা তার চূড়ান্ত মিশন কী—তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে।
উত্তরাঞ্চলের পলাশবাড়ীর মাটিতে আজ যে মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, সেটি কোনো সাধারণ উপাসনালয় নয়। এটি একটি "ট্রোজান হর্স"। মাস্টারমাইন্ডদের ছক অত্যন্ত নিখুঁত। ধর্মের আবেগকে ঢাল বানিয়ে হরিদাসকে প্রথমে জনমানসে এক অলৌকিক বা পরমেশ্বর রূপ দেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু আসল খেলা শুরু হবে এর পর। ধর্মের এই মোহ তৈরি করে হরিদাস ধাপে ধাপে ��্রবেশ করবে মূলধারার জাতীয় রাজনীতিতে। রাষ্ট্রযন্ত্রের শীর্ষ ক্ষমতা, সংসদ কিংবা নীতি-নির্ধারণী আসনগুলো একে একে চলে যাবে হরিদাসের কব্জায়। ততদিনে আর কিছুই করার থাকবে না।
এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হবে আন্তর্জাতিক মানের এক বিশাল তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটন নগরী। দেশ-বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার কোটি টাকার পুঁজিতে ছেয়ে যাবে গোটা উত্তরাঞ্চল।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই বিপুল অর্থ���র লোভ আর অন্ধ মোহের সামনে নিজেদের বিক্রি করে দেবে এক শ্রেণীর মুসলিম ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ। তারা সেখানে রিসোর্ট, হোটেল আর ব্যবসার পসরা সাজাবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের এই মধুর সম্পর্কের আড়ালে মুসলিমদের মন থেকে ‘আগ্রাসনের’ ভয় দূর করে দেওয়া হবে। ধীরে ধীরে তারা হরিদাসের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠবে। এটি কোনো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নয়, এটি হলো "কালচারাল ও ইকোনমিক সাবভার্সন" (সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দাসত্ব)—যেখানে শিকার নিজেই তার শিকারিকে ভালোবাসতে শুরু করে।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, উত্তরাঞ্চলের মতো কট্টর ও ঐতিহ্যবাহী একটি রাজনৈতিক ঘাঁটিতে কোনো বাধা ছাড়াই কীভাবে এত বড় সাম্রাজ্য গড়ে উঠছে?
উত্তরটা লুকিয়ে আছে নেপথ্যের ভগবানের (ভারত) গভীর চালে। এখানকার বর্তমান নেতৃত্ব কিংবা ক্ষমতা কাঠামো কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। এটি "ডিপ স্টেট"-এর একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। এমন এক নেতৃত্বকে বসিয়ে রাখা হয়েছে, যেন সাধারণ মুসলমানরা যখন এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জেগে উঠতে চাইবে, তখন এই নেতারাই ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে, পবিত্র বাণী শুনিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে স্তিমিত করে দেবে। অর্থাৎ, প্রতিবাদের আগুন নেভানোর জন্য নিজেদের লোককেই ফায়ার ফাইটার হিসেবে ব্যবহার করা হ��্ছে।
খুব দ্রুতই এই কেন্দ্রটি বিশ্ব দরবারে পরিচিতি পাবে। দান-অনুদানের নামে আসা শত শত কোটি কালো টাকা সাদা হবে এই অঞ্চলের প্রভাবশালীদের পকেটে গিয়ে। স্থানীয় নেতারা রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ নয়, এক একটা বিশাল ‘কুমির’ হয়ে উঠবে। আর হরিদাস তার মিশনের চূড়ান্ত সাফল্যের জন্য টাকার এক দুর্ভেদ্য পাহাড়ের ওপর গিয়ে বসবে।
এখন আমাদের করণীয় কী?
উত্তরটা নির্মম এবং নিষ্ঠুর:
আপনার বা আমার করণীয় কিছুই নেই।
আপনি চাইলেও আর হরিদাসকে থামাতে পারবেন না। কারণ এই দাবার বোর্ডের চাল কোনো ব্যক্তি দিচ্ছে না; এই বোর্ডের পেছনে বসে আছে স্বয়ং একটি পরাশক্তি। যখন কোনো অদৃশ্য শক্তি পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র, অর্থ ও রাজনীতিকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলে, তখন সাধারণ মানুষের চিৎকার কেবলই অরণ্যে রোদন। উত্তরাঞ্চল আর আগের মতো থাকবে না—এটি হতে যাচ্ছে একটি নির্দিষ্ট মতবাদের নিঃশব্দ মিলনম���লা, যা পুরো ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে প্রস্তুত।
একটি প্রশ্ন আপনার বিবেকের কাছে: আপনি কি সত্যিই ঘুমাচ্ছেন, নাকি আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে?