জুলাই চলে যাচ্ছে, কোন স্মৃতিরোমন্থন করা না হলে কেমনে হয়...
পাচ বান্দা আমরা ১৯ তারিখে এলাকায় সাক্ষাৎ পুলিশের হাত থেকে বেচে যাওয়ার পর ৬ তারিখ পর্যন্ত অনেকের বাসায় কাটিয়েছি। এর মধ্যে একদিন সুবিদবাজারের সেফ হাউজের দায়িত্ব ছিল ফজরে সবাইকে ডেকে দেওয়া,
শিবির দুই প্রকার।
এক প্রকার নাসিরের মতো, অতীত নিয়া কোনো পিছুটান নাই, এরপর নতুন দলে গেলেও শিবির নিয়া কোনো চুলকানি নাই।
আরেক প্রকার হচ্ছে নিচেরটার মতো, সে শিবির। পরিচয় ঢাকতে সিগারেট খাবে, বাম সাজার ভং ধরবে, সন্ত্রাসী করে বেড়াইবে, ঘরকুনো ভীতু হয় এরা, আর হ্যা ইন্টেলেকচুয়াল সাজে
এটা চিরন্তন যে, সাবেক শিবির কেও আঘাতপ্রাপ্ত হলে আমাদের অন্তর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। হোক সে ভাই শিবিরের পরে বিএনপি, এনসিপি বা এনআরসি করে।
একই অনুভুত হয় নাসিরের উপর নিশ্চিত হামলা দেখে।
আমি হলে অফিসিয়াল প্যাডে বিবৃতি দিতাম, আমাদের সাবেক কে ঘেরাও করার প্রতিবাদে, প্রয়োজনে অন্য কিছুও...
ওয়ার্ডে থাকাকালীন সময়ে এক উপশাখায় একটা ছেলের মৃত্যু হয় (অসুস্থতায় মৃত্যু, বয়স: ১১ কি ১২)।
সেদিন ছিলাম, দেখলাম তার খেলার সাথীরা থ হয়ে গেছে। একজন রীতিমতো হাটতে পারছে না শোক সামলাতে গিয়ে।
ফুলদের মৃত্যু সত্যিই বেদনাবিধুর
সহি, শ্রাবণী
বিপ্লবের ক্ষনে এক অসুস্থ, মানসিকভাবে অস্থির কিছু লোক রয়ে গেছে, ক্রিকেট খেলোয়াড়দের যারা স্বৈরাচারের পা চাটা ছিলো। তাদেরকে কিছুদিনের জন্য ঘৃণা করলেও, এখন ওদের অবস্থার জন্য এরা সমব্যথী।
উভয়ের তরে আমার চ-বর্গীয় গালি টা বরাদ্দ!
ওহ! খেলা দেখা আঠারোতেই বাদ দিয়েছি
মায়ের মনের অবস্থা বুঝা ভারি দায়!!
অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বাসের পাশের গ্লাস ভেঙে গেছে। পুরো ঘটনা আমি নিজে দেখেছি। আমি যে বাসে আছি, এর দোষ নেই। বঙ্গদেশে রাস্তার যে হালচাল, পাশের গাড়িটা উঁচুনিচু রাস্তায় হেলে গিয়ে গ্লাস ভেঙে দিছে।
মা কল দিয়ে জিগায় কোন সমস্যা হয়েছে কিনা?
শাহজালালের লাকড়ি ভাঙা!
সিএনজিতে উল্টা পাশে বসা সনাতনী মহিলা জিজ্ঞেস করছে, লাকড়ি দিয়ে পরে কি করে?
জবাব দিলো সামনের প্যাসেঞ্জার: আজ থেকে ১৫ দিন পর উরুস, ঐখানের শিরনি পাকায় এই লাকড়ি দিয়ে।
- এগুলা কি আল্লাহর নামে ভাঙে?
- হুম!
inner me: bruh...(!)😶