@VNouka শেখ হাসিনার বিচারের পর
প্রথম উনার হত্যার বিচার হোক ।
যতক্ষন খুনি হাসিনা র বিচার শেষ হবে না
সকল বিচার এর দাবী স্তুগিত থাকুক ।
ইতিহাসের নির্মমতম খুনির বিচার এর আগে অন্য বিচারের দাবী খুনি কে বাঁচানোর ষড়যন্ত্র ।
বাংলাদেশের রাজনীতিবীদ দের প্রকৃত চরিত্র চিনবেন কিভাবে? তাদের মিথ্যা কথা ধরবেন কিভাবে??
এই ভিডিও টা আমাকে রাজনীতিবীদ দের উ���র থেকে বিশ্বাস সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিয়েছে এবং তারা যে কতবড় মিথ্যাবাদী হতে পারে তা প্রমাণ করেছে।
যখন দেখবেন কোন রাজনীতিবীদ সরাসরি কোন ব্যাক্তির নাম ধরে সর্বোচ্চ পরিমাণ সমালোচনা করছে, তখন ৯০ ভাগ নি��্চিত থাকতে পারেন ঐ ব্যাক্তিটির সাথেই তার গোপন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
জনসমাবেশে অর্থাৎ মানুষের সামনে যতবেশি সমালোচনা করবে, ধরে নিবেন ব্যাক্তিগত ভাবে সে তত বেশি আপনজন।
আর যখন দেখবেন ক্ষমতায় থাকার পরেও কোন ব্যাক্তিগত সমালোচনা করবে না, কোন কথা বলবে না, শুধুমাত্র চুপচাপ কাজ করে যাবে তখন বুঝবেন সে সত্য কথা বলছে।
কারণ ক্ষমতায় থাকলে তো কথা বলার দরকার পড়ে না, চুপচাপ ক্ষমতা দিয়ে কাজ করে ��েলেই শত্রুকে ঘায়েল করা সম্ভব।
একারণে যারা এখন সরাসরি আওয়ামীলীগের কঠোর সমালোচনা করে, আমার বিশ্বাস তাদের সবার সাথেই আওয়ামীলিগের গোপন আতাত রয়েছে; যেমন সালাউদ্দিন, পার্থ, নুরু এদের সাথে আওয়ামীলীগের গোপন সম্পর্ক থাকা অস্বাভাবিক না। একারণেই বাইরে জনসভায় খুব বেশি আওয়ামীলীগ বিরোধী ভাব ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে।
Is this Jamiat’s “reward” for serving the #BNP?
In Narayanganj, a Jamiat Ulema-e-Islam Bangladesh leader’s residence was reportedly demolished by a Chhatra Dal (JCD) leader. The #Jamiat leader has warned that he will give a “crushing response” in return.
দেশে বিদ্যুত আর গ্যাস নিয়ে হাহাকার চলছে । বিদ্যুত বিভাগে ঘাপটিমেরে থাকা কিছু আওয়ামি এজেন্ট এগুলো করাচ্ছে ।
যেমন পিডিবির মেম্বার অন্জনা খান মজলিশ প্রথম চাঁদপুর ( বাহাউদ্দিন নাসিম গ্রুপের পক্ষ হয়ে দিপ��� মনির সাথে ঝামেলা হবার তাকে নেত্রকোনায় ডিসি করা হয় ) পরে নেত্রকোণার ডিসি ছিল ।
এখন সে দাবী করছে সে নাকি বিএনপি পরিবারের মেয়ে । এরকম অনেক অন্জনা লুকিয়ে আছে প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে । তবে পুলিশ কিছুটা হলেও ক্লিনজিং করেছে।
পতিত আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ, চাঁদপুর ও নেত্রকোনা জেলার ডিসি, বর্তমানে যুগ্মসচিব, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য ফাইন্যান্স। বি���নপি সরকার কি এগুলো দেখেও দেখছে না!!! শেখ হাসিনার একান্ত সচিব কাজি নিশাত রসুল এর অত্যন্ত ঘনিষ্ট সহযোগী এই কর্মকর্তা।
জানা গেছে, এই কর্মকর্তার স্বামী একই ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারে, আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক। আওয়ামী লীগের সময়ে একজন কর্মকর্তার ডিএনএ টেস্ট অর্থাৎ দলীয় পরিচয় ব্যাতিত কাউকে জ���লা প্রশাসক পদে পদায়ন করেনি। সেখানে এই অফিসার দুই দুটো জেলার ডিসি ছিলো, সে কিভাবে প্রেজেন্ট বিএনপি মতাদর্শ হতে পারে, বা এতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারে, সেটাই প্রশ্নের অবকাশ রাখে।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিলের যে কারসাজি হয়েছে, শোনা যায়, এটায় অঞ্জনা খান মজলিশ এর সম্পৃক্ততা রয়েছে। সারাদেশের মানুষ এই বিদ্যুৎ বিলের বিষয় এ ক্ষুব্ধ।
( জনতার একটি অংশকে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ ক��ে তোলার জন্য অঞ্জনা খান মজলিশ অত্যন্ত সুকৌশলে এই কাজটি করেছেন মর্মে ধারণা পাওয়া গিয়েছে) ইতোমধ্যে বিরোধী দলের লোকজন সচিবালয় ঘেরাও করেছিলো।
সরকারে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে স্যাবোটেজ নয়কি! জুলাই বিপ্লব হৃদয়ে ধারন করে না - এমন কর্মকর্তাকে পলিসি এবং ডিসিশন মেকিং পদে বসালে এমন ঘেরাও কর্মসুচী আগামীতে আরো দেখতে হবে।
বিগত সময়ে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন যাচাই করে পদায়ন দেয়া হতো। এখন পদায়ন বেশ ফ্রি-স্টাইলে (যে যেভাবে ম্যানেজ করতে পারছে ) হচ্ছে বলে একাধিক উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা দাবি করেছেন।।।
গত ৬/০৮/২৬ তারিখ আওয়ামী আমলের দুই জেলা চট্টগ্রাম ও ঢাকার তৎকালীন ডিসি মমিনকে জনপ্রশাসনে সংযুক্ত করা হয়েছে ।
শুধু এক ডিসিকে ( মোনাজাতি ডিসি ) সংযুক্ত করলেই বৈষম্যবিরোধী সমাজ খুশি হয়ে যাবে না!!!
প্রশাসনের র��্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা বহুরূপী দোসরদের ফিল্টারিং করে বের অন্জনা খান মজলিসের মত একজন হাই প্রোফাইলের আওয়ামী পন্থী কর্মকর্তা ( সাবেক আইজিপি বেনজিরের সাথে ঘনিস্ঠ যোগাযোগ রাখতেন )যিনি চাঁদপুর ও নেত্রকোনার ডিসি ছিল লংটাইম তিনি নাকি এখন বিএনপি পরিবারের মেয়ে!!!
JRA