জর্জিয়ার গোলাপ বিপ্লবের পরে যখন সাকাশভেলী সরকারপ্রধান হলেন, তখন পূর্বের প্রায় ২৫০০০ পুলিশ ও আর্মি যারা আগের সরকারের অনুগত ছিলো তাদের ছাঁটাই করেন। আজ জর্জিয়া একটি অগ্রসর দেশ। শিক্ষা হলো বিপ্লব বা পটপরিবর্তনের পর কখনো আগের সরকারের আমলাদের রাখতে নেই। তারা পতিত স্বৈরাচারের খুঁটি।
📝হোসনি মোবারক
একটি ছোট রাস্ট্র কিভাবে শক্তিশালী পড়শী দেশের ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে ঠিকে থাকতে পারে তা দেখিয়েছেন জিন্নাহ ৪৭ সালে এবং শহীদ জিয়া ৭৬ সালে। আজ আমরা এই দুজনের দর্শন ভুলতে বসেছি।
@Mirajj2ET@BeefIsLove@prettywitch_uk@Rebel_X_Prince@bidrohi24
https://t.co/9X08hCq3Ho
আওয়ামী পলাতকরা আগামী বিশ তারিখ লকডাউন ডেকেছে। প্রিয় দেশবাসী কেউ আতংকিত হবেন না, পাত্তাও দেবেন না। সবাই কর্মস্থলে যাবেন। আমি, আমরা, আমরা সকলে Danda 🏑 নিয়ে রাস্তা পাহারা দেবো। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। ✊
@That_Shia@BeefIsLove@Mirajj2ET
🇧🇩 #MyBNP🌾 সরকারের প্রধানমন্ত্রী @trahmanbnp সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যরা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সম��েদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাদের সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন। তাঁরা দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’
শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্��েশে তারেক রহমান বলেন, ‘এই শোকের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকব। সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় আপনাদের পরিবারের পাশে থাকবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালেও সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে।’
পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।
এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় তাঁদের পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে তাঁদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়���ছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য শহীদ হন। তাঁরা হলেন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক এবং সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার।
মো. ��াসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক।
@bdbnp78
ব্যাপার তাহলে এই। পালিয়ে থেকে বলে তার উপর "mob" হয়েছিলো। অথচ এতো বছর বিএনপির ছেলেদের পড়াশোনা করতে দেয়নি সাদ্দাম, নাহিয়ান, রাব্বানীরা। তো এরা কিভাবে ন্যায়বিচার আশা করে। এখন ডিন অ্যাওয়ার্ড নেয়নি তো নেয়নি। তাতে কিছুই আসে যায় না।
@IconusClustus মিশরের corrective revolution যেটা আনোয়ার সাদাত করেছিলো জানো তো?
যাকগে। আওয়ামী লীগের আমলেও অনেক বিএনপির ছাত্র পড়ালেখা শেষ করতে পারেনি। তাদের কি হয়েছে? উত্তর লাইফ শেষ হয়ে গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় জিন্নাহর অবদান--
অনেকেই হয়ত জানেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তিন নম্বরে যে ব্যক্তিটির নাম আসে তিনি হলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
সবার আগে ��াম আসবে খাজা সলিমুল্লাহ। এরপর নাম আসবে নওয়াব আলী চৌধুরীর। তিন নম্বরে যে ব্যক্তিটির নাম আসবে তিনি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বিলটি ব্রিটিশ লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে অনুমোদন করার দরকার ছিল। তো সেখানে তো ডিবেট হয়। ডিবেটে কে যাবে ?
পুরো ভারতে তখন উকিল হিসাবে জিন্নাহর নাম ডাক ছড়িয়ে পড়েছে। বোম্বে প্রেসিডেন্সির নির্বাচিত প্রতিনিধি আবার জিন্নাহ। তো ঢাকার মুস��িম নেতারা জিন্নাহকে অনুরোধ করেন যেন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বিলের পক্ষে লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে অংশ গ্রহণ করেন।
তুখোর উকিল জিন্নাহ মাত্র ৫ মিনিটে হিন্দুদের তৈরি সকল ন্যারেটিভ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে প্রমাণ করে দিলেন যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করাটা কেন জরুরি এবং এর প্রভাব শুধু বাংলা নয় বরং সমস্ত উত্তর ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের উপরে পড়বে। ১৯২০ সালে এই লেগিসলে���িভ কাউন্সিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বিলটি পাস হয়।
অপর দিকে গড়ের মাঠে বিশাল সমাবেশ ডেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ��াকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন।
আজকে ঢাবিতে জিন্নাহর স্থান নাই। অথচ রবীন্দ্র মূর্তি ঠিকই আছে। এমন অকৃতজ্ঞ জাতি আমরা। আসলে আমাদের জন্য হিন্দুদের গোলামি ঠিক ছিল।
[ তথ্য সূত্রঃ গ্রন্থ/নথি: Proceedings of the Council of the Governor General of India Assembled for the Purpose of Making Laws and Regulations (1919–1920), Volume LVIII (58) & Volume LIX (59), Government Printing Press, Calcutta / Delhi (1920)]