Kudos to the West Bengal Police for a Major Breakthrough.
On precise intelligence inputs, the Special Task Force (STF) conducted extensive raids across multiple locations near Sarberia Bazaar in Kumrakhali, Basanti, and Sandeshkhali areas.
Forces have successfully seized a massive cache of illegal firearms and ammunition hidden away to disrupt peace.
I highly appreciate the prompt actions and exemplary coordination of the DGP; West Bengal Police, the STF Team and Basirhat Police District Personnel for this successful operation.
For years under the previous regime, such illegal weapons were stockpiled and used ruthlessly to terrorize common citizens. This culture of violence claimed the precious lives of numerous opposition party workers, particularly dedicated BJP Karyakartas, who stood up against tyranny.
Those dark days are over. Our Government remains unconditionally committed to restoring Law and Order. We will continue to track down, unearth, and recover every single piece of illegal firearm across the length and breadth of West Bengal. Criminal activities and Political Terrorism will be completely wiped out from our State.
Peace, safety and Democracy will prevail.
@AmitShah@HMOIndia
DGP @WBPolice@BasirhatD
Mission মাদক!
সালটা ২০২৩,২৬ জানুয়ারি। একটি গোপন সূত্রে খবর মেলে যে, আসামের দিমাপুর থেকে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা নিয়ে একটি গাড়ি দুর্গাপুরের দিকে রওনা দিয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই সাঁইথিয়া থানার সাব- ইন্সপেক্টর পলাশ কুমার দত্ত অত্যন্ত তৎপরতার সাথে গাড়িটিকে আটক করেন এবং তৎক্ষণাৎ সাঁইথিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করেন।
মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন ওই থানার সাব-ইন্সপেক্টর আবু আখের। তিনি ঘটনাটি খতিয়ে দেখে যথাযোগ্য তদন্ত শুরু করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেন এবং সমস্ত তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে নিখুঁত চার্জশীট দাখিল করেন।
সম্প্রতি এই মামলার রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্ত— আসিকুল ইসলাম, গুরবিন্দার সিং, চন্দনদীপ সিং এবং সেখ তাজিউদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা সহ ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@BirbhumPolice
আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের উদ্যোগে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করা হয়েছে।
প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে আমাদের এই উদ্যোগ। একটি একটি করে গাছ মিলেই গড়ে উঠবে সবুজে মোড়া এক সুন্দর পৃথিবী, যা আগামী প্রজন্মের জন্য নিশ্চিত করবে একটি সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ।
Observance of 'World Environment Day' on 5th June, 2026 in different Police Stations under SPD in presence of respectable dignitaries. A plantation programme highlighting environmental conservation inspired by the motto 'একটি গাছ মায়ের নামে' (Ekti Gaachh Mayer Naame).
বধূ নির্যাতনে সাজা ঘোষণা
মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার খরগ্রাম থানার পুনিয়া এলাকার ঘটনা। বাবু দাস বিয়ে করে এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েকে। বিয়েতে সাধ্যমত পণের সামগ্রী দিয়ে মেয়েকে বিয়ে দেন অসহায় বাবা। তবুও, সংসার শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই নববধূর উপর শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি– কেউ বাদ দিত না নির্যাতন। অশান্তি আর অত্যাচারে জটিল হয়ে ওঠে দাম্পত্য।
এমনই একদিন, ঝামেলার পর, শশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে নিজের গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় মেয়েটি। নিমেষের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যান তিনি।
এরপর, মেয়েটির বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয় খড়গ্রাম থানায়। তদন্তভার বর্তায় যথাক্রমে দুই তৎকালীন সাব-ইন্সপেক্টর, বর্তমানে ইনস্পেক্টর, বাবিন মুখার্জী ও তন্ময় ভক্তের উপর। তাঁদের তত্ত্বাবধানে অভিযুক্ত বাবু দাস, ভানু দাস ও সাগর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সবশেষে, মামলার অন্তিম তদন্তকারী অফিসার, তৎকালীন সাব-ইন্সপেক্টর, পার্থ সারথী দে তদন্ত শেষে নিশ্ছিদ্র চার্জশীট জমা করেন।
দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর সম্প্রতি মহামান্য আদালত অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে বাবু দাস ও ভানু দাসকে ১০ বছরের কারাদণ্ড সহ প্রত্যেককে ১০,০০০/- টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, অন্য আর এক অভিযুক্ত সাগর দাসকে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
@SPMurshidabad
নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন: যাবজ্জীবন কারাবাস দোষীদের
২০২১ সালের ২৪ এপ্রিল। বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানের মধ্যে নাবালিকাকে বিভিন্ন কৌশলে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার উপর যৌন নির্যাতন চালায় মানব রায় ও বিশ্বদেব রায় নামের দুই অভিযুক্ত। ঘটনাটি জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের অন্তর্গত ময়নাগুড়ি থানার।
বিষয়টি পরিবারের নজরে আসা মাত্রই ময়নাগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর মনিভূষণ রায় তৎক্ষণাৎ তদন্তে নেমে গ্রেফতার করেন অভিযুক্তদের। এরপর সমস্ত তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দাখিল করেন চার্জশীট।
মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে সদ্য। মহামান্য আদালত দুই অভিযুক্তকেই ৩০,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড সহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
যদিও কোনও ক্ষতিপূরণই যথার্থ নয়, তবু, মহামান্য আদালত মানবিক দিক বিবেচনা করে নাবালিকার পরিবারের জন্য ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
যৌন নির্যাতনের মত এহেন ঘৃণ্য কাজের যথাযোগ্য শাস্তি পেয়েছে অভিযুক্তেরা।
@JPG_Police
সদ্যজাত সন্তানকে হত্যা— যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাবা-মায়ের!
হুগলী গ্রামীণ জেলা পুলিশের পাণ্ডয়া থানার বৈঞ্চি গ্রাম। সেখানেই বয়ে চলেছে মারি খাল। ওই খালের জলেই হঠাৎ একদিন একটা শিশুর মৃতদেহ ভাসতে দেখে এলাকার কিছু মানুষজন। ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০ সালের ঘটনা। সঙ্গে-সঙ্গে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে।
এই নৃশংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাণ্ডুয়া থানায় মামলা দায়ের হয়। তদন্তের দায়িত্ব পান ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর বুদ্ধদেব সরকার।
তদন্তে নেমে তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানতে পারেন যে, পূর্ণিমা টুডু নামের এক মহিলা বেশ কিছু মাস ধরেই গর্ভবতী ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তাঁর সন্তান হওয়ার কোনো খোঁজখবর পাওয়া যায় নি। ফলে সন্দেহের প্রথম তীর গিয়ে পড়ে ওই মহিলার উপরেই। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। আর তাতেই উঠে আসে এক নৃশংস সত্য!
স্বামী নারায়ণ টুডু ও স্ত্রী পূর্ণিমা টুডু দু'জনে মিলে খুন করেছে তাদের সদ্য পৃথিবীতে আসা বাচ্চাটিকে! তারপর প্রমাণ লোকাতে তাকে ফেলে দিয়ে এসেছে খালের জলে। অতটুকু ওই বাচ্চাটির অপরাধ? সে মেয়ে!
তদন্তকারী অফিসার সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেফতার করে সম্পূর্ণ তদন্ত শেষে জমা করেন চার্জশীট।
সম্প্রতি এই মামলার রায় বেরিয়েছে। মহামান্য আদালত অপরাধী দম্পতিকে ১০,০০০/- টাকা জরিমানা সহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন।
ভাবা যায়! শুধু মেয়ে হয়ে জন্মানোর অপরাধে একরত্তি একটা শিশুকে মেরে ফেলেছে তার বাবা-মা। ফলাফল? যাবজ্জীবন শ্রীঘরবাস!
সমাজে এইরূপ জঘন্য অপরাধের পরিণতির নিদর্শন স্বরূপ একেবারে উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে দোষীরা।
@HglyRuralPolice
সাইবার-জালিয়াতির প্রচুর টাকা ফেরত প্রতারিত মানুষের কাছে।
সারা রাজ্য জুড়েই চলছে সাইবার-প্রতারকদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের লাগাতার অভিযান। প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। কষ্টের টাকা জলে যাচ্ছে সাইবার-সতর্কতার অভাবে। জালিয়াতদের ফাঁদে পড়ে খোওয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে প্রতারিত মানুষের কাছে সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে নিরন্তর। গত কয়েক দিনে প্রচুর টাকা এভাবেই রাজ্য পুলিশ ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতারিতদের কাছে। ভাগ করে নিলাম, কিছু ছবি।
বিনীত অনুরোধ, সতর্ক থাকুন। অচেনা লিঙ্ক বা মেসেজে সাড়া দেবেন না। আপনার পরিশ্রমের টাকা যেন প্রতারকরা হাতিয়ে না নিতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন প্রতি মুহূর্তে।
#WBP #cybersecurity
পারিবারিক অশান্তির জেরে ছেলেকে খুন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাবার
২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। বামনগোলা থানার খিরিপাড়া গ্রামের ঘটনা। এক সামান্য বিদ্যুৎ বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে ঝামেলা শুরু হয় বাবা ছেলের মধ্যে, ক্রমশ বচসা বাড়লে উত্তপ্ত হয়ে নিজের ছেলের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে অভিযুক্ত রিন্টু মুর্মু। গুরুতর আহত অবস্থায় মাইকেল মুর্মুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
উক্ত ঘটনার ভিত্তিতে মৃত মাইকেলের স্ত্রীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বামনগোলা থানায় একটি মামলা রুজু হয়। ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর শেরিং শেরপার তদন্তে শীঘ্রই গ্রেফতার হয় অভিযুক্ত, তদন্ত শেষে জমা দেওয়া হয় চার্জশীট।
সদ্য এই মামলার রায় বেরিয়েছে। সামান্য বিবাদের জেরে নিজের ছেলেকে হত্যা করার মতো এই ঘৃণ্য কাজের জন্য মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা-সহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@malda_police
জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে হামলা: অভিযুক্তের ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
জমি নিয়ে বিবাদ আর তার জেরেই গুরুতর জখম হতে হয় স্বামীকে। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর থানা এলাকার ঘটনা। রেহেনা বিবি নামের এক মহিলা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন যে, জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী মানজার শেখ তাঁর স্বামীকে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে গুরুতরভাবে আঘাত করে।
অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয় রেজিনগর থানায়। ওই থানার তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ সাখাউদ্দিন দ্রুত তদন্ত শুরু করেন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট পেশ করেন।
দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর সম্প্রতি মামলার রায় বেরিয়েছে। মাননীয় আদালত অভিযুক্ত মানজার শেখকে দোষী সাব্যস্ত করে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। পাশাপাশি আদালত অভিযুক্তের উপর আর্থিক জরিমানাও আরোপ করেছেন।
@SPMurshidabad
খুকুরির কোপে খুন — দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর দোষীর যাবজ্জীবন
ঘটনাটি ২০০৮ সালের ২২ আগস্টের। সেদিন সালধুরা এলাকার বাসিন্দা কাঞ্চন মাহালি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে শামুকতলা হাট থেকে বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন। ঠিক সেই সময় চুলুলাইন ধাওলাঝুরা এলাকার বাসিন্দা সুপাল মাহালি আচমকাই তাঁদের পথরোধ করে দাঁড়ায়। তারপর ব্যক্তিগত হিংসার জেরে ধারালো খুকুরি দিয়ে কাঞ্চন মাহালির উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
নিহতের স্ত্রী সুধিনী মাহালির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শামুকতলা থানায় মামলা রুজু হয়। তদন্তভার গ্রহণ করেন ওই থানার তৎকালীন এসআই, বর্তমানে, ইনস্পেক্টর বি.ডি. সরকার। তদন্ত চলাকালীন বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন তিনি।
দীর্ঘ আইনি জটিলতার পর অবশেষে সদ্য প্রকাশিত হয়েছে মামলার রায়। মহামান্য আদালত অভিযুক্ত সুপাল মাহালিকে দোষী সাব্যস্ত করে ₹৫,০০০ টাকা জরিমানাসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
খুনের মতো নৃশংস অপরাধের যথাযোগ্য শাস্তিই পেয়েছে অভিযুক্ত।
@SPAlipurduar
যৌন নিগ্রহ: ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড আসামির
বিকেলবেলা বাড়ির সামনে খেলা করতে বেরিয়েছিল দুটি বাচ্চা মেয়ে। আরামবাগ থানা এলাকার ঘটনা। কিন্তু সন্ধ্যে হয়ে যাওয়ার পরেও দীর্ঘক্ষণ তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
কিছুক্ষণ পর কাছেই একটা নির্জন জায়গা থেকে কান্নার আওয়াজ পেয়ে সেখানে ছুটে যান তাঁরা। দেখেন, বাচ্চা মেয়েদুটি বসে বসে কাঁদছে। তাদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে পরে জানা যায় যে, স্থানীয় বাসিন্দা কমল ধারা লজেন্স খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ছোট্ট মেয়েদুটিকে ওই নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাদেরকে যৌন নিগ্রহ করে।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মামলা রুজু হয় আরামবাগ মহিলা থানায়। মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার লেডি সাব-ইন্সপেক্টর ঝর্ণা দাসের তৎপরতায় আসামিকে গ্রেফতার করে সঠিক সময়ের মধ্যে চার্জশীট জমা হয়। সর্বোপরি, বিচার শেষে মহামান্য আদালত আসামির জন্য ৫০০০ টাকা জরিমানা সহ ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বরাদ্দ করেছেন।
@HglyRuralPolice
পারিবারিক অশান্তির জেরে বাবাকে খুন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছেলের
২০২৪ সালের ১৮ জুলাইয়ের রাত। আলিপুরদুয়ার থানার পাটলাখাওয়া, দক্ষিণ চাকোয়াখেতি এলাকার ঘটনা। এক সামান্য পারিবারিক ঝামেলা থেকে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার মাঝেই নিজের বাবার উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে অভিযুক্ত বাবলু বর্মন। গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তড়িঘড়ি পঞ্চকলগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
উক্ত ঘটনার ভিত্তিতে পরের দিনই আলিপুরদুয়ার থানায় মামলা রুজু হয়। ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর অমিত শর্মার তদন্তে শীঘ্রই গ্রেফতার হয় অভিযুক্ত, সুনির্দিষ্ট তদন্ত শেষে জমা দেওয়া হয় যথোপযুক্ত চার্জশীট।
সদ্য এই মামলার রায় বেরিয়েছে। সামান্য বিবাদের জেরে নিজের বাবাকে হত্যা করার মতো এই ঘৃণ্য কাজের জন্য মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে ২০,০০০ টাকা জরিমানা-সহ আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@SPAlipurduar
In raids conducted by the STF, West Bengal across various districts of the state, the following seizures and arrests have been made:
1. 10 firearms, including eight 7 mm pistols, have been seized.
2. 150 rounds of ammunition have been recovered.
3. A total of six persons have been arrested and will be produced before the respective courts.
The special drive is continuing, and efforts are underway for the recovery of more weapons.
হারানো ফোন ফিরে পাওয়া
চুরি যাওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধারের বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থানার পুলিশ কর্মীরা, গোয়েন্দা দফতর এবং সাইবার থানাগুলি সক্রিয় থাকে বছরভর। সব ফোন যে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিতে পারি, এমন নয়। কিন্তু চেষ্টা থাকে আন্তরিক। ফলও মেলে পরিশ্রমের। উদ্ধার করতে পারলে ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দিই আমরা যত দ্রুত সম্ভব। গত কয়েক দিনে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর হারিয়ে যাওয়া ফোন। যা তুলে দেওয়া হয়েছে ফোনের মালিকদের হাতে। রইল তার কিছু মূহুর্তের ছবি।
স্ত্রীকে খুন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড স্বামীর
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত কাঁকসা থানার আরাহ এলাকায় ভাড়া বাড়িতে সস্ত্রীক বসবাস করত বিপ্লব পরিদা। দু'জনের নিত্য ঝামেলা লেগেই থাকত। বিপ্লবের দাবির শেষ ছিলনা! স্ত্রীয়ের পরিবারের কাছ থেকে টাকার দাবিতে প্রায়শই স্ত্রীয়ের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাত বিপ্লব।
এমনই একদিন, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, সেদিনও টাকার দাবি মেটাতে পারেনি তার স্ত্রী। শুরু হয় কথা কাটা-কাটি, সেই বিবাদ চরম পরিস্থিতি ধারণ করলে, বিপ্লব তার স্ত্রীয়ের গলায় কুকুরের বেল্ট পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করে। ঘটনার পর সে নিজেই কাঁকসা থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে।
উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতার পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী কাঁকসা থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর বিমল পাত্র সমস্ত তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে তদন্ত শেষে চার্জশীট দাখিল করেন।
সম্প্রতি মহামান্য আদালত এই মামলার রায়ে অভিযুক্ত বিপ্লব পরিদাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন। পাশাপাশি ৫০,০০০ টাকা জরিমানার নির্দেশও দিয়েছেন।
@Cpadpc