Our first question was—Who are we, truly? What are our responsibilities? What are our obligations toward this land, this society, and this civilization? Shiulimala was born out of the search for answers to these very questions. We believe that behind every human action lies some form of knowledge or philosophy acting as its catalyst. Therefore, to build a virtuous society, we must cultivate virtuous knowledge and philosophy. Shiulimala is committed to planting precisely that seed—so that one day its harvest may be a prosperous, balanced, and justice-oriented social order.
Although Shiulimala is operated entirely by women, its sphere of discourse is not confined to women’s issues alone. Our central objective is to generate thought for the collective welfare and advancement of the nation—men and women alike. Yet we cannot deny the reality that half of Bangladesh’s population, its women, have long suffered severe marginalization and neglect. Their suppression, deprivation from knowledge, and sociocultural backwardness have become major impediments to national liberation and progress. In this context, nurturing women’s intellectual growth, reconstructing their sense of dignity, and ensuring their meaningful contribution to the nation are among Shiulimala’s core commitments.
History teaches us that no civilization has ever attained completeness without establishing the rightful dignity of women. In the golden era of Islamic civilization, women stood as architects of knowledge, akhlaq, and community and state-building. By contrast, the distortions of modern civilization and its consumerist impulses have commodified women into objects of pleasure. Simultaneously, excessive conservatism within segments of the Muslim community has given rise to tendencies that deny women’s legitimate roles altogether.
In the golden era of Islamic civilization, women were architects of knowledge, exemplars of akhlaq, and active participants in both community and state-building. By contrast, the distortions of modern civilization, fueled by materialistic impulses, have commodified women, reducing them to objects of pleasure. At the same time, excessive conservatism within certain groups of the Muslim community has fostered tendencies that deny women their rightful roles and contributions.
Standing between these two extremes, we seek to illuminate—through the Qur’an, Hadith, Sirah, and history—the balanced, dignified position of women, so that they may reclaim their true status and become capable of leading the nation’s collective journey forward.
#ShiulimalaAcademy
The Semi-Annual Executive Council Meeting'26 of Shiulimala Academy was held at an auditorium in Dhaka.
Presided over by the Academy’s President, Nazia Tasnim, the meeting featured comprehensive presentations by the heads of various departments, highlighting their activities, achievements, and progress over the past six months. Following a thorough review of the reports and constructive deliberations among members, the Academy’s strategic priorities and action plan for the upcoming six months were finalized.
In the concluding session, former Academy President Muhsina Binti Muslim delivered an inspiring address. She commended the Academy’s ongoing initiatives and encouraged all members to continue their work with sincerity, dedication, and a spirit of excellence in pursuing the Academy’s vision and objective.
একাডেমি বিভাগ || ছোটদের ইতিহাস কোর্স
শিউলিমালা একাডেমির একাডেমি বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত ছোটদের ইতিহাস কোর্সের ৩য় ব্যাচের এ সপ্তাহের ক্লাসের টপিক ছিল, "উমাইয়া খেলাফতের ইতিহাস"। ক্লাসটি পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, শ্রদ্ধেয়া কাজী সালমা বিনতে সলিম।
বিন নবীর সবচেয়ে কালজয়ী অবদান হলো তাঁর “কলোনাইজেবিলিটি” তত্ত্ব, যেখানে তিনি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেন যে, সমাজের কিছু অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা তাকে বহিরাগত আধিপত্যকে মেনে নেয়ার জন্য প্রস্তুত করে তোলে। এই ধারণাটি মুসলিম বিশ্বে উপনিবেশবাদ নিয়ে আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়; মুসলমানদের ভুক্তভোগিতা থেকে দায়বদ্ধতার দিকে নিয়ে যায়। শুধু “উপনিবেশবাদীরা আমাদের কী কী ক্ষতি করেছে?” এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ না থেকে বরং আরও অস্বস্তিকর প্রশ্নের অবতারনা করে: “আমাদের মধ্যে কোন দুর্বলতা ছিল যা আমাদের শোষিত হবার পথ উন্মুক্ত করে দিয়েছে?” বিতর্কিত হলেও, আধুনিক বিশ্বায়ন, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পরনির্ভরতা এবং আত্নপপরিচয় সংকটের প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্নটি আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
বিস্তারিত পড়ুন –
https://t.co/nQafcBysEf
"ভাষা থেমে থাকার বস্তু নয়, মানুষের মুখের উষ্মতায় বাষ্প হয়ে ছুটে চলে। প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষাও তেমন ছুটলো। সাধারণ মানুষের কণ্ঠে প্রাকৃতিক ছন্দে ভাষা ছুটলো, ছুটতে ছুটতে পণ্ডিত, উঁচুদরের লোকের তথা বৈদিক ভাষার শক্ত বাঁধন ঢিলা হলো, রূপতত্ত্ব ভাষার নিয়ম ফেলে প্রকৃতির নিয়মের দিকে ক্রমে যাত্রা করলো; তখন পণ্ডিতদের টনক নড়লো। প্রকৃতির নিয়মে চলা ভাষার লাগাম টেনে ধরলেন, আটকালেন ব্যাকরণের কড়া পাহারায়। বলা বাহুল্য এখানে ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী বা বিশ্লেষক হলো না বরং ভাষাই হলো ব্যাকরণের দাস। এই বদ্ধ ভাষাকেই আমরা বলছি সংস্কৃত ভাষা।"
-ষাণ্মাসিক শিউলিমালার ৫ম সংখ্যায় প্রকাশিত "বাংলা সাহিত্যে সমাজ বিবর্তনের বয়ান" প্রবন্ধ থেকে...
পত্রিকাটির মূল্য : ১৫০৳
[পত্রিকাটি সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন শিউলিমালা একাডেমি-এর ফেইসবুক পেইজে]
সাম্রাজ্যবাদ জিনিসটা নতুন নয়। কিন্তু তার ভয়ংকর চেহারা এমনভাবে আর কখনো দেখা যায়নি। সাম্রাজ্যবাদ এখন দ্রুত উন্মোচিত হয়ে পড়ছে। উদোম হয়ে পড়ছে তার শরীর। কোন মুখোশেই আর কুলোচ্ছে না। হিটলারের কথা আমরা শুনেছি। ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর কলহ, লুণ্ঠন ও সেখানকার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার ফাঁক গলিয়েই তৈরী হয়েছিল হিটলারের মত মানুষ। কিন্তু সেই হিটলারকেও আজ ব্যাপকতায় ও স্থায়িত্বে ছাড়িয়ে গেছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। হিটলারের যত না দোষ ছিল, তার চেয়ে বেশী বদনামী জুটেছে। সেদিনের ইঙ্গ-মার্কিন ফরাসী মিত্র জোটের প্রপাগাণ্ডার জোরে তাকে দানব বানিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই দানবের চেয়ে আজকের বুশ-ব্লেয়ার ও তার ছানাপোনারা নিষ্ঠুরতা ও জঘন্য অমানবিকতায় সব কিছুকেই ছাড়িয়ে গেছে। মানুষের সমষ্টিগত অর্জন এমন সংকটে আর কখনো পড়েনি। কেবল মানুষ নয় এদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রকৃতিও আজ বিপন্ন।
বিস্তারিত পড়ুন –
https://t.co/Y67QOcFtJK
"ভালো এবং মন্দ কখনো এক হতে পারে না। তোমরা মন্দকে ভালো দ্বারা প্রতিহত করো। তাহলে দেখবে, যার সাথে তোমার শত্রুতা ছিলো, সে তোমার খুব ভালো বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। যখন রাসূল (স.)-এর সাহাবীরা ভুলে কোনো খারাপ কাজ বা অপ্রীতিকর কিছু করে ফেলতেন, তখন সাথে সাথেই তারা সদকা করে দিতেন, যাতে সদকা সে খারাপ বিষয়টিকে দূরীভূত করে দেয় এবং সমাজে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা হয়। এ বিষয়টি আমাদের জীবনেও বাস্তবায়ন করার মতো খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।"
- "ইসলামী সভ্যতায় নারী" গ্রন্থ থেকে...
গ্রন্থটির মূল্য : ১০৫৳
[গ্রন্থটি সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন শিউলিমালা একাডেমি-এর ফেইসবুক পেইজে]
কীভাবে একটি আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ করতে হয়, ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষকে সে শিক্ষাও দিয়েছেন এবং এর সামগ্রিক পন্থার (comprehensive approach) মধ্যে অর্থনীতি, রাজনীতি, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা এবং পরিবেশ সংক্রান্ত নীতিমালা; সবই অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং, “Islamic Economics is the information we receive from god about how to construct an economic system which creates just outcomes.”
“ইসলামী অর্থনীতি হলো একটি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরীর জন্য আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান।” এটি এমন একটি সংজ্ঞা যা আজকের সময়ে বিদ্যমান কোন ইসলামী অর্থনীতির বইয়ে নেই।
বিস্তারিত পড়ুন –
https://t.co/JtrizWTiKY
মুসলিম বিশ্বে পুঁজিবাদ আমদানী করা হয় এমন একটা সময়ে, যখন ইহা ইউরোপীয় শাসনাধীনে ছিল। মুসলিম বিশ্ব যখন দারিদ্র্য, অজ্ঞতা, অস্বাস্থ্য ও পশ্চাদপদতার মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছিল-উন্নয়নের নামে তখন এখানে পুঁজিবাদের প্রসার সাধন করা হয়। এ কারণে কতক লোক মনে করে, ভাল-মন্দ নির্বিশেষে গোটা পুঁজিবাদকেই ইসলাম সমর্থন করে। তারা আরও মনে করে যে, ইসলামী আইন বা ব্যবস্থায় এমন কোন বিধান নেই যা পুঁজিবাদের বিরোধী। তারা যুক্তি দেখার, ইসলাম যেহেতু ব্যক্তিগত সম্পত্তির অনুমতি দেয়, সুতরাং ইহা পুঁজিবাদেরও অনুমতি দেবে।
‘এই অভিযোগের জবাবে এটুকু বললেই যথেষ্ট হবে যে, সূদ ও মনোপলি ছাড়া পুঁজিবাদ গড়ে উঠতে পারে না, আর পুঁজিবাদের জন্মের সহস্র বৎসর পূর্বেই ইসলাম এগুলো নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।।
বিস্তারিত পড়ুন –
https://t.co/TEWuaAXZcw
❝ কেবল একটি সভ্যতার গৌরবগাঁথা আত্মস্থ করার মধ্য দিয়েই আমরা এর উত্তরাধিকারী হতে পারিনা।
আমাদেরকে অবশ্যই অস্তিত্বের গভীর থেকে এটিকে পুননির্মাণ করতে হবে। ❞
-প্রফেসর ড. হেবা রউফ ইযযেত
একাডেমি বিভাগ || ছোটদের ইতিহাস কোর্স
শিউলিমালা একাডেমির একাডেমি বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত ছোটদের ইতিহাস কোর্সের ৩য় ব্যাচের এ সপ্তাহের ক্লাসের টপিক ছিল, "খোলাফায়ে রাশেদার যুগ"। ক্লাসটি পরিচালনা করেন একাডেমির জনসংযোগ ও মিডিয়া মুখপাত্র, পপুলার মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী, শ্রদ্ধেয়া জুম্মি নাহদিয়া।
"আহসান বুঝয়েছে। মানুষ প্রতারণা করে, শুধু এই কারণে নিজের মধ্যকার রহমতকে পতিত ফেলে রাখা উচিত না। প্রয়োজনে আরও বেশি সতর্ক হবো তবু রহমতকে অকেজো করে রাখবো না। সতর্কতার সাথে ঈমানের কোনো দ্বন্দ্ব নেই, রহমতেরও দ্বন্দ্ব নেই। বরং উভয়ে পরস্পরকে আরও বেশি পরিপুষ্ট করে, আরও বেশি তুষ্টি দান করে, আরও বেশি দৃঢ় করে প্রতারণার ভয়ে যদি আমরা আমাদের বুকের রহমতের উর্বর খেতকে ফেলে রাখি তবুও প্রতারকের সংখ্যা কমবে না। বরং বাড়বে। যে সমাজে রহমতের আবাদ হয় না, সে সমাজে প্রতারণার আবাদ হয়। মূলত মানুষের কোনো হক নেই, তাকে দেয়া রহমতের অপচয় কিংবা অপব্যবহার করা।"
- মিমি বিনতে ওয়ালিদ রচিত "দারসবাড়ি" উপন্যাস থেকে...
গ্রন্থটির মূল্য: ১২০৳
[উপন্যাসটি সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন শিউলিমালা একাডেমি-এর ফেইসবুক পেইজে]
প্রফেসর ডক্টর আব্দুল ফাত্তাহ আল-ওয়াইসি একজন প্রখ্যাত চিন্তাবিদ, গবেষক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ। তিনি একইসাথে ইসলামের ইতিহাস, ভূরাজনীতি ও বাইতুল মাকদিস বিষয়ক গবেষণায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে, ‘বারাকা সার্কেল থিওরি’ এবং ‘আমান থিওরি’র মতো গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ভূরাজনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাইতুল মাকদিস ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে তিনি বাংলাদেশ সফর করেন এবং ‘রোড টু বাইতুল মাকদিস’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনা করেন। বাংলাদেশে অবস্থানের শেষ মুহূর্তে তিনি শিউলিমালা একাডেমির আয়োজনে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে অংশ নেন, যেখানে তিনি তার জীবনের লক্ষ্য, গবেষণা, ফিলিস্তিনের সংগ্রাম এবং বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।
বিস্তারিত পড়ুন –
https://t.co/fcadO5bJpm
একাডেমি বিভাগ || ছোটদের ইতিহাস কোর্স
শিউলিমালা একাডেমির একাডেমি বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত ছোটদের ইতিহাস কোর্সের ৩য় ব্যাচের এ সপ্তাহের ক্লাসের টপিক ছিল, "সীরাতে রাসুল (সা.)"। ক্লাসটি পরিচালনা করেন একাডেমির জনসংযোগ ও মিডিয়া মুখপাত্র, পপুলার মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী, শ্রদ্ধেয়া জুম্মি নাহদিয়া।
তাকবিরে তাশরিক পড়তে যেন ভুলে না যাই।
আরাফার দিন ফজরের পর থেকে নিয়ে ঈদের চতুর্থ দিনের আসরের নামাজ পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর নীচের এই তাকবীরটি পড়া ওয়াজিব
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
একাডেমি বিভাগ || বিশেষ সেমিনার
শিউলিমালা একাডেমি'র একাডেমি বিভাগের অধীনে এমাসে আয়োজিত বিশেষ সেমিনারের বিষয় ছিলো, “সামাজিক সংহতির ভিত্তি; আখলাক ও মারহামাত”। উক্ত সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সাবেক প্রেসিডেন্ট, সংগঠক ও লেখিকা শ্রদ্ধেয়া মুহসিনা বিনতি মুসলিম।
শিউলিমালা পাঠচক্র || ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শিউলিমালা একাডেমি-এর ক্যাম্পাসভিত্তিক চিন্তা ও জ্ঞানচর্চার পাটাতন 'শিউলিমালা পাঠচক্র' এর উদ্যোগে এ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিশেষ পাঠচক্র পরিচালিত হয়। একাডেমির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কো-অর্ডিনেটর শ্রদ্ধেয়া জাকিয়া বুশরা- এর তত্ত্বাবধানে উক্ত পাঠচক্রে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির প্রেসিডেন্ট শ্রদ্ধেয়া নাজিয়া তাসনিম। পাঠচক্রের বিষয়বস্তু ছিল, 'উপমহাদেশে বাংলা সাহিত্য ও সমসাময়িক অবস্থা'।
বালখ থেকে উঠে আসা মহান মনীষীদের মধ্যে একজন ছিলেন ইবনে সিনা—ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক ও দার্শনিক, যার জ্ঞান, চিন্তা ও দর্শন হাজার হাজার বছর ধরে আন্দালুসিয়া থেকে ভারত পর্যন্ত সর্বত্র সব যুগের স্কলারদের প্রভাবিত করেছে।
তিনি যখন বালখের গল্প বলতে থাকলেন, বৃদ্ধার কণ্ঠে এমন চাঞ্চল্য ফিরে এলো—যেন তিনি কোনো অচেনা সাহিত্যিক চরিত্র নয়, বরং হারিয়ে যাওয়া কোনো প্রিয় বন্ধুর কথা স্মরণ করছেন। “তুমি ফেরদৌসীকে চেনো?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন। আমি মাথা নাড়তেই তার কণ্ঠে উত্তেজনা ধরা পড়ল। “ফেরদৌসী শাহনামা রচনা করার আগে, বালখের আরেক সন্তান দাকিকী বালখী এর সূচনা করেছিলেন। সামানিদ শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায়, দাকিকী সেই প্রথম ১০০০ পংক্তি রচনা শুরু করেন, যা পরে আমাদের শ্রেষ্ঠ পারসিক মহাকাব্যের ভিত্তি হয়ে ওঠে। দুঃখজনকভাবে, তার মৃত্যুতে কাজটি অসমাপ্ত রয়ে যায়। কিন্তু ফেরদৌসী তাকে সম্মান জানিয়ে, সেই পঙ্কতিগুলোর উপর ভিত্তি করে কাজ চালিয়ে যান এবং নিশ্চিত করেন যে বলখের নাম সর্বদা পারসিক সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনার সাথে যুক্ত থাকবে।”
বিস্তারিত পড়ুন –
https://t.co/kaQEfG3ozF