Former Yunus king party, a proxy of JeI, threatens India with Jihad! Only the imbeciles who led the Yunus coup of 2024 think this is an Indian rather than a global affair!
Bangladeshi #Politics.
In 2024, Sheikh Hasina's government was overthrown in the so-called July Movement through the meticulously designed plan of the #JoeBiden government of the #USA.
Now, all the #people of #Bangladesh want to bring Sheikh Hasina back to POWER .
#Bangladesh
২০১৭ সালে ‘গুম’ হয়েছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। পরে সিসি ক্যামেরায় দেখা গেছে ঐ সময়ে তিনি খুলনার নিউ মার্কেটে ঘোরাঘুরি করছেন। ‘মো. গফুর’ নাম ব্যবহার করে টিকেট কেটে ঢাকায় ফেরার পথে পুলিশ তাকে বাস থেকে উদ্ধার করে। অর্চনা রানি নামক এক নারী ফরহাদ মজহারের স্ত্রীর এনজিও উবিনীগে চাকরি করতেন। মজহারের সাথে অর্চনার সম্পর্কের জের ধরে স্ত্রী ফরিদা আখতার অর্চনাকে উবিনীগ থেকে চাকরিচ্যুত করেন। গুরুবাবা মজহার এরপর থেকে অর্চনাকে ব্যক্তিগতভাবে টাকাপয়সা দিতেন, দিতেন বৈষ্ণবধর্মের দীক্ষা। জনশ্রুতি আছে অর্চনার স���থে দেখা করতেই মজহার বাসা থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন (‘ফরহাদ মজহার ও অর্চনা’ লিখে গুগল করলেই এ-ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে)। এ-ক্ষেত্রেও ডানপন্থিদের দাবি ছিল এগুলো আওয়ামি লিগের বয়ান, আওয়ামি লিগ সরকার মজহারকে গুম করে খুলনায় নিয়ে হাঁটাহাঁটি করিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাজারে ছেড়েছে। স্ত্রী ফরিদা আখতার পৌনে দুই বছর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। কিন্তু ফরহাদ মজহার ওরফে মো. গফুর এমন অনুকূল পরিবেশেও গুম কমিশনে নিজের গুমের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি। গত অক্টোবরে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল গাজিপুর টিঅ্যান্ডটি কলোনি মসজিদের ইমাম মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজিকে ইসকন গুম করেছে, ইসকনের বিরুদ্ধে মিয়াজি বলাৎকারের অভিযোগও তুলেছিলেন, ��ৌহিদি জনতা দিয়েছিল রীতিমতো যুদ্ধের ডাক। কিন্তু পরে দেখা গেছে ঘটনা ভুয়া, মিয়াজিকে কেউ গুম করেনি, অর্ধ-উলঙ্গ অবস্থায় তিনি এভাবে প্রায়ই বাড়ি থেকে দৌড়ে বেরিয়ে যান।
ধর্মীয় বক্তা আবু তোয়াহা মোহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হয়েছিল ২০২১-এ। তখনও দাবি করা হয়েছিল তোয়াহাকে গুম করা হয়েছে। তোয়াহা প্রকৃতপক্ষে সি��়াম নামক এক বন্ধুর বাড়িতে আটদিন আত্মগোপনে ছিল। সিয়ামদের বাড়িতে তোয়াহার থাকার ব্যাপারে সিয়ামের মায়ের বক্তব্যও ইউটিউবে গচ্ছিত আছে। বহুগামিতা ও বহুবিবাহ থেকে উদ্ভূত বহুমুখী জটিলতা থেকে বাঁচতে তোয়াহা গা ঢাকা দিয়ে ছিল বলে জনশ্রুতি আছে। এই বক্তব্যকে ডানপন্থিরা তখন আওয়ামি লিগের বয়ান বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। সম্প্রতি অন্যতম স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহ্ তোয়াহার বহুগামিতা ও বহ��বিবাহের ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবিস্তারে বক্তব্য দেওয়ার পর সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয় যে, স্ত্রী ও প্রেমিকাদের শাঁখের করাতে পড়েই সে আত্মগোপনে ছিল। সারাহ্র মা আরেকদিকে বলে দিয়েছেন তোয়াহা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পর্যন্ত পড়ে না, সারাদিন ঘুমিয়ে কাটায়, পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ একসাথে এক ওয়াক্তে পড়ে।
পরশু লাপাত্তা হয়েছিল ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান আহমেদ��� এই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ উল্লেখ করে জিসানের খোঁজ চেয়ে ��েসবুকে পোস্ট করেছিলেন জামায়াতে ইসলামির আমির মো. শফিকুর রহমানও। জিসানকে পাওয়া গেছে এবং এরই মধ্যে পুলিশ জানিয়েছে লিজা আক্তার নামে এক বিধবার সাথে জিসানের সম্পর্ক ছিল, গর্ভপাত ঘটানোর পর বিয়ের জন্য লিজা জিসানকে চাপ দিচ্ছিল এবং প্রতিশ্রুত ১২ তারিখে বিয়ে এড়াতে ১১ তারিখ রাতে জিসান গা ঢাকা দিয়েছে, গা ঢাকা দিয়ে নিজের নিখোঁজের ব্যাপারে চাচাতো ভাইকে দিয়ে জিডি করিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলিগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ছাত্রশিবিরের বর্তমান কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ ফেসবুকে লিখেছে— ‘প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী জিসানকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ বর্তমানে আওয়ামি লিগ ক্ষমতায় থাকলে জিসানের এই জেনা ও গর্ভপাতও নিশ্চয়ই আওয়ামি লিগের বয়ান হিশেব��� পরিচিতি পেত, জিসানের পলায়ন পরিচিতি পেত গুম হিশেবে, জিসান পরিচিত হতো আয়নাঘর-ফেরত মজলুম হিশেবে।
আওয়ামি লিগ বা অন্যান্য সরকারের আমলে যারা সত্যিই গুম হয়েছে, তাদেরকে মানুষ অবিশ্বাস করে জিসানদের কারণে। যা হোক; ফরহাদ মজহার, তোয়াহা আদনান এবং জিসান আহমেদের জেনার ব্যাপারগুলো সন্দেহাতীত। শরিয়া আইনে জেনার শাস্তি রজম। বুক বা কোমর পর্যন্ত মাটিতে গেঁড়ে পাথর মেরে অপরাধীর মৃত্যু নিশ্চিত করাকে ‘রজম’ বলে। ওদিকে ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরও শরিয়া আইন চেয়েছে, যে একজীবনে অন্তত অর্ধসহস্র নারীর সাথে জেনা করেছে। এমতাবস্থায় এই চার ব্যক্তির ওপর শরিয়া আইন অনুযায়ী রজম প্রয়োগ করার জন্য আমির-এ-জামায়াতের প্রতি আকুল আহ্বান জানাচ্ছি। এই চারজনকে পাশাপাশি চারটা গর্তে পুঁতে রজম প্রয়োগ করলে বাংলার জমিনে আর কোনো নাফরমান জেনা করার দুঃসাহস দেখাবে না। ব্যভিচারীদের ওপর পাথর মারার গুরুদায়িত্ব পালন করবেন খেলাফত মজল���শের আমির— শায়খুল হাদিস ইবনে শায়খুল হাদিস— আল্লামা মুহাম্মদ মামুনুল হক।
-আখতারুজ্জামান আজাদ, লেখক
আছে দুঃখ আছে মৃত্যু
আছে অশুভের রক্তচক্ষু,
মৃত্যু তোমার পায়ের ভিত্তি,
হবে অশুভের শেষকৃত্য..
তুমি আবার ফিরবে জানি
অপেক্ষায় স্বদেশভূমি,
জাগিয়ে রাখি হৃদয়খানি,
তুমি বাঙালির নয়নমনি.
#Bangladesh#SheikhHasinaComeBack
Bangladesh is expanding its online surveillance capabilities under a new government-approved project worth nearly Taka 950 million.
The system will reportedly allow authorities to monitor, block, and filter online content, including social media posts deemed “anti-government propaganda.”
The move comes amid growing concerns over freedom of expression, as several individuals have reportedly faced arrest in recent months over online criticism of government and ruling party figures.
Human rights advocates warn that increased surveillance, limited transparency, and the absence of strong judicial oversight could deepen censorship, undermine privacy, and restrict digital freedoms.
As monitoring powers expand, many are questioning what this means for free speech and the future of Bangladesh’s online space.
#Bangladesh #DigitalRights #FreedomOfExpression #OnlineSurveillance #HumanRights #FreeSpeech
সেরা ঔষধ খেয়ে জাহাঙ্গীরনগর ���িশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই আন্দোলনে সমন্বয়ক নিজ মুখে বললো জুলাই কে চুদি। জুলাই জঙ্গি জামাত/শিবির ও বিএনপির জন্য মাইরের উপর কোন উত্তম ঔষধ নাই।
Historically, America has always backed Jamaat, even when they facilitated genocide in 1971.
No wonder they backed ISIS, Al-Qaeda, HTS and the Taliban. In the same way, they have been backing Jamaat for ages.
Congratulations @USAmbBangladesh & @usembassydhaka .
তাহাররুশ গ্যামিয়া! নাম শুনেছেন এই ইসলামিক রীতির? Taharrush Gamea একটি আরবি শব্দ। এটি ইসলামিক কালচার। এর অর্থ হলো সমষ্টিগত যৌন হয়রানি। কিন্তু বাস্তবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রেক্ষিতে তাহাররুশ গ্যামিয়া রীতি হল, জনসমাগমের মধ্যে একজন নারীকে ঘিরে ফেলা, তাকে সঙ্গীদের থেকে বিচ্ছিন্ন করা, বাইরের ব��য়ে দাঁড়িয়ে উদ্ধারকারীদের আটকে দেওয়া, তারপর তার শরীরে হাত দেওয়া, কাপড় ছিঁড়ে ফেলা, যৌনাঙ্গে আক্রমণ করা, এমনকি আঙুল বা বস্তু দিয়ে ধর্ষণ পর্যন্ত করা।
আগে মধ্যপ্রাচে সীমাবদ্ধ থাকলেও প্রথম ২০০৫ সালে মিশরের তাহরির স্কোয়ারে এই ধরনের আক্রমণ আন্তর্জাতিক ভাবে কুখ্যাত হয়ে ওঠে। তারপর পরপর। ২০০৬ সালে ঈদের সময় কায়রোর তালাত হাব স্ট্রীটে পাঁচ ঘণ্টা ধরে নারীদের উপর গণযৌন আক্রমণ হয়। ২০১১ সালে CBS সাংবাদিক লারা।লোগান তাহরির স্কোয়ারে প্রায় ২০০ জনের ভিড়ের হাতে নির্মম যৌন আক্রমণের শিকার হন। আর ২০১২ সালের মধ্যে এই আক্রমণ মিশরের রাজনৈতিক জমায়েত ও ইসলামিক ধর্মীয় উৎসবের ট্র্যাডিশনে পরিণত হয়েছে। এই সবেতেই মুসলমান পুলিশগন নীরব থাকে।
Amnesty International, UN Women এবং মিশরের নারী অধিকার সংগঠন গুলোর অফিসিয়াল নথি থেকে বলা হচ্ছে, ভিক্টিমদের বয়স ছিল সাত থেকে সত্তর। আক্রমণের সময় কেউ কয়েক মিনিট, কেউ এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটকে ছিলেন। ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্রায় ৫০০টি mass sexual assault নথিভুক্ত হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন Operation Anti Sexual Harassment বা OpAntiSH এমন পরিস্থিতিতে হেলমেট, ��্লাভস, প্যাডেড পোশাক পরে “Extraction team” তৈরি করে নারীদের মুসলমান পুরুষদের ভিড়ের ভিতর থেকে উদ্ধার করতো। অ্যাক্টিভিস্টরা এই বলয়কে বলতেন, Circle of hell, নরকের বৃত্ত।
এর প্যাটার্ন প্রায় একই। প্রথমে একটা মেয়েকে একা করা। তারপর দুই বৃত্তে তাকে ঘিরে ধরা। বাইরের বৃত্তের কাজ উদ্ধারকারীদের ঠেকানো। আর ভিতরের বৃত্তের আক্রমণ করা।
এবার আসি ইউরোপের কথায়। ২০১৫ সালের শেষ রাত এবং ২০১৬ সালের শুরুতে নববর্ষের রাতে জার্মানির কোলনে যা ঘটেছিল, তা গোটা ইউরোপকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। কয়েকশো নারী মুসলমানদের যৌন আক্রমণের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। North Rhine-Westphalia-এর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রিপোর্টে বলা হয়, তদন্তাধীন সন্দেহ ভাজনদের অধিকাংশই উত্তর আফ্রিকান ও আরব মুসলমান যারা সাম্প্রতিক ইমিগ্রান্ট বা শরণার্থী ছিল।
রিপোর্টে উল্লেখ করা ��য়, প্রায় এক হাজার মুসলমান পুরুষদের একটি দল বিভিন্ন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে নারীদের ঘিরে ফেলে, তাদের হেনস্থা করে, লুঠপাট চালায় এবং যৌন আক্রমণ করে। জার্মান কর্তৃপক্ষ তাদের রিপোর্টে স্পষ্টভাবে “Taharrush Gamea” শব্দটির উল্লেখ করে এবং মিশরের তাহরির স্কোয়ারের ঘটনা গুলির সঙ্গে তুলনা টানে।Cologne-এর পর Hamburg, Berlin, Düsseldorf, Frankfurt, Stuttgart-সহ বিভিন্ন শহরেও অভিযোগ উঠেছে। Austria, Sweden, Finland ও Switzerland-এও একই ধরনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা শুরু ��য়েছে। ইদানীং হয়ত ইউরোপ প্রথমবার উপলব্ধি করছে যে মুসলমানদের অভিবাসন শুধুমাত্র অর্থনীতি বা মানবিকতার প্রশ্ন নয়। মূল্যবোধ, আইনবোধ, নারী-পুরুষ সম্পর্ক, জনপরিসরের সংস্কৃতি এবং সামাজিক আত্মীকরণেরও প্রশ্ন।
মিশরের সমীক্ষাগুলো আরো ভয়ঙ্কর। ২০০৮ সালের এক সমীক্ষায় ৮৩% মিশরীয় নারী এবং ৯৮% বিদেশি ��ারী জানান, তাঁরা মুসলমানদের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। ২০১৩ সালের UN Women সমীক্ষায় ৯৯.৩% নারী যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। অথচ বহু মোডারেট মুসলমান এই হয়রানির কারণ হিসেবে নারীর পোশাক, ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধ না মানা, “Provocative” আচরণ এসবকেই দায়ী করেছেন।
এই ইসলামিক মানসিকতা শুধু মিশরের নয়। যে কোনও ধর্মীয়-রক্ষণশীল, পুরুষকেন্দ্রিক সমাজেই এর ছায়া আছে। কিন্তু ইসলামি সমাজগুলোর ���কটা বড় অংশে নারীর শরীরকে ঢেকে রাখা, নিয়ন্ত্রণ করা, জনপরিসর থেকে সরিয়ে রাখা, পুরুষের কামনাকে নারীর দায় বানানো, এই প্রবণতা গুলো এত গভীরভাবে সামাজিক স্বাভাবিকতায় পরিণত হয়েছে যে, নারী-স্বাধীনতার আধুনিক ধারণার সঙ্গে তার সংঘাত অনিবার্য। সব মুসলিম মানুষ এরকম নন, নিশ্চয়ই নন। কিন্তু সমস্যাটিকে “কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা” বলে উড়িয়ে দিলে সত্যিটা চাপা পড়ে যায়।
ছবির মত পরিষ্কার ইউরোপের এখন অনেক ��ায়গাতেই আবর্জনা, মানুষ শুয়ে থাকে ফুটপাথে। ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে ভেবেছিল, উদারতা দিয়ে সব সংঘাত মিটবে। কিন্তু উদারতা তখনই মহৎ, যখন সে নিজের সভ্যতার ভিত্তি রক্ষা করতে পারে। যে সভ্যতা নিজের নারীদের রেলস্টেশন, স্কোয়ার, উৎসব, রাস্তা, মেট্রো, রাতের শহরে নিরাপদ রাখতে পারে না, তাহরির স্কোয়ার থেকে ইউরোপ পর্যন্ত এই ক্রমর্ধমান রীতিতে সেই সভ্যতা কাগজে যত মানবিকই হোক, ভিতরে ভিতরে আত্মসমর্পণ করে ফ��লেছে!
#savewomen
1/2
The first photo of ATN News journalist Sweety Sajeda was taken on 8 August 2024. On that day, she was reportedly travelling in the same vehicle as Mahfuz Alam, Asif Mahmud, Nahid Islam, Patwary, and others while they went to receive Dr. Muhammad Yunus. At the very least, the photo suggests that she had close access to and interaction with these individuals during that period.
She was also seen actively promoting or engaging with the political narrative commonly referred to as “Delhi or Dhaka.”
Now, it appears that she has obtained an Indian visa and is currently visiting India at the invitation of the Indian government. The following three photos are presented as evidence of that visit.
This raises an important question. At a time when many Bangladeshis are struggling to obtain Indian visas for medical treatment, students are facing difficulties attending interviews due to visa-related complications, and businesspeople are suffering losses because of the shortage of business visas, how are certain individuals able to secure visas and special opportunities so easily?
Those who once appeared to be among the prominent faces of the “Delhi or Dhaka” narrative seem to have no difficulty travelling to India and receiving a warm welcome.
India in Bangladesh (High Commission of India, Dhaka), perhaps you could help clarify this matter. Greater transparency would answer many public questions and help others understand what processes or criteria make such opportunities possible.
Ministry of External Affairs, Government of India, a clear explanation would be appreciated by many people who continue to face significant challenges in obtaining visas despite having genuine needs.
#Bangladesh must revoke the discriminatory and suicidal trade deal with the #US and must not sign the GSOMIA and ACSA defense agreements. This master-slave relationship must end.
@BJI_Official Now it's certain that Jamaat has been apprised of the trade and defence agreements with its master, the US, and its MPs will remain tight-lipped like the previous days! 🤮🤮🤮
৬ দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ....
. আজ ৭ জুন, ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বা��লার মাটিকে চিরতরে স্বাধীন করার বীজ বপন করা হয় ১৯৬৬ সালের ছয় দফার দাবীর মধ্যে দিয়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক উত্থাপিত ছয় দফা দাবী বাঙালী জাতির স্বাধীকার আন্দোলনের ভিত্তিস্তম্ভ স্বরূপ।
১৩–১৪ বছরের শিশুদের রাজনীতির নামে অপবাদ দিয়ে বলি বানানো কোনো সভ্য সমাজের পরিচয় হতে পারে না।
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী শুধু এটুকু মনে রেখো ক্ষমতা আর বেশি দিন নাই, কিন্তু কর্মের হ���সাব স্থায়ী হবে।