@NCPDiasporaUSA@albd1971 NCP & Jamaat SNIPERS trained in Turkey & Pakistan have killed about 2000 including Police during July- August 24 carnage.
Ask #Bangladesh Gov't to free Halim Shah Lil Miah, former Secretary of Brahmanbaria Awami League, arrested in 2025 for 3 months & released. April, 26 he was again arrested, today granted bail & again arrested from prison gate on fake charges. @hrw@amnesty@albd1971@volker_turk
@salah_shoaib@htTweets Accept it that your Master USA & ISRAEL have set up a trap for her return & they will do to Sheikh Hasina what they have done with leaders in Peru, Venezuela, Pakistan and trying now with Evo Morales. Party reconstruction in exile is lethal suicide pill for Awami League.
@narendramodi Modiji, ur total support for Israel's genocide in Gaza & attack on Iran made staunchly secular & atheist Muslims in BD extremely indignant. U'll soon loose further ground of support in BD soon Shuvendu starts intimidating Muslims in WB. Ur intel & FP total failure on Bangladesh
@salah_shoaib Read the statement of Tareque after Israel+USA attacked Iran & killed 165 girls' school children. Now your above statement will prove that you r a Zionist-Imperialist agent in BD & so r you organically against Iran & stooge of Sunni Arab Dictators. Sheikh Hasina is anti-Zionist
@drpezeshkian The victory is for Iranian people against the Judeo-Christian aggressors. This is the time to decapitate the head of traitors inside Iran.
ইউনূস আমলের গেজেটে স্বীকৃত জুলাই আন্দোলনের শহিদের সংখ্যা সরকারি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ৮৩৪ জন। এই তালিকায় আওয়ামী লীগের নিহত কর্মীরাও অন্তর্ভুক্ত—এ নিয়ে বিতর্কে না গিয়ে আমরা ধরে নিচ্ছি, আওয়ামী লীগের নিহত কর্মীরাও জুলাই আন্দোলনের শহিদ। সুতরাং সরকারি গেজেট অনুযায়ী শহিদের সংখ্যা ৮৩৪ জন—এটাই ভিত্তি।
কিন্তু সম্প্রতি প্রথম আলোর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সরকারি তালিকার ভেতর থেকে ৫২ জনকে ভুয়া শহিদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অর্থাৎ প্রকৃত শহিদের সংখ্যা দাঁড়ায়—
৮৩৪ – ৫২ = ৭৮২ জন।
এখানেই হিসাব শেষ নয়।
জুলাই ফাউন্ডেশন–এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শহিদ তালিকায় রয়েছে মাত্র ৬৫০ জনের নাম।
এই তালিকার ভেতরে—
৪৪ জন পুলিশ সদস্য
৬৮ জন ছাত্রলীগের কর্মী
এমনকি গাজীপুরে মেয়র জাহাঙ্গীরের পিএস, যাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল—তার নামও ‘শহীদ’ তালিকায় ঢোকানো হয়েছে।
এর চেয়েও ভয়ংকর তথ্য হলো—এই তালিকা থেকে ইতোমধ্যে ১৭০ জন জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছে।
অর্থাৎ যাদের ‘শহিদ’ বলা হয়েছিল, তারা জীবিত।
তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদ সম্মেলন, টকশো—সব জায়গায় একই বুলি:
👉 “দুই হাজার ছাত্র হত্যা করা হয়েছে”
👉 “১৪০০ ছাত্র হত্যা করা হয়েছে”
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
নাম কোথায়? তালিকা কোথায়?
দুই বছর পেরিয়ে গেল, তারা একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকাও দিতে পারেনি। বরং উল্টোভাবে—আজকে কালকে করে ‘শহীদ’ তালিকা থেকে মানুষ জীবিত হয়ে ফিরে আসছে।
আরও আজব ব্যাপার হলো—
ওই তথাকথিত শহীদের তালিকায় দেখা যায়—
কেউ মারা গেছে পাউরুটি খেতে খেতে
কেউ ম্যানহোলের ভেতরে পড়ে
কেউ বাসায় ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে
কেউ গ্রামাঞ্চলে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে
এই ধরনের অন্তত ৮৮টি আজগুবি মৃত্যুকে ‘জুলাই শহিদ’ বানিয়ে ফেলা হয়েছে।
এখন আসি সময়রেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে।
৫ আগস্ট দুপুরের আগেই শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দেয়। অতএব, ওই সময়ের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বাভাবিকভাবেই আর তাঁর সরকারের ওপর বর্তায় না।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকার পতনের পর প্রায় ২৯৪ জন নিহত হয়েছেন—যার দায় আওয়ামী লীগের ওপর বর্তায় না।
সুতরাং শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন—
৭৮২ – ২৯৪ = ৪৮৮ জন।
এই ৪৮৮ জনের মধ্যে—
কেউ গুলিতে নিহত (কার গুলি—তা এখনো প্রমাণিত নয়)
কেউ পরিকল্পিত অভিযানে, মেটিকুলাস ডিজাইনে প্রাণ হারিয়েছেন
যেহেতু ওই সময়ে সরকার ক্ষমতায় ছিল, তাই নৈতিক ও প্রশাসনিক দায় সরকারকেই বহন করতে হয়। এই কারণেই শেখ হাসিনা জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চেপে রাখা অংশে।
জাতিসংঘের OHCHR–এর রিপোর্ট অনুযায়ী,
জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৪০০-এর বেশি।
এই চক্রান্তকারী প্রতিষ্ঠান আবার কি করেছে মনে আছে আপনাদের গাজী ফ্যাক্টরিতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল সেখান থেকে ১৭০ জন মারা গেছিল তাদেরকে জেলায় হত্যাকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান, যশোরে আওয়ামী লীগের একটা হোটেল পুড়িয়ে দিয়েছিল মনে আছে? সেখানে মারা গেছে এই লিস্টে ঢুকিয়ে দিয়েছে। আরো অবাক বিষয় হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসে ২২ জন মারা গেছে তাদের কেউ জুলাই শহীদ হিসাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যাইহোক। যেহেতু ৫ আগস্টে সরকার পতন ঘটে, তাই ৫ আগস্ট দুপুরের পর থেকে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ভুক্তভোগীরা মূলত আওয়ামী লীগের কর্মীরাই।
সরকারি গেজেট অনুযায়ী (ভুয়া ৫২ জন বাদ দিয়ে) ৫ আগস্ট পর্যন্ত শহীদের সংখ্যা = ৭৮২ জন
অতএব, ৬ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে নিহত হয়েছেন—
১৪০০ – ৭৮২ = ৬১৮ জন।
এই ৬১৮ জন নিহত ব্যক্তি প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগের কর্মী—এতে কোনো সন্দেহ নেই।
এখন প্রশ্নটা খুব সোজা—
👉 মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে যদি জামাত–শিবির, সমন্বয়ক ও সকল আওয়ামী বিরোধী শক্তি মিলে ৬১৮ জন আওয়ামী লীগ কর্মীকে হত্যা করতে পারে,
👉 তাহলে গত ১৪ মাসে তারা মোট কত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে?
এই প্রশ্নের উত্তর জাতির সামনে আসবেই।
আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করছে, যা তথ্য-প্রমাণসহ হালনাগাদ করে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে।
শেখ হাসিনা সরকারের ৩৬ দিনের আন্দোলনে ৪৮৮ জন শহিদের রক্তকে কেন্দ্র করে আজ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মব হামলা করে শত শত নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে৷
অথচ বাস্তবতা হলো—মাত্র ১০ দিনের মধ্যে জামাত–শিবির ও সমন্বয়করা ৬১৮ জন আওয়ামী লীগ কর্মীকে হত্যা করেছে।
তাহলে তাদের এই কর্মকাণ্ডকে কী নামে আখ্যায়িত করা উচিত?
আসুন তাদের কাছে শহিদের তালিকা চাই আর ন্যায়বিচারের দাবি তুলি।