In English there is a proverb that 'Lightning doesn't strike twice,' which means exceptional events are rare. But Levelfield makes rare events into routine occurrences.
Like the previous year, this year also six students got into the coveted IPM program of IIM Indore:
Mahek - All India Rank 2
Sharmin - All India Rank 8
Shounak - All India Rank 9
Soumyabrata - All India Rank 24
We congratulate Mahek, Sharmin, Shounak, Soumyabrata, Soumyajit, and Kirti for getting through IIM-Indore’s integrated MBA program!
Happy to note that 7 students of Levelfield's batch of 2023 got admission offers from IIM Bodh Gaya's integrated program in management, leading to an MBA.
In addition, six among them also got admission offer from IIM Jammu's integrated program in management.
Levelfield, located in the rural corner of West Bengal, continues to offer a superlative education that transforms lives and careers of numerous students here.
@ttindia@MyAnandaBazar@ABPNews@timesofindia @BartamanNews @Ei_Samay@Zee24Ghanta
The greatest music makers derive their excitement from within. The audience reaction may dishearten them temporarily, but it is not their source of sustenance.
রবীন্দ্রনাথ আমাদের সবার জীবনেই বিভিন্ন সময় উপস্থিত থেকেছেন - কখনও প্রেরণা দিতে, কখনও সান্ত্বনা জোগাতে, কখনও পথ দেখাতে। আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে এই নিয়ে স্মৃতিচারণা -
___________________
রবীন্দ্রনাথ আমাদের সকলের জীবনেই ছোটবেলা থেকেই ছিলেন। আমাদের বয়সী সবারই তখনকার দিনে বাংলা পড়ার হাতেখড়ি ওনার ‘সহজ পাঠ’-এর মাধ্যমে। তারপর কিশলয়তেও প্রতি বছর দু একটি কবিতা - ‘তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে’ বা ‘মা গো, আমায় ছুটি দিতে বল, সকাল থেকে পড়েছি যে মেলা’ ইত্যাদি। বাড়ীতেও সবসময় ক্যাসেট প্লেয়ার-এ চলত রবীন্দ্রসঙ্গীত।বাবা-কাকারাও বর্ষার দিনে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে, বা গরমের সন্ধ্যেগুলোতে ছাদে দাঁড়িয়ে খালিগলায় অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন।
এত কিছু সত্ত্বেও সেই বয়সে রবীন্দ্রসঙ্গীত মনে খুব একটা দাগ কাটেনি। ‘আধুনিক গান’ বেশী ভাল লাগত। একটু বড় হয়ে হিন্দির দিকে ঝুঁকলাম - আর কলেজে পড়ার সময় এ আর রহমান-এর সুর দেওয়া গানগুলি ছিল অত্যন্ত প্রিয়! তারপর আস্তে আস্তে ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতও শুনতে শুরু করলাম - মোজার্ট, ভিভাল্ডি ইত্যাদি। রবীন্দ্রসঙ্গীত আমার জগৎ থেকে প্রায় হারিয়েই গেল।
কিন্তু শেষ দশ-পনের বছর বিভিন্ন সময়ে সেই ভুলে যাওয়া গানগুলি মনের কোন অতল গভীর প্রান্ত থেকে আমার কাছে হঠাৎ করে মাঝে মাঝে ফিরে আসে - কখনও আমাকে উৎসাহ দিতে, কখনও সান্ত্বনা জোগাতে, কখনও পথ দেখাতে।
যখন এই স্কুল শুরু করি, তখন আমার দরকার ছিল আমার মতই কিছু মানুষ - যারা এই কাজে নিজেকে সমর্পণ করবে, আমার সাথে হাত মিলিয়ে নিরলসভাবে এই স্কুলকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু সেরকম কাউকে পাইনি তখন। তখন কবির এই গানটি আমাকে শক্তি দিয়েছে - ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।’
গানটি আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে অবাস্তব - যে কাজে বহুজনের সাহায্য লাগে, সেই কাজে একলা কিভাবে এগিয়ে যাওয়া যাবে? কিন্তু বহু বছর পথ চলার পর বুঝেছি কবি কি বলতে চেয়েছিলেন। একলা চলার মধ্যে যে দৃঢ়তা, যে সঙ্কল্প আছে, তা দেখে আস্তে আস্তে অনেকেই এগিয়ে আসে। আমার ক্ষেত্রেও তা হয়েছে - এই পথে চলার বেশ কিছু সঙ্গীসাথী আমি পরের দিকে পেয়েছি যারা আমার মতই এই কাজে নিজেদের সমর্পণ করেছে।
এই কাজ করতে নেমেছিলাম বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় বহু ভুলত্রুটি দেখে। সেই ত্রুটিগুলি মেরামত করার কাজে লেগে অবশ্যই এই শিক্ষাব্যবস্থার অনেক কিছুই গ্রহণ করতে পারিনি। যে ভুলগুলি দেখে এই কাজে নেমেছি সেইগুলিই এই প্রতিষ্ঠানে চালু রাখলে তো এর উদ্দেশ্যই বৃথা হয়ে যেত। পরিচিত অনেক পদ্ধতি আমাদের স্কুলে দেখতে না পেয়ে অনেকের মনেই এসেছে দ্বিধা। প্রথম বেশ কিছু বছর আমি অনেক মিটিং-এর মাধ্যমে সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। মাঝে মাঝে যদিও ক্লান্ত লাগত - মনে হত, ‘বিকায়ে বিকায়ে দীন আপনারে, পারি না ফিরিতে দুয়ারে দুয়ারে।’
এই লাইনটিই আবার আমাকে দিয়েছে সান্ত্বনা - এ তো কবির একার হাহাকার নয়, এই ক্লান্তি আমাদের মতো সবারই। সমাজ নতুন কিছু সহজে মেনে নেয় না - যতই ঠিক পথ হোক না কেন, যতই ভাল উদ্দেশ্য থাকুক না কেন, সমাজ তাকে এই অগ্নিপরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে নিয়ে তবেই সম্মতি দেবে। এটাই নিয়ম।
কিন্তু কি দরকার ছিল এই অগ্নিপরীক্ষার? বেশ তো ছিলাম সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে। ২০০৯ সালে যখন সিউড়ীতে প্রথম এসেছিলাম অনেকেই ভেবেছিলেন ভালো চাকরি ছেড়ে দিয়ে এই কাজ করা একটা হঠকারিতা। অনেকে ভেবেছিলেন হয়ত কিছু মতলব আছে। কিন্তু এই কাজ আমাকে করতেই হত। এটা ভিতরের একটা টান - ‘তোমারি ইচ্ছা করো হে পূর্ণ, আমার জীবন মাঝে।’
সিউড়ীকে ভালোবেসে এই কাজ করতে এসেছিলাম - ছোটবেলার বহু স্মৃতি এখানে। চাঁদমারি মাঠে বিকেলে বেড়াতে যাওয়া, সমন্বয়পল্লীর খোলা প্রান্তরে ছুটে বেড়ানো, ডাঙ্গালপাড়ার অলিগলিতে সাইকেলে করে ঘোরা। ফিরে আসার পর এসব কিছুই করা হয়নি। মনে হয় কবি যেন আমাকেই বলছেন - ‘যে পথ দিয়ে চলে এলি সে পথ এখন ভুলে গেলি রে।’ হয়ত সিউড়ী আগের মতনই আছে, আমিই ফিরতে পারিনি। ‘আজও কি খোঁজার শেষে, ফের নি আপন দেশে।’ ছোটবেলায় হয়ত কোনদিনই ফেরা যায় না।
সার্থক হয়েছে কি এই পথ চলা? মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা এতকিছু শেখানোর চেষ্টা করি, কিন্তু খুব কমজনই ভালোবেসে, সম্পূর্ণভাবে শেখে। কিন্তু হয়ত সব বিফল নয় - আমার কাছে যেরকম ছোটবেলায় উপেক্ষিত রবীন্দ্রসঙ্গীত ফিরে এসেছে - সেরকমই হয়ত ওদের কাছে, বড় হওয়ার পর, এই শিক্ষার কোন কোন অংশ ফিরে আসবে, ওদের পথ দেখাবে। আর তা যদি না হয়, তাহলে বুঝব, ‘হেথা যে গান গাইতে আসা, আমার হয়নি সে গান গাওয়া।’
২০২২-২৩ সেশন শেষ হতে চলল। অতিমারীর দুবছরের লকডাউনের পর এই প্রথম স্কুলে এসে সম্পূর্ণ সেশন। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমার লেখা, কিছু কোভিডের সময়কার গল্প সহ -
---------------------------
কোভিড এর জেরে দু বছর অনলাইন ক্লাস চলার পরে এই প্রথম সম্পূর্ণ সেশন স্কুলে এসে হতে পারল। যদিও তীব্র গরমের জন্য শেষ ৫-৭ দিনের অনলাইন ক্লাস কোভিডের সেই দুঃস্বপ্নস্মৃতিকে একটু মনে পড়িয়ে দেয়। কোভিডের সময় অনলাইন ক্লাস আমাদের স্কুলে হয়েছিল অসাধারণ, কিন্তু অনলাইন ক্লাস কখনই স্কুলে এসে ক্লাস করার পরিপূরক হতে পারে না।
কোভিডের সময় অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বাচ্চারা অনেক কিছু পড়াশুনা শিখেছিল ঠিকই। কিন্তু অতিমারীর সময় আমাদের স্কুল যে শিক্ষা দিয়েছিল তা শুধু পড়াশুনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় - সেই শিক্ষা ছিল আরও বড়। এই কম বয়সে হয়ত ওরা খুব একটা নজর করেনি, কিন্তু ভবিষ্যতে ফিরে দেখলে ওরা বুঝবে কোভিডের সময় আমরা যেভাবে স্কুল পরিচালন করেছিলাম তার মধ্যেই লুকিয়ে ছিল প্রকৃত শিক্ষা।
সেই সময়টা ছিল কঠিন - অনিশ্চয়তা, আতঙ্ক তো ছিলই, তাছাড়াও ছিল একঘেয়েমি। প্রথমদিকে মাস দুয়েক বাইরের কোন মানুষের সাথে দেখা হওয়া বা কথা বলার সুযোগ ছিল না। ওইসময় লকডাউন ছিল খুব কঠোর - আমাদের ক্যান্টিন-এর স্টাফদের আসাও সম্ভব ছিল না। আমার মনে আছে প্রায় ৪০-৪৫ দিন আমরা সবাই আমার মায়ের করা খিচুড়ি খেয়েই কাটিয়েছি - প্রত্যেকটি লাঞ্চ। আমরা বেশ কিছুজন ছিলাম স্কুলে, থাকার দরকারও ছিল। মায়ের বয়স তখন সত্তর ছুঁই-ছুঁই, বেশী চাপ দিতে চাইনি।
কিন্তু এই খিচুড়ির টেবিলেই জন্ম হয়েছে কত নতুন চিন্তাভাবনার! খেতে খেতে আলোচনা করতে করতে আমি বলেছি নতুন কোন বুদ্ধির অঙ্কের কথা - খাবার পরে দু-তিন ঘণ্টার মধ্যেই ঋতুরাজ ও রিজওয়ান তার ভিত্তিতে বানিয়ে ফেলেছে নতুন একটি অ্যাপ। এইভাবে যোগ হতে হতে আমাদের লিমিট প্লাটফর্মে এখন প্রায় একশোর বেশী অঙ্কের অ্যাপ - যার সিংহভাগ-ই তৈরী হয়েছিল কোভিডের সময়।
শুধু লাঞ্চ-টেবিলেই নয় - বিকেলের চা (এটাও নিজে বানাতে শিখেছিলাম ওই সময়), রাত্রের ডিনার, বিকেলে একটু হাঁটা - এ সব সময়েই জন্ম নিয়েছে কত নতুন চিন্তাভাবনা। মনে আছে, একদিন রাত্রে ডিনারের পর আমরা বসে গল্প করছি, তখন হঠাৎ মনে হল, এই অনলাইন ক্লাসের সময় বাচ্চারা বড় প্রশ্নোত্তর লিখবে কিভাবে? কাগজের উপর লিখে তা স্ক্যান করে হোয়াটসঅ্যাপ-এ পাঠানো - এভাবেই হচ্ছিল তখন সব জায়গায়। কিন্তু আমরা এই সহজ উত্তরে খুশী ছিলাম না - সেই রাত্রেই ভাবা হল একটি নতুন প্লাটফর্মের কথা - যেখানে আমরা প্রশ্ন দেব, সময়সীমা দেব, বাচ্চারা লিখবে, আমরা চেক করব ও আমাদের কমেন্টও তারা দেখতে পাবে। ৭-১০ দিনের মধ্যেই তৈরী হয়ে গেল ইঙ্ক - সেই নতুন প্লাটফর্ম।
এইভাবেই অসীম উৎসাহে, প্রতিদিন নতুন চিন্তাভাবনার মাধ্যমে, আমরা যেন বানিয়ে ফেললাম সম্পূর্ণ নতুন একটি স্কুল। লকডাউন বাচ্চাদের স্কুলে আসতে দিচ্ছিল না ঠিকই, কিন্তু আমরা এত কিছু তৈরি করেছিলাম তাদের জন্য, যে তাদের ইচ্ছা থাকলেই তারা স্কুলে এসে যা যা করত তার সবটাই করতে পারত বাড়ীতে বসেই।
এই অতিমানবীয় কাজ পাঁচ-ছয় মাসেই কিভাবে সম্ভব হল? এখানে বলব - যেটা আমি বাচ্চাদের সবসময়ই বলি - কোন কাজকে আন্তরিক ভাবে ভালবাসলে যেটা আপাতদৃষ্টিতে অসাধ্য, সেটাও করা সম্ভব। আমরা তখন দিনের পর দিন, দিনে ১৪-১৫ ঘণ্টা কাজ করেছি, আলোচনা করেছি - কিন্তু সেটাকে কাজের বোঝা বলে মনে হয়নি, বরঞ্চ ছিল নতুন জিনিস সৃষ্টির এক নেশা।
ভালোবাসা শুধু কাজের প্রতি নয়, ছিল বাচ্চাদের প্রতিও। আমরা চেয়েছিলাম বাইরের জগতে যাই হোক না কেন, ওদের পড়াশুনায় যেন কোন বিঘ্ন না হয়, স্কুলে ওরা যেভাবে শেখে ঠিক তেমনভাবেই যেন শিখতে পারে।
এই বিশাল কাজ আমাদের নিজেদেরও অনেক কাছে এনে দিয়েছিল। অনেকে আমাদের বলেন ‘টিম লেভেলফিল্ড’। এই টিম-এর সূচনা তখনই। একসাথে একটা বড় কাজ করলে নিজেদের মধ্যে যে আত্মিক বন্ধন তৈরী হয়, তার মতো তৃপ্তি আর কিছুতে নেই।
তাই বাচ্চাদের বলব ভালোবেসে শিখতে, ভালোবেসে কাজ করতে - তাহলে সবকিছুই অনেক সহজ হয়ে যাবে। রেজাল্ট-এর কথা, ফলের কথা বেশী ভাবলে তা অনেক দূরে চলে যায়। ভালোবেসে কাজ করলে প্রতিকূল পরিস্থিতিকেও জয় করা যায়, কোন সমালোচনাও স্পর্শ করে না, আর কোন কাজই অসাধ্য থাকে না।
আজ বাংলা নববর্ষের দিনে বাংলা ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতির বিপুল ভাণ্ডার কে সশ্রদ্ধ স্মরণ করি।
লেভেলফিল্ডের অভিভাবকদের মধ্যে অনেকেই হয়ত দেখেছেন যে এবারের কন্টেস্ট উইক-এ (আমাদের বার্ষিক অনুষ্ঠান) বহু প্রোগ্রাম ছিল বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপর - রবীন্দ্রসঙ্গীত চিনতে পারার ভিত্তিতে একটি প্রতিযোগিতা (song recognition), বাংলা গান গাওয়া, বাংলা কবিতা আবৃত্তি, ইংরাজি থেকে বাংলা তাৎক্ষনিক ভাবানুবাদ-এর প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। এছাড়াও সবচেয়ে জনপ্রিয় কুইজ প্রোগ্রামটিও ছিল আমাদের পারিপার্শ্বিক জগৎ (শহর, রাজ্য, ভাষা, ইত্যাদি) সম্পর্কে।
আমি নিজে বাংলা মাধ্যম স্কুলেই পড়েছি। বাংলা ভাষা, এখানকার গল্প, কবিতা, গান, ইতিহাস - এসব কষ্ট করে ভালবাসতে হয়নি, সেগুলি ছোটবেলার জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। জেগে থাকার প্রায় সব সময়টুকুই বাড়ীতে চলত বাংলা গান - রবীন্দ্রসংগীত এবং তখন যাকে বলত আধুনিক গান (এখন বলা হয় স্বর্ণযুগের গান)। মাঝখানে অনেকবছর সেই গানগুলি শুনিনি। তবুও সেগুলি মনের ভিতরে ঢুকে আছে - এখনও মাঝ থেকে যে কোন লাইন শুনলেই বলতে পারি কোন গান।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সত্যজিৎ রায়, সমরেশ বসু - এনাদের সাথে প্রথম সাক্ষাত আনন্দমেলার মাধ্যমে। তারপর এঁদের সমস্ত কিশোর গল্প-উপন্যাস গুলে খেয়েছি। সন্তু-কাকাবাবু, প্রফেসর শঙ্কু, গোগোল, নন্টে-ফন্টে - এদের সাথে কাটিয়েছি কত পূজার ছুটি, গ্রীষ্মের দুপুর, শীতের সন্ধ্যা।
আনন্দমেলা আসতো প্রতি দু-সপ্তাহে একবার - দুপুরবেলা (তখন খবরকাগজও দুপুরে আসত - যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনকার মত ছিল না)। অধীর আগ্রহে না ঘুমিয়ে বসে থাকতাম - কিন্তু আসার এক দু ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যেত পড়া, তারপর আবার অপেক্ষা। একটু বড় হওয়ার পর আর অপেক্ষার ব্যাপার ছিল না, বইয়ের একটা বিশাল জগত খুলে গেল - তখন বাংলা সাহিত্যের এমন লেখক ছিলেন না যাঁর সব লেখা পড়িনি। বঙ্কিমচন্দ্র শরৎচন্দ্র থেকে শুরু করে রমাপদ চৌধুরী, সমরেশ মজুমদার - সব জায়গাতেই ছিল অবাধ বিচরণ।
এই অপার আনন্দের স্বাদ দিতে ইচ্ছে হয় আমাদের ছাত্রছাত্রীদেরও। যেমন সুনীল বলেছেন তাঁর উত্তরাধিকার কবিতায় - “নবীন কিশোর, তোমাকে আমার তোমার বয়সী সব কিছু দিতে বড় সাধ হয়।” সাহিত্য, গান এগুলি যদিও যে কোন ভাষাতেই উপভোগ করা যায়, এবং লেভেলফিল্ডে ছাত্রছাত্রীরা অনেক ভালো ভালো ইংরাজি লেখা পড়ে - কিন্তু নিজের ভাষার গান, কবিতা, গল্পর রসই আলাদা।
কিছুটা আগ্রহ জাগানোর চেষ্টা করেছি - অনেকে এখন বেশ কিছু বাংলা গান, কিছু কবিতা জানে। কোন কোন ছোটগল্প পড়ে শুনিয়েছি। কিন্তু সেভাবে হয়নি - এই দুঃখটা থেকে গেল।। পৃথিবীতে কত ভালো কিছু আছে, সবই শেখাতে চাই - কিন্তু সামান্য সময়। সবকিছুর প্রতি সুবিচার করে উঠতে পারিনি - ভবিষ্যতে হয়ত আস্তে আস্তে করতে পারব।
তবুও এবার সরস্বতী পূজার দিন বাচ্চাদের সবাইকে স্কুলের মাঠে নিজেদের মধ্যেই যেভাবে একের পর এক অনেক বাংলা গান করতে শুনলাম - সেটা খুব ভালো লাগল। বাংলা ভাষা তো আমাদের রক্তে আছে - আগ্রহটা তৈরী হলে ওরা নিজেরাই কোনদিন খুঁজে পাবে এই ‘সোনার তরী’।
Reading is a public good.
If people read widely, our society would be kinder, economy stronger and politics more accountable.
And of course, dinner-table conversations would be more interesting.
To improve reading, improve your technique, context and, intelligence (if possible!)
Technique is really about questions like:
1. Do you read single words or a whole sentence together?
2. Do you vocalize, or visualize?
3. How strong is your vocabulary?
Context is about how much knowledge and understanding of the world you have so that you can make sense of what you read.
For example, if you don't know what is a smartphone, an article about privacy implications of using smartphones will not make sense to you.
Intelligence, of course, helps you connect the context you have and the reading material in front of you.
People with greater intelligence will be able to make sense of a material even with limited context.
You can improve technique by reading fast-paced popular fictions, re-watching dialogue-oriented movies with subtitles multiple times.
You can improve vocabulary by just meticulously checking every word that you encounter in your Kindle dictionary!
You can improve context by:
1. Reading Great articles (The Economist, The Guardian, FT etc are good) and great non-fictions (if you haven't read Harari, start with Sapiens and Homo Deus)
2. Having deep conversations with your friends to analyse and explain events around you
How can you improve the third factor, intelligence?
Of course, by being born with it will be good.
Otherwise, by exercising your mind every day.
How exactly?
That's for another tweet.
In our culture, a teacher's job is too narrowly defined as a dispenser of textbook instruction.
However, given that education is a preparation for life, a true teacher's job must encompass every facet of life.
A teacher must be like an economist or a sociologist to interpret the ever-changing world to the students.
A teacher must write as well as a top columnist to shape opinion inside the school and out in the community.
A teacher must be like a doctor, diagnosing the causes for learning difficulties from the minutest of symptoms.
A teacher must be steeped in human psychology to understand individual children and group behaviour.
A teacher must be a great judge, as how she adjudicates disputes inside the school will shape the very concept of fairness and justice in the minds of children.
A teacher must be an activist, as education must not be limited to the classroom, but also spread to the community.
A teacher must be a technology expert so that she can effectively use the modern technology inside the classroom.
A teacher may even need to be a software programmer so that she can create code to automate routine processes.
A teacher must be an entrepreneur, as running a school (or even running a class) is an enterprise in itself.
A teacher, finally, must be a leader, serving as an example and inspiration through his actions.
My writing on Levelfield's Foundation Day:
স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন সবার মধ্যেই আছে অসীম সুপ্ত সম্ভাবনা। সেই বিশ্বাস নিয়েই ২০১০ সালের এপ্রিলের এই দিনেই লেভেলফিল্ডের যাত্রা শুরু হয়েছিল। আমার বিশ্বাস ছিল, সঠিক পদ্ধতিতে শিক্ষা দিলে, সঠিক পথে চালনা করলে সেই সম্ভাবনার বিকাশ হবেই। শিক্ষাগত ব্যাপারে সেই সঠিক পথ কি, সেই নিয়ে আমার কখনই কোন দ্বিধা ছিল না।
সাফল্যের ব্যাপারে আমার এই আত্মবিশ্বাস দেখে অনেকের হয়ত মনে হয়েছিল লেভেলফিল্ডে ভর্তি করালেই হবে - তাহলে সহজেই পড়াশুনা ও ভবিষ্যৎ জীবনে সাফল্য চলে আসবে। এতে বাচ্চার বা অভিভাবকদের খুব একটা কিছু করণীয় নেই। কিন্তু তাই কি হয়? শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়রা, বা শ্রেষ্ঠ গায়করা যেমন অনেক অনুশীলন করেন, অনেক একাগ্রতার সাথে সাধনা করেন - সেই রকমই পড়াশুনা বা জীবনের সাফল্যের জন্যও দরকার শৃংখলাপরায়ণ জীবন ও একাগ্র তপস্যা।
আজকাল এই কথাগুলি খুব পুরনো শুনতে লাগে। এই স্মার্টফোনের যুগে ত্যাগ বা সংযম ব্যাপারটা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। বাবা-মা-রাও পছন্দ করেন বাচ্চাদের সমস্ত ইচ্ছাপূরণ করতে, ওরা যা চায় তা দিতে। আমাদের সময়ে বাবা-মা দের অত সামর্থ্য ছিল না। আমার বাবার সামান্য চাকরি ছিল। তবে তাতে আমাদের ছোটবেলাটা কিছু কম আনন্দে কাটেনি। বরঞ্চ ছোটখাট সব ব্যাপার থেকেই আনন্দ খুঁজে নিতে শিখেছি - বন্ধুদের সাথে খোলা মাঠে কাগজের বল দিয়েই খেলা, সন্ধ্যাবেলা লোডশেডিং হলে ছাদে উঠে তারাভরা আকাশ দেখা। শীতের রাতের লেপ, বিকেলের চানাচুর মুড়ি, মামার বাড়ীতে বই-এর তাকে প্রচুর পুরনো আনন্দমেলা - এইসবই জীবনে এনে দিত নির্মল আনন্দ।
নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে, দশ বছর বয়স থেকে আমি প্রতিদিন সকাল ৫-৩০টায় উঠেছি, নিজের কাজ নিজে করেছি। এমনকি ঘর, বারান্দা, বাথরুম ইত্যাদি পরিষ্কার করার ভারও ছাত্রদের উপরই ছিল। এইগুলোই আমার ছোটবেলা থেকে সবচেয়ে বড় পাওয়া। কারণ শৃংখলা, সংযম, একাগ্রতা থাকলে, খুব বেশী চাহিদা না থাকলে, জীবনে সুখ ও সাফল্য আপনিই আসে।
লেভেলফিল্ডে আমরা এই ব্যাপারগুলিতে সবসময়ই খুব জোর দিয়েছি। যদিও শৃংখলা, সংযম এই সব ব্যাপারগুলি অনেকটা নিজেদের উপরে নির্ভর করে। চাপিয়ে দেওয়া যায় না। স্কুল হিসাবে আমরা চেষ্টা করি বাচ্চাদের একটা শান্ত, আশ্রমিক পরিবেশে রাখতে। তার জন্য কিছু নিয়মকানুন রাখতেই হয়। সেগুলো সবার সবসময় পছন্দ নাও হতে পারে। সকালে দু- চার মিনিট দেরীতে আসার জন্য যদি স্কুলে ঢোকা না যায়, বা কম্পিউটার ল্যাবে একটু কথা বলার জন্য যদি বকা খেতে হয় - তবে একটু দুঃখ হওয়াটাই স্বাভাবিক।
আমরা বাচ্চাদের ভালোবাসি - ফলে সেই দুঃখও বুঝি। কিন্তু নিয়মের কিছু ব্যাতিক্রম করলেই আস্তে আস্তে সেই নিয়ম ভেঙে যায়, বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ভালোবাসা মানে সবকিছুতে প্রশ্রয় দেওয়া নয়, তারা যখন যা চাইছে তা দিয়ে দেওয়া নয়। ভালোবাসা মানে বাচ্চাদের সঠিক পথে চালনা করা, তাদের সাথে সময় কাটিয়ে আনন্দ পাওয়া। বাচ্চাদের সত্যিকারের ভালোবাসা খুব কঠিন, খুব সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রেখে চলতে হয় - সব দাবী মেনে নেওয়াটাও ভালোবাসা নয়, আবার খুব শাসন করাটাও ভালোবাসা নয়। আমরা খুব চেষ্টা করি ওদেরকে এই সত্যিকারের ভালোবাসাটা দিতে। কিছুটা নিশ্চয় পেরেছি - তাই ওদের মধ্যে কেউ কেউ, প্রতি ব্যাচেই দুতিন জন আমার সাথে কাজ করার জন্য এখানেই থেকে যায়।
তবে সবকিছু কি নিখুঁত হয়েছে? একদমই না। আমরা সবাই দোষে-গুণে ভরা মানুষ। সবাইকে সবসময় হয়ত নজর দিতে পারিনি, কাউকে হয়ত অজান্তে দুঃখ দিয়েছি। তবে আন্তরিক চেষ্টার অভাব ছিল না কখনই।
এই প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের কণিকার একটি কবিতা মনে পড়ে -
কে লইবে মোর কার্য, কহে সন্ধ্যারবি।
শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর ছবি।
মাটির প্রদীপ ছিল, সে কহিল, স্বামী,
আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি।
শিক্ষাক্ষেত্রে বহু ত্রুটি দেখে এই কাজে নেমেছিলাম - ভেবেছিলাম কিছু পরিবর্তন আনতে পারব। এই কাজ ছিল খুবই বড়, হয়ত দরকার ছিল সেই ‘সন্ধ্যা রবি’ র, কোন আরও বড় মানুষের। আমি ওই মাটির প্রদীপের মতই ভার নিয়েছি, করেছি আমার সাধ্য মত।
People who switch sides are often the most fanatic ones for the new cause because they want to fervently assuage their own doubt that they might have been wrong in switching.
One of life's dichotomies is that you want to be similar as well as different: similar so that you can belong, different so that you can stand out.
Most resolve it by differentiating themselves through superficiality.